রোববার উপকূলে আঘাত হানতে পারে ‘রেমাল’
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। তখন এর নাম হবে ‘রেমাল’।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান শুক্রবার জানান, ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে রেমাল পটুয়াখালীর খেপুপাড়া ও সুন্দরবন এলাকায় আঘাত হানার শঙ্কা রয়েছে। রোববার সকালে ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগ দেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে। একইদিন সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়টি দেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে। তবে সবই গতির ওপর নির্ভর করবে।
তিনি জানান, নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হলে এর কেন্দ্র সরাসরি দেশের ওপর আঘাত হানবে। উপকূলের কাছাকাছি চলে এলে এর শক্তি বাড়তে পারে। উপকূল অতিক্রম করার চার-ছয় ঘণ্টার মধ্যে শক্তি হারাতে পারে।
এ আবহাওয়াবিদ জানান, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শনিবার রাত থেকেই উপকূলীয় জেলায় বৃষ্টিপাত হতে পারে। উপকূলের কাছাকাছি এলে ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি বাড়তে পারে। যত কাছে আসবে, তত ভারি বর্ষণ হবে। তবে বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত দেশের গরম কমবে না।
আবহাওয়া অফিসের পরিচালক বলেন, নিম্নচাপটি উত্তর-পূর্বে আরও ঘনীভূত হচ্ছে। কেন্দ্রে বাতাসের গতিবেগ ৪০-৫০ কিলোমিটার। ফলে সাগর উত্তাল রয়েছে। নিম্নচাপটি সন্ধ্যা নাগাদ গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এর ফলে চট্টগ্রাম, মোংলা, পায়রা সমুদ্রবন্দরে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্কতা সংকেত দেখানো হচ্ছে। মাছ ধরার নৌকা এবং ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে নিম্নচাপসংক্রান্ত আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রথম বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নিম্নচাপটি শুক্রবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ, দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৮০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ, দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৯০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় তাই সাগর উত্তাল রয়েছে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
রেমাল বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানার শঙ্কায় বাপাউবোর গ্রিনরোডস্থ পানি ভবনের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র দপ্তরে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। এতে সার্বক্ষণিক ঘূর্ণিঝড়ের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাসসংক্রান্ত এবং ক্ষয়ক্ষতিবিষয়ক তথ্য উপাত্ত আদান-প্রদান করা হবে। যোগাযোগ করতে
ফোন : ০২-২২২২-৩০০৭০, মোবাইল : ০১৭৬৫৪০৫৫৭৬, ০১৫৫৯৭২৮১৫৮ ইমেইল নং ffwcbwdb-gmail.com, [email protected]
