Logo
Logo
×

Advertisement

জাতীয়

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর নাম দিল যে দেশ

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০১৯, ০৩:২৩ পিএম

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর নাম দিল যে দেশ

Advertisement

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’। পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড়টি।

চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে ভারত ও বাংলাদেশে তাণ্ডব চালিয়ে যায় ঘূর্ণিঝড় ফণী।  সরকার ও উপকূলীয় অঞ্চলবাসী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়ায় বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষতি করতে পারেনি ফণী। বছরের সবচেয়ে বেশি আলোচিত ঘূর্ণিঝড় ফণীর নাম দিয়েছিল বাংলাদেশ।

আর এখন বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড়ের নামটি দিয়েছে পাকিস্তান। তবে অনেকেই জানেন এর নাম বুলবুল দেয়া হলো কীভাবে?

১৯৪৫ সাল থেকে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে শুরু হয় সাইক্লোন-টাইফুন ও হারিকেন তথা ঘূর্ণিঝড়ের আনুষ্ঠানিক নামকরণ।

একসময় ঝড়গুলোকে নানা নম্বর দিয়ে শনাক্ত করা হতো। কিন্তু সেসব নম্বর সাধারণ মানুষের কাছে দুর্বোধ্য হতো। ফলে সেগুলোর পূর্বাভাস দেয়া, মানুষ বা নৌযানগুলোকে সতর্ক করাও কঠিন মনে হতো।

এ কারণে ২০০৪ সাল থেকে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলোয় ঝড়ের নামকরণ শুরু হয়। সে সময় আটটি দেশ মিলে ৬৪টি নাম প্রস্তাব করে। সেসব ঝড়ের নামের মধ্যে এখন বুলবুল ঝড়কে বাদ দিলে আর ৫টি নাম বাকি রয়েছে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা আঞ্চলিক কমিটি একেকটি ঝড়ের নামকরণ করে। উদাহরণস্বরূপ ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করে এই সংস্থার আট দেশ।

দেশগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড ও ওমান, যাদের প্যানেলকে বলা হয় WMO/ESCAP।

একসময় ঝড়ের নাম হিসেবে নারীদের নামকে প্রাধান্য দেয়া হলেও পরবর্তীতে আবারও পুরুষের নাম সংযোজিত হতে থাকে।  বর্তমানে বস্তু বা অন্য বিষয়ের নাম অবস্থাভেদে টেনে আনা হয়েছে। যেমন- সিডর, মেঘ, বায়ু, সাগর ইত্যাদি।

উত্তর ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সব ঝড়ের নামকরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দেয়া নামগুলো হলো- অনিল, অগ্নি, নিশা, গিরি, হেলেন, চপলা, অক্ষি, ফণী।

বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল নিয়ে আলোচনা চলছে।  

আবহাওয়া অধিদফতরের খবরে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৩০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৫৫ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯১০ কিমি দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৬৫ কিমি দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়েছে, ৮ নভেম্বরের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের গতিবেগ ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ মাইলে উঠবে, যা সর্বোচ্চ ৯০ মাইলেও পৌঁছাতে পারে।

সেদিনই ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের উড়িষ্যা ও পশ্চিমবঙ্গে আছড়ে পড়তে পারে। এটি বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে আগামী ১০ নভেম্বর।

Advertisement

বুলবুল ঘূর্ণিঝড়

Advertisement

আরও পড়ুন

ব্রিটিশ হাইকমিশনার বাংলাদেশের কর্মসংস্থানকে সমর্থন করতে আমরা একসঙ্গে কাজ করছি

বাংলাদেশের কর্মসংস্থানকে সমর্থন করতে আমরা একসঙ্গে কাজ করছি

পদত্যাগের পর ইশরাকের স্ত্রীর রহস্যময় পোস্ট

পদত্যাগের পর ইশরাকের স্ত্রীর রহস্যময় পোস্ট

সাবেক মার্কিন উপ-রাষ্ট্রদূত ইশরাকের পদত্যাগের সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রীর জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি দৃশ্যমান

ইশরাকের পদত্যাগের সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রীর জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি দৃশ্যমান

দুর্গাপূজায় গুজব-অপপ্রচারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ নেই: আনসার ডিজি

দুর্গাপূজায় গুজব-অপপ্রচারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ নেই: আনসার ডিজি

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম