Logo
Logo
×

Advertisement

প্রথম পাতা

মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ নিয়ে চলছে গুঞ্জন

সরকারের প্রয়োজনে মন্ত্রিসভার আকার বাড়তেও পারে, নাও পারে : ওবায়দুল কাদের * টেকনোক্র্যাট কোটায় দুজনকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হতে পারে এমন আলোচনাও আছে

Advertisement

Icon

আমিরুল ইসলাম

প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ নিয়ে চলছে গুঞ্জন

Advertisement

নতুন সরকারের মেয়াদ এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন চলছে। জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভা একটু বড় হতে পারে। যুক্ত হতে পারেন ৫-৭ জন সদস্য। ১৪ দলীয় জোটের শরিক দল থেকে একজনকে স্থান দেওয়া হতে পারে। 

টেকনোক্র্যাট কোটায় দুজনকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হতে পারে এমন আলোচনাও আছে। কে বা কাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে তা নিয়ে চলছে চুলচেড়া বিশ্লেষণ। এক্ষেত্রে কয়েকজন নতুন সংসদ-সদস্যের নাম আলোচনায় আছে। এরা এবারই প্রথম এমপি হয়েছেন। আগে প্রজাতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। 

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সম্প্রতি গণমাধ্যমকে বলেছেন, মন্ত্রিসভা গঠন, সম্প্রসারণ বা রদবদল পুরোপুরিভাবে প্রধানমন্ত্রীর একক এখতিয়ার। কে কে মন্ত্রিসভায় আসবেন-এটি একান্তভাবেই প্রধানমন্ত্রী জানেন। সরকারের প্রয়োজনে মন্ত্রিসভার আকার বাড়তেও পারে, আবার নাও বাড়তে পারে। 

নবগঠিত মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের চমক দেখা গেছে। ৩৭ সদস্যের মন্ত্রিসভায় নতুন যুক্ত হয়েছেন ১৪ জন। এই তালিকায় স্থান পাননি বিদায়ি মন্ত্রিসভার ২৮ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী। বাদ পড়েছেন ১৪ জন মন্ত্রী, ১২ জন প্রতিমন্ত্রী ও দুজন উপমন্ত্রী। 

বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন সময় বেফাঁস মন্তব্যসহ মন্ত্রণালয়ে নিয়মিত অনুপস্থিতি, দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা, অবৈধ সম্পদ অর্জন, স্বজনপ্রীতির কারণে অনেকেই বাদ পড়েছেন বলে জানা গেছে। বিশেষ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন নানা ধরনের অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদকে নিয়ে নানা ধরনের অনিয়মের খবর মূলধারার গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেককে নিয়ে গণমাধ্যম ছিল সরব। 

নতুনদের জায়গা দিতে একাধিক মেয়াদে দায়িত্ব পালন করা কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকেও বাদ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, বিদায়ি মন্ত্রিসভার আকার ছিল ৪৮ সদস্যের।

নতুন ৬ বা ৭ জন যুক্ত হলে বর্তমান মন্ত্রিসভার আকার দাঁড়াবে ৪৩ বা ৪৪ জনে। প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাজের পরিধি বেড়েছে। এছাড়া দেশের অর্থনীতির আকার বেশ বড়। সুতরাং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা বাড়লেও তেমন কোনো সমস্যা হবে না। বরং না বাড়ালে কাজের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা হতে পারে। 

নতুন কারা আসছেন মন্ত্রিসভায় এ নিয়ে দলের ভেতরে-বাইরে জোর আলোচনা চলছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, ১১ জানুয়ারি ৩৭ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হওয়ার পর থেকেই বোঝা গিয়েছিল এটা পূর্ণাঙ্গ নয়। একজন সিনিয়র মন্ত্রী নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুগান্তরকে বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে সংরক্ষিত আসনে নারী এমপিদের মনোনয়ন ও নির্বাচন চূড়ান্ত হবে। আরও কিছু দিন পরে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ হতে পারে। 

মন্ত্রীদের দফতর বণ্টনের পর কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। কর্মপরিধি বড় এমন মন্ত্রণালয়েও একজন করে দায়িত্বে আছেন। বর্তমানে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কোনো মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নেই। এ দুটি মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের দায়িত্বে রেখেছেন। 

এ ছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে একজন করে মন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন। মন্ত্রিসভার আকার বড় হলে এসব মন্ত্রণালয়ে নতুন করে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। 

ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে বিগত সরকার আমলে একজন মন্ত্রী এবং একজন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করলেও এবার একজন প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই সেখানেও মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ দিয়ে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হতে পারে।
 

Advertisement

মন্ত্রীসভা

Advertisement

আরও পড়ুন

বিমানের মহাপরিকল্পনায় প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন বহর বাড়ছে, সক্ষমতা কোথায়

বহর বাড়ছে, সক্ষমতা কোথায়

চাঁদা না দেওয়ায় ফোর স্টার গ্রুপের হামলা পল্লবীতে ফার্মেসি ভাঙচুর কুপিয়ে জখম

পল্লবীতে ফার্মেসি ভাঙচুর কুপিয়ে জখম

শিশু একাডেমির অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে

শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে

ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ মৃত্যু

ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ মৃত্যু

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম