Logo
Logo
×
   

Advertisement

আনন্দ নগর

বিটিএস ভাঙার গুঞ্জন

Advertisement

Icon

আনন্দনগর ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

বিটিএস ভাঙার গুঞ্জন

Advertisement

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় কে-পপ ব্র্যান্ড বিটিএস-কে ঘিরে আবারও বিচ্ছেদের গুজব ছড়িয়েছে। কিন্তু এ আলোচনাকে পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছে তাদের এজেন্সি ব্রাইট মিউজিক। প্রতিষ্ঠানটির ভাইস প্রেসিডেন্ট নিকোল স্পষ্ট জানিয়েছেন, দল ভাঙার কোনো প্রশ্নই নেই। বরং বিটিএস আরও শক্তভাবে একসঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে।

চলতি বছরের ২০ মার্চ বিটিএস তাদের পঞ্চম স্টুডিও অ্যালবাম ‘আরিরাং’ প্রকাশ করে, যা প্রকাশের পরপরই একাধিক রেকর্ড ভেঙে দেয়। অ্যালবাম প্রকাশের পরপরই তারা বিশ্ব ট্যুরে বের হয় এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র পর্যায়ের শো চালিয়ে যাচ্ছে। নতুন গান, নতুন স্টেজ এবং বিশাল আয়োজন-সব মিলিয়ে আবারও বিশ্বজুড়ে আলোচনায় রয়েছে এ সাত সদস্যের দল।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাদের একসঙ্গে ফিরে আসা নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও গুজব তৈরি হয়। অনেকেই ধারণা করেন, প্রত্যেক সদস্যের সফল একক ক্যারিয়ারের পর হয়তো গ্রুপে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। কিন্তু বিগহিটের পক্ষ থেকে এ ধারণাকে সরাসরি ভুল বলে জানানো হয়েছে।

নিকোল বলেন, ‘যদি সদস্যরা এসব গুজব শোনে, তারা এটিকে একেবারেই হাস্যকর মনে করবে। তাদের মধ্যে সম্পর্ক খুবই শক্তিশালী এবং ঘনিষ্ঠ।’

তিনি আরও জানান, দলের সদস্য আরএম, জিন, সুগা, জে-হোপ, জিমিন, ভি এবং জানকুক-সবাই এখনো একে অপরের প্রতি এবং দলের প্রতি সমানভাবে নিবেদিত।

অ্যালবামের ক্রেডিটে জিন-এর নাম না থাকা নিয়েও কিছু ভক্তের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছিল। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে নিকোল বলেন, সেই সময় জিন তার সলো ট্যুরে ব্যস্ত ছিলেন। পরে যখন তিনি প্রজেক্টে যোগ দেন, তখন গান তৈরির কাজ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছিল। তিনি প্রস্তুতিমূলক কিছু কাজে অংশ নিলেও শেষ পর্যায়ের গান লেখায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ হয়নি।

এর আগেও জিন জানিয়েছিলেন, তিনি ‘আরিরাং’ তৈরির সময় যুক্তরাষ্ট্রের অংশে থাকতে পারেননি, তবে ভবিষ্যৎ প্রজেক্টে আরও সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে চান।

এদিকে বিটিএস বর্তমানে তাদের সবচেয়ে বড় বিশ্ব ট্যুরগুলোর একটি পরিচালনা করছে, যেখানে মোট ৮৫টি স্টপ রয়েছে। জানা গেছে, এই বিশাল ট্যুর পরিকল্পনার পেছনে জিন-এরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তিনি নাকি লেবেলকে ট্যুর আরও বাড়াতে এবং বিভিন্ন মহাদেশে শো যোগ করতে উৎসাহিত করেছিলেন, যার ফলে এ সফর ২০২৭ সাল পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হতে পারে।

সব মিলিয়ে, বিচ্ছেদের গুজবের বিপরীতে বিটিএস এখন আরও বড় পরিসরে নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে। এজেন্সির বার্তা পরিষ্কার-দল ভাঙছে না, বরং নতুন ইতিহাস লেখার পথে আরও একসঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম