চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন শিক্ষা সচিব
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক। সংগৃহীত ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চীনের কুনমিংয়ে ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) শিক্ষামন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিন সকালে তিনি ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চীনের মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থার পরিচালনা কাঠামো সম্পর্কে অবগত হন। এ সময় তাকে স্বাগত জানান ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি অধ্যাপক মা ওয়েনহুই।
বাংলাদেশের সঙ্গে শিক্ষা, চীনা ভাষা প্রশিক্ষণ, কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন ও গবেষণায় সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়। অধ্যাপক মা ওয়েনহুই বাংলাদেশ ও ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যকার শিক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের গভীর আগ্রহের কথা তুলে ধরেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশি চীনা ভাষা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং চীনা ভাষা ও কারিগরি দক্ষতার সমন্বিত পাঠ্যক্রম চালুর ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রস্তুত রয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষা, চিকিৎসাবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, পর্যটন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), নৃবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা কাঠামো গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।
যৌথ গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা এবং সমন্বিত গবেষণা প্রকল্প গ্রহণকেও ভবিষ্যৎ অংশীদারত্বের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে তুলে ধরা হয়।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ একাডেমিক সম্পর্কের প্রশংসা করেন।
তিনি অধ্যাপক মা ওয়েনহুইকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বাগত জানান।
সচিব বলেন, বাংলাদেশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিময়, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি এবং যৌথ প্রশিক্ষণ উদ্যোগকে আরও জোরদার করতে আগ্রহী। প্রস্তাবিত সহযোগিতা কাঠামো থেকে বিশেষত যৌথ গবেষণা ও সক্ষমতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে বাস্তব ও ফলপ্রসূ অগ্রগতি প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ, যা উভয় দেশের তরুণ শিক্ষার্থী ও গবেষকদের উপকৃত করবে।

