‘নষ্ট রাজনীতি কখনো আতাউস সামাদকে প্রভাবিত করতে পারেনি’
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৮ পিএম
বরেণ্য সাংবাদিক আতাউস সামাদের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্টস আয়োজিত স্মরণসভায় কথা বলেন ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাজনীতিকে রাজনীতিবিদ ও মেধাবীদের হাতে ফিরিয়ে আনার জন্য সাংবাদিকদের কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
তিনি বলেন, সাংবাদিক আতাউস সামাদ কী করবেন তা তিনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিতেন। কেউ তাকে দিয়ে কোনো কিছু করাবে –এমন অবস্থা কারও ছিল না। দেখতে খুব নরম-সরম মানুষ হলেও তিনি অত্যন্ত স্বাধীনচেতা ছিলেন। যেটা মনে করতেন সেটাই করতেন। সেই পথ থেকে তাকে সরানো যেত না। দেশের নষ্ট রাজনীতি কখনো তাকে স্পর্শ বা প্রভাবিত করতে পারেনি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে বরেণ্য সাংবাদিক আতাউস সামাদের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্টস (বিএজে) আয়োজিত স্মরণসভায় মো. আবদুস সালাম এসব কথা বলেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আজ একটা নষ্ট রাজনীতির মধ্যে আমরা আছি। এতদিনেও রাজনীতি ও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া যাচ্ছে না। স্বাধীনতার সময় থেকেই বিচ্যুতি ঘটছে। সেখানে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করার কথা সাংবাদিকদের। কিন্তু চলার পথে আপনারাও (সাংবাদিকরা) সেই রাজনীতির সংক্রামক ব্যাধিতে জড়িয়ে পড়েছেন, যার কারণে সমাজ ও গণতন্ত্র যতটা বিকশিত হওয়ার কথা ছিল, তা বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশ আবার একটি গণতান্ত্রিক পথে হাঁটা শুরু করেছে। এখানে অনেক ভুল-ত্রুটি থাকবে, তবুও ফাইনালি চেষ্টা করতে হবে যাতে এই গণতন্ত্র ধরে রাখতে পারি এবং সরকারের পরিবর্তন যেন নিয়মতান্ত্রিক পথেই নিশ্চিত হয়।
তিনি বলেন, আজ সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে ক্ষতি সম্পর্কে বলব যে, সমাজে এমন কিছু মানুষ থাকা দরকার যাদের সব কিছু বাদ দিয়ে নিজের ক্ষেত্র থেকে সমাজ ও মানুষের জন্য লড়াই করতে হবে।
রাজনীতিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন ও আদর্শ অনুসরণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি অল্প সময়ের রাজনীতিতে একজন মহান সংস্কারক ছিলেন। এই দেশের জন্য যে সংস্কার দরকার তিনি করে গেছেন। রাজনীতিতে জিয়াউর রহমানের সেই আদর্শ ও নীতি অনুসরণ করতে পারলে আমরা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।
বিএজে’র সভাপতি এম আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বুরহান উদ্দিন ফয়সালের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইশতিয়াক আজিজ উলফাৎ, এনটিভির সাবেক বার্তা প্রধান খায়রুল আনোয়ার মুকুল, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও টাইম অব বাংলাদেশের উপদেষ্টা সম্পাদক ইলিয়াস খান, বিশিষ্ট লেখক ও টকশো ব্যক্তিত্ব সাখাওয়াত হোসেন শায়ন্ত, ডিইউজে’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, বিএফইউজে’র সহকারি মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন, ডেইউজে’র সাবেক নেতা বেলায়েত হোসেন, আমিরুল ইসলাম অমর, বিটিভির সাংবাদিক মোরশেদ আলম প্রিন্স প্রমুখ।
