ভারতে তাণ্ডব চালিয়ে বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, সতর্কতা জারি
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৯ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ১টা ২০ মিনিটে ঘূর্ণিঝড়টির আছড়ে পড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়ার কাছে পুদুচেরির ইয়ানাম এলাকায় এটি উপকূল অতিক্রম করে। এ সময় ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার ছিল, যা সর্বোচ্চ ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে। সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে।
এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী সময়ের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
