জাহেদ উর রহমান
মুক্তিযোদ্ধাকে কবর দিতে বাধা, এর পরিণতি তাদের ভোগ করতে হবে
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৮ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
একজন মুক্তিযোদ্ধাকে কবর দিতে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। এ ঘটনার সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দলের জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, এর পরিণতি তাদের ভোগ করতে হবে।তিনি বলেন, একজন মানুষ মারা যাওয়ার পর তার লাশের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ কেউ পছন্দ করেন না। যারা এমন কাজ করেন, শেষ পর্যন্ত তারা সমাজে নিন্দিত হবেন এবং এ ধরনের কাজের জন্য সমর্থন পাবেন না।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মুক্তিযোদ্ধাকে কবর দিতে বাধা দেওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আমাদের সামনে যে তথ্য সামনে আসলো, সেটা খুবই আসলে দুঃখজনক যে পলিটিক্যাল পার্টি এটার সঙ্গে ইনভলভ হয়ে কাজগুলো করেছে। আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি এটার কনসিকুয়েন্স তারা ফিল করবে। তিনি বলেন, কারণ আমি জেনেছি, আমি জানি, আমি বুঝি, এটা আসলে কেউ সঠিকভাবে নেয়নি।
অতীতের একটি ঘটনার উদাহরণ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। কিছু মানুষের বিচার হওয়ার পর তাদের মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছিল। তখন ওই বিচারগুলোর পক্ষে থাকা ব্যক্তিরাও মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ পছন্দ করেননি। তিনি বলেন, একটা মানুষ যখন মারা যান, তখন আসলে তিনি এই অধিকার রাখেন। তিনি মারা গেছেন এবং তার বিচার পরবর্তীতে সৃষ্টিকর্তার কাছে হবে।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, এইখানে যারা এই কাজগুলো করেন, তারা আসলে সমাজে আল্টিমেটলি নিন্দিত হবেন। সমাজে তারা তাদের প্রশংসা বা কোনোভাবেই এটার থেকে সমর্থন পাবেন না।
টঙ্গীতে এক শিশুকে নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সরকার এসব ঘটনাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। টঙ্গীর ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বলেন, কোথাও এটা এমন পর্যায়ে যায়নি যে সরকার এটাকে কনসিডেন্সে নিচ্ছে না। এটার ডিফারেন্সটা এই জায়গায়, আপনি খেয়াল করবেন টঙ্গীতে যে ঘটনাটা ঘটেছে, সেখানেও যিনি অভিযুক্ত তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।সরকার এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত রাখলে এ প্রবণতা কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
