Logo
Logo
×

Advertisement

জাতীয়

এবার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা ‘বাংলা ব্লকেড’র ডাক

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৪, ০৬:৫৩ পিএম

এবার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা ‘বাংলা ব্লকেড’র ডাক

Advertisement

এবার সকাল-সন্ধ্যা ‘বাংলা ব্লকেড’ ঘোষণা করেছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। বুধবার সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে শিক্ষার্থীদের সড়ক-মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট অবরোধ করে ‘বাংলা ব্লকেড’ পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা এ ঘোষণা দেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম।

সর্বাত্মক ‘বাংলা ব্লকেড’ অনুযায়ী দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানের পাশাপাশি হাইওয়ে এবং রেলপথও এই ব্লকেডের আওতায় থাকবে।

গত কয়েকদিন অর্ধদিবস অবরোধের পর আজ গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এই কর্মসূচি শেষে আবার অবরোধের ঘোষণা দিলেন তারা।

সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কার করে এক দফা দাবিতে এ আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। এক দফা দাবিটি হলো- সব গ্রেডে সব ধরনের অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লিখিত অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটাকে ন্যূনতম পর্যায়ে এনে সংসদে আইন পাস করে কোটা পদ্ধতিকে সংশোধন করতে হবে।

‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’–এর ব্যানারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয়ভাবে এ কর্মসূচি পালন করছেন। তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে ঢাকাসহ সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মিছিল–সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

২০১৮ সাল পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা প্রচলিত ছিল। ওই বছর কোটা সংস্কার করে ১০ শতাংশ করার দাবিতে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে আন্দোলনে নেমেছিলেন। আন্দোলনের মুখে একপর্যায়ে সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে পুরো কোটাব্যবস্থাই বাতিল করে। ওই বছরের ৪ অক্টোবর কোটা বাতিলবিষয়ক পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। পরে ২০২১ সালে সেই পরিপত্রের মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রিট করেন। ৫ জুন এই রিটের রায়ে পরিপত্রের ওই অংশ অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এর পর থেকে আবার আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।

এদিকে কোটা পুনর্বহাল–সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী। তারা হলেন-  নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আল সাদী ভূঁইয়া ও উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী আহনাফ সাঈদ খান। তবে কোটাবিরোধী আন্দোলনের প্লাটফর্ম ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ জানিয়েছে, আদালতে আবেদনকারী ওই দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

Advertisement

কোটাবিরোধী আন্দোলন অবরোধ

Advertisement

আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন গিয়াস উদ্দিন

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন গিয়াস উদ্দিন

দুই সংসদীয় কমিটির বৈঠক বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধে নজরদারির সুপারিশ

বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধে নজরদারির সুপারিশ

রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহে ঘাটতি নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহে ঘাটতি নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

সবুজ সংকেত রূপপুরে, প্রতিকূলতা পেরিয়ে জ্বলল আশার আলো

সবুজ সংকেত রূপপুরে, প্রতিকূলতা পেরিয়ে জ্বলল আশার আলো

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম