Logo
Logo
×

Advertisement

জাতীয়

জনমনে আতঙ্ক ছড়াতেই বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণ: ডিএমপি

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩০ পিএম

জনমনে আতঙ্ক ছড়াতেই বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণ: ডিএমপি

উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও গণপরিবহণে অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো পরিকল্পিতভাবে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং নাশকতার উদ্দেশ্যে ঘটানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এসব ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে তদন্তের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি এবং পুলিশের অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন।

সাম্প্রতিক বিস্ফোরণ ও যানবাহনে আগুন দেওয়ার ঘটনাগুলোর বিষয়ে পুলিশের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রতিটি ঘটনা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে এসব ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন ও তাদের অঙ্গসংগঠনের সদস্যরাও রয়েছেন।

ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নাশকতা চালিয়ে জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের অপারেশনাল কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ মোতায়েনও জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানুষের মধ্যে সৃষ্ট আতঙ্ক দূর করতে ডিএমপির মোবাইল পার্টি ও পিকেট ডিউটি অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের ওপর কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে, যাতে নাশকতার পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়নের চেষ্টা আগেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

ককটেল তৈরির উপাদান কোথায় প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং কীভাবে এসব উপকরণ সংগ্রহ করা হচ্ছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আকতার হোসেন বলেন, এর আগেও ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও বিস্ফোরকদ্রব্যসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। নাশকতার কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে পেট্রোল পাম্প কিংবা অন্য কোনো উৎস থেকে দাহ্য পদার্থ কেনাবেচা হচ্ছে কিনা, সেটিও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এ ক্ষেত্রে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দাহ্য পদার্থ সংগ্রহকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি। নাশকতার উদ্দেশ্যে এসব উপাদান সংগ্রহের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে ডিএমপির অভিযান ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগে জড়িত একটি গ্রুপ: ডিএমপির ডিসি

ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগে জড়িত একটি গ্রুপ: ডিএমপির ডিসি

বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল ইরানের কেশম দ্বীপ

বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল ইরানের কেশম দ্বীপ

সাভারে এক রাতে অন্তত তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ, জনমনে আতঙ্ক

সাভারে এক রাতে অন্তত তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ, জনমনে আতঙ্ক

কালশী মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণ

কালশী মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণ

খিলগাঁও আনসার সদর দপ্তরের ভেতরে ককটেল বিস্ফোরণ

খিলগাঁও আনসার সদর দপ্তরের ভেতরে ককটেল বিস্ফোরণ

পল্লবীতে একের পর এক ‘ককটেল বিস্ফোরণ’

পল্লবীতে একের পর এক ‘ককটেল বিস্ফোরণ’

আরও পড়ুন

জনমনে আতঙ্ক ছড়াতেই বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণ: ডিএমপি

জনমনে আতঙ্ক ছড়াতেই বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণ: ডিএমপি

ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগে জড়িত একটি গ্রুপ: ডিএমপির ডিসি

ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগে জড়িত একটি গ্রুপ: ডিএমপির ডিসি

‘সরকারের আশা বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায়ই শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে ভারত’

‘সরকারের আশা বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায়ই শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে ভারত’

বিচার বিভাগকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি: আইনমন্ত্রী

বিচার বিভাগকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি: আইনমন্ত্রী

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম