Logo
Logo
×

Advertisement

নগর-মহানগর

দ্রুত এগিয়ে চলেছে সোনাদীঘির সংস্কার

মানুষ উপভোগ করবে স্বচ্ছ পানির জলাধার। রাতে আলোকায়ন থাকবে। থাকবে ফোয়ারা। দেখা যাবে তিন দিক থেকে

Icon

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের উদ্যোগে মহানগরীর ঐতিহ্যবাহী সোনাদীঘি নতুন রূপ পেতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে সোনাদীঘি ফিরে পাচ্ছে তার হারানো ঐতিহ্য। সোনাদীঘিকে এখন অন্তত তিন দিক থেকে দেখা যাবে। দীঘিকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা হবে হাঁটার পথসহ মসজিদ, এমফি থিয়েটার (উন্মুক্ত মঞ্চ) ও তথ্যপ্রযুক্তি পাঠাগার। এ লক্ষ্যে কাজ দ্রুতগতিতেই এগিয়ে চলেছে।

এক সময় সোনাদীঘি ছিল অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র। সোনাদীঘির চারপাশ উন্মুক্ত ছিল। এর পানি এতটাই স্বচ্ছ ছিল যে, তা দিয়ে এলাকাবাসীর রান্নার কাজও চলত। পানিতে যাতে কেউ ময়লা ফেলতে না পারে, তা তদারকির দায়িত্বে থাকতেন রাজশাহী পৌরসভার কর্মচারীরা। পদ্মা নদীর সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত ছিল দীঘিটি। এতে ভরা বর্ষা মৌসুমে দীঘিতে পদ্মার পানি প্রবেশ করত। নদীর ঘোলা পানি থিতিয়ে যাওয়ার পর দেখা মিলত স্বচ্ছ পানির। ১৯৮০-৮১ সালের দিক থেকে সোনাদীঘির চারপাশে স্থাপনা নির্মাণ শুরু হয়। ঢাকা পড়ে সোনাদীঘির মুখ। রাস্তা থেকে আর সোনাদীঘি দেখা যেত না তখন।

সোনাদীঘির হারানোর ঐতিহ্য ফিরে আনতে ২০০৯ সালে প্রথম মেয়াদে উদ্যোগ নেন সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় ‘এনা প্রপার্টিজ’ নামের একটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ১৬ তলাবিশিষ্ট ‘সিটি সেন্টার’ নির্মাণ ও সোনাদীঘিকে সাজানোর চুক্তি করে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন। সিটি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনের প্রথম মেয়াদের সময়কালে (২০০৮-১৩) এর নির্মাণ কাজ এগোলেও পরবর্তী ৫ বছর কাজ বন্ধ হয়ে থাকে। ২০১৮ সালের ৫ অক্টোবর দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পর সিটি সেন্টার ও সোনাদীঘিকে সাজানোর কাজে গতি ফেরান মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থাপনা, মসজিদ ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সোনাদীঘিকে উন্মুক্ত করা হয়েছে। বৈধ ব্যবসায়ীদের সিটি সেন্টারে পুনর্বাসন করা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর সোনাদীঘি মসজিদকে সিটি সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়েছে। এরপর শুরু হয় স্থাপনা ভাঙার কাজ। নির্মাণ কাজ ও সাজানো শেষে সিটি সেন্টার হবে অন্যতম বাণিজ্য কেন্দ্র আর সোনাদীঘি হবে দৃষ্টিনন্দন বিনোদন কেন্দ্র। সোনাদীঘিকে কেন্দ্র করে ওই এলাকার পুরো চিত্রই পাল্টে যাবে। দর্শনার্থীদের পাশাপাশি পুরো বাজার এলাকার ব্যবসায়ীরাও এর সুফল ভোগ করবেন। এই দীঘির চারপাশে পর্যাপ্ত বসার জায়গা রাখা হবে। পরিবার নিয়ে মানুষ সেখানে বসবে। উপভোগ করবে স্বচ্ছ পানির জলাধার। রাতে আলোকায়ন থাকবে। থাকবে ফোয়ারা। সংস্কার শেষ হলে তিন দিক থেকে সোনাদীঘিকে দেখা যাবে। তখন এটি আগের মতোই নগরের একটি বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হবে। এ ব্যাপারে মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ঐহিত্যবাহী সোনাদীঘি পাড়ে নবনির্মিত সিটি সেন্টার হবে রাজশাহীর সবচেয়ে চমৎকার আধুনিক বহুতল ভবন। সোনাদীঘিকে কেন্দ্র করে উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হবে।

নির্মিত হবে নতুন মসজিদ। থাকবে বসার ও হাঁটার রাস্তা এবং উন্মুক্ত জায়গা। রাতে আলোকায়ন করা হবে। দীঘিকে সংস্কার করে স্বচ্ছ পানির ব্যবস্থা করা হবে। কাজ শেষে সোনাদীঘি ফিরে পাবে তার ঐতিহ্য ও স্বকীয়তা।

 

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

চিকিৎসক-নার্স সংকটে সেবার মান তলানিতে মহানগর শিশু হাসপাতাল নিজেই ‘রোগী’

মহানগর শিশু হাসপাতাল নিজেই ‘রোগী’

বাকৃবি গবেষকের সাফল্য প্লানটেইন ঘাস খাইয়ে ব্রয়লার মাংস উৎপাদন

প্লানটেইন ঘাস খাইয়ে ব্রয়লার মাংস উৎপাদন

রিমান্ড শেষে কারাগারে গাজী নজরুল বারান্দাতেও ঘুমাতে হতো মরিয়মকে

বারান্দাতেও ঘুমাতে হতো মরিয়মকে

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাগিং ইস্যুতে মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের মারামারি

র‌্যাগিং ইস্যুতে মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের মারামারি

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম