স্বৈরাচারী শক্তি আবারও ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে: প্রধানমন্ত্রী
খুলনা ব্যুরো
প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম
খুলনা শহরের কেন্দ্রস্থল ডাকবাংলো মোড়ের মঞ্চে অনির্ধারিত পথসভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দেশের শিল্পকারখানা বন্ধের ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মিল-কলকারখানা দেশের প্রাণ, অর্থনীতির প্রাণ। এসব প্রতিষ্ঠানে লাখ লাখ মানুষ কাজ করেন। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংস করেছিল, তারা এখন দেশের অর্থনীতিকেও ধ্বংস করতে চায়। যেকোনো ষড়যন্ত্র জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিহত করা হবে। মানুষের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা শহরের কেন্দ্রস্থল ডাকবাংলো মোড়ের মঞ্চে অনির্ধারিত পথসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খুলনা সফর উপলক্ষে জেলার প্রবেশদ্বার রূপসা উপজেলার তিলক কুদির বটতলায় পথসভার আয়োজন করা হয়। সেখান থেকে তিনি রূপসা ব্রিজ পার হয়ে আসেন খুলনা শহরে। শহরের কেন্দ্রস্থল ডাকবাংলো মোড়ের মঞ্চে অনির্ধারিত পথসভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে চাই। আমি আজ খুলনায় এসেছি নতুন কুঁড়ি উদ্বোধন করতে। আমরা খেলাধুলার মাধ্যমে প্রতিটি স্তরে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই। দেশের গণতন্ত্র ও অর্থনীতি ধ্বংসের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে জনগণের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, এক যুগ ধরে জোর করে ক্ষমতা দখল করে রাখা এবং মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া স্বৈরাচারী শক্তিকে এ দেশের মানুষ বিতাড়িত করেছিল; যারা লুটপাটের রাজনীতি শুরু করেছিল, তারা আবারও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। ২০২৪ সালে দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ যেভাবে স্বৈরাচারকে বিতাড়িত করেছিল, সেই শক্তি আবারও ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে।
তিনি বলেন, গণতন্ত্র রক্ষা ও দেশের মানুষের স্বার্থে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, কোনো ষড়যন্ত্রের কাছে সেই যাত্রাকে মাথানত করতে দেওয়া হবে না। জনগণের প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আজ থেকে সবার একটাই প্রত্যাশা হওয়া উচিত জনগণের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ নির্মাণ।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী মোংলা ও বাগেরহাটে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। রূপসার পথসভা শেষে বেলা ২টা ৩৪ মিনিটে তিনি খুলনা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি সিজন-২ উদ্বোধনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। এ সময় কুদির বটতলা থেকে খানজাহান আলী সেতু পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ প্ল্যাকার্ড হাতে এবং হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানান।
