Logo
Logo
×

Advertisement

জাতীয়

‘অনেকবার বিচারককে বলেছি, আমি সেই মিজান না’

Advertisement

Icon

যুগান্তর রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৭ নভেম্বর ২০১৯, ০১:৫১ পিএম

‘অনেকবার বিচারককে বলেছি, আমি সেই মিজান না’

হলি আর্টিজানে হামলায় সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় আসামি মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজানকে খালাস দেয়া হয়েছে। ছবি-সংগৃহীত

Advertisement

গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে জঙ্গি হামলার তিন বছর চার মাস ২৬ দিন পর চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। 

রায়ে আট আসামির মধ্যে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে হামলায় সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় আসামি মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজানকে খালাস দেয়া হয়েছে। 

ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমানের আদালতে বুধবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করা হয়। 

রায়ের পর আদালতে উপস্থিত আইনজীবী ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে কথা বলেন মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান। 

তিনি বলেন, ‘আল্লাহ আমাকে খালাস করেছেন। আমি অনেকবার বিচারককে বলেছি— আমি সেই মিজান না। আমাকে বিনা দোষে এত দিন জেলে রাখছে।’

জানা গেছে, হলি আর্টিজান মামলায় অভিযুক্ত মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান নব্য জেএমবির অস্ত্র ও বিস্ফোরক শাখার প্রধান ছিলেন। নামের মিল থাকার কারণেই খালাস পাওয়া এই মিজানকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন আদালত।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, হাতকাটা সোহেল মাহফুজ, হাদিসুর রহমান সাগর, রাশেদ ইসলাম ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ, শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ ও মামুনুর রশীদ ওরফে রিপন।

এর আগে কারাগার থেকে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়েছিল। রায় ঘোষণা শেষে তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালিয়ে দুই পুলিশসহ দেশি-বিদেশি ২২ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দু’জনের মৃত্যু হয়।

এছাড়া হামলায় অন্তত ৩০ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। ওই সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযান ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ডে’ পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। অভিযানে এক জাপানি ও দুই শ্রীলংকানসহ ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

জঙ্গি হামলার ঘটনায় ওই বছরের ৪ জুলাই গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ২৩ জুলাই হামলায় জড়িত ২১ জনকে চিহ্নিত করে জীবিত আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করা হয়।

পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক হুমায়ুন কবীর এ চার্জশিট দাখিল করেন। ঘটনায় জড়িত ‘চিহ্নিত’ বাকি ১৩ জন এরই মধ্যে বিভিন্ন অভিযানে নিহত হওয়ায় তাদের নাম চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া হয়।

এরপর গত বছরের ২৬ নভেম্বর এ মামলায় আট আসামির বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে চলতি বছরের ২৭ অক্টোবর শেষ হয়।

গত ৩০ অক্টোবর আত্মপক্ষ সমর্থনে আদালতের কাছে আট আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। এরপর চলতি মাসের ৬ নভেম্বর এ মামলায় যুক্তিতর্ক শুরু হয়।

৭ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সব আসামির মৃত্যুদণ্ড চান। আর ১৭ নভেম্বর এ মামলায় উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়। মামলায় চার্জশিটভুক্ত ২১১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়।

Advertisement

মিজান বিচারক

Advertisement

আরও পড়ুন

পদত্যাগের পর ইশরাকের স্ত্রীর রহস্যময় পোস্ট

পদত্যাগের পর ইশরাকের স্ত্রীর রহস্যময় পোস্ট

সাবেক মার্কিন উপ-রাষ্ট্রদূত ইশরাকের পদত্যাগের সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রীর জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি দৃশ্যমান

ইশরাকের পদত্যাগের সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রীর জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি দৃশ্যমান

দুর্গাপূজায় গুজব-অপপ্রচারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ নেই: আনসার ডিজি

দুর্গাপূজায় গুজব-অপপ্রচারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ নেই: আনসার ডিজি

ধর্মের নামে কেউ যেন বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে না পারে: রাষ্ট্রপতি

ধর্মের নামে কেউ যেন বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে না পারে: রাষ্ট্রপতি

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম