দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
সৌদির কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব চেয়েছে ঢাকা
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৮ এএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
মক্কায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির অপরাধ, বিচারপ্রক্রিয়া ও দণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে তাদের মরদেহের অবস্থান এবং বিচারের সময় আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছিল কি না, তা জানতে চেয়েছে ঢাকা।
গত ১৯ অক্টোবর জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল থেকে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মক্কা শাখায় পাঠানো এক কূটনৈতিক চিঠিতে ছয়টি বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ অক্টোবর মক্কা অঞ্চলে বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। বিচারকের স্বেচ্ছাধীন শাস্তি হিসেবে তাদের এ দণ্ড দেওয়া হয়।
সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে, দুই বাংলাদেশি কী অপরাধ করেছিলেন, কখন ও কোথায় অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল এবং তাদের কবে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি দণ্ডাদেশের সত্যায়িত অনুলিপিও চাওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ড কীভাবে কার্যকর করা হয়েছে, সে বিষয়েও স্পষ্ট তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ। প্রকাশ্যে তলোয়ারের আঘাতে শিরশ্ছেদ করা হয়েছে, নাকি অন্য কোনো পদ্ধতিতে দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া দণ্ড কার্যকরের পর দুই বাংলাদেশির মরদেহ কোথায় রাখা হয়েছে এবং সেগুলো বাংলাদেশে পাঠানো হবে, নাকি সৌদি আরবেই দাফন করা হয়েছে, সে বিষয়ে জানতে চেয়েছে ঢাকা। তদন্ত ও বিচার চলাকালে তাদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছিল কি না এবং তারা কেউ আইনি সহায়তা চেয়েছিলেন কি না, সে প্রশ্নও তোলা হয়েছে।
