খালেদা জিয়া শিষ্টাচার শিখিয়ে গেছেন
Advertisement
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সদ্যপ্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বগুণ এবং রাজনৈতিক শিষ্টাচারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবির বর্তমান সহসভাপতি ফারুক আহমেদ। বুধবার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিয়ে ফারুক জানান, তার মতো আপসহীন নেত্রী বাংলাদেশে আবার আসবেন কিনা, সন্দেহ রয়েছে। ফারুক বলেন, ‘আমরা সবাই জানি, খালেদা জিয়াকে আপসহীন নেত্রী বলা হয়। দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি। এ কারণেই তিনি আপসহীন। সবচেয়ে বড় কথা, তার মুখ থেকে কখনো কোনো অশোভন শব্দ শোনা যায়নি। রাজনীতিতে শিষ্টাচার কাকে বলে, সেটা আমাদের তিনি হাতে-কলমে শিখিয়ে গেছেন।’
খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয় কাল। সকাল থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও আশপাশের এলাকায় মানুষের ঢল নামে। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পুরো ঢাকা শোকাতুর জনসমুদ্রে পরিণত হয়। জানাজায় অংশ নিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ফারুক আহমেদ। খালেদা জিয়ার সঙ্গে ব্যক্তিগত সাক্ষাতের স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো ম্যাচ হলে তার ছোট ছেলে আমাদের সঙ্গে কাজ করতেন। সে সূত্রে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়েছে। দুই থেকে তিনবার তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে। তিনি খুব বেশি কথা বলতেন না, তবে যা বলতেন তা ছিল গভীর অর্থবহ। তিনি আমাদের উৎসাহ দিতেন। তার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। নিঃসন্দেহে আমরা একজন অভিভাবককে হারালাম।’
খালেদা জিয়ার বড় ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে ফারুক বলেন, ‘তারেক রহমান এখন একা হয়ে গেছেন। বাবা নেই, মা নেই, ছোট ভাইও অনেক আগে চলে গেছেন। সামনে তার জীবন কতটা নিঃসঙ্গ হয়ে উঠবে, তা হয়তো এখনো তিনি পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারছেন না। চার-পাঁচ দিন পর এই শূন্যতা তিনি গভীরভাবে অনুভব করবেন।’ খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে ফারুক বলেন, ‘তারেক রহমান; তার ছোট ভাই কোকো ও আমি একই স্কুলে পড়েছি। কোকোর সঙ্গে প্রায় চার বছর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে কাজ করেছি। আমি ছিলাম নির্বাচক কমিটির প্রধান, কোকো ছিলেন ডেভেলপমেন্ট কমিটির প্রধান। এসব স্মৃতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’
