কান থেকে প্রযোজককে ফিরিয়ে আনলেন বিজয়
Advertisement
আনন্দনগর ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাজনীতির জন্য সিনেমা জগৎ থেকে বিদায় নিয়েছেন দক্ষিণ ভারতীয় জনপ্রিয় অভিনেতা থালাপতি বিজয়। সদ্য অনুষ্ঠিত ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে তামিলনাড়ু রাজ্য থেকে বিজয়ী হয়ে তার দল গঠন করেছে সরকার। বিজয় হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজনীতি নিয়ে মুখে হাসি ফুটলেও নিজের অভিনীত শেষ সিনেমা ‘জানা নয়াগান’র মুক্তি নিয়ে মনে বিষাদ এ অভিনেতার। কয়েকবার মুক্তির তারিখ দিয়েও সেটা পর্দায় আনতে পারেননি তিনি। কারণ, সিনেমাটি নির্ধারিত সময়ে প্রদর্শনের অনুমতি দেয়নি ভারতের ফিল্ম সার্টিফিকেশন বোর্ড। সম্প্রতি এটি আবারও শিরোনামে এসেছে। জানা গেছে, এর মুক্তির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে প্রযোজককে দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছেন বিজয় নিজেই।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘জানা নায়াগন’-এর প্রযোজক ভেঙ্কট কে নারায়ণা তখন ফ্রান্সে অবস্থান করছিলেন। তিনি কানের একটি বিশেষ প্রদর্শনীতে অংশ নিতে গিয়েছিলেন, যেখানে মালয়ালম সিনেমা ‘বালান’ প্রদর্শিত হচ্ছিল। কিন্তু এ সময়েই নাকি বিজয় তাকে দ্রুত চেন্নাই ফিরে এসে সিনেমার মুক্তির বিষয়টি তদারকি করার অনুরোধ জানান। শোনা যাচ্ছে, সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের মে মাসের শেষ দিকেই সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে আসতে পারে।
এমনিতেই ‘জানা নায়াগন’ শুধু আরেকটি বড় বাজেটের তামিল সিনেমা নয়; এটি বিজয়ের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আবেগঘন অধ্যায়গুলোর একটি বলেও মনে করছেন ভক্তরা। কারণ, বহুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, অভিনয় থেকে অবসর নিয়ে তিনি পুরোপুরি রাজনীতিতে মনোযোগ দিতে চান। শেষতক দিয়েছেনও সেটা। এখন বিজয় পুরোদস্তুর রাজনীতিবিদ। সে কারণে এ সিনেমাটিকে তার ‘ফেয়ারওয়েল ফিল্ম’ বা বিদায়ী সিনেমা হিসাবেই দেখা হচ্ছে।
এটি পরিচালনা করছেন এইচ. বিনোথ। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে ভেত্রি কন্দন নামের এক সাবেক কর্মকর্তা ও দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি, যার চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিজয়। তিনি ভিজি নামের এক কিশোরীকে দত্তক নিয়ে তাকে সাহসী ও আত্মনির্ভর মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে চান। মেয়েটির সহিংসতার প্রতি ভয় থাকলেও তাকে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য উৎসাহ দেন তিনি। তবে ব্যক্তিগত সম্পর্কের গল্পের পাশাপাশি সিনেমাটিতে রয়েছে বড় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটের ইঙ্গিতও। ভারতের ওপর নেমে আসা এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের আশঙ্কা, রাষ্ট্রীয় বিশৃঙ্খলা এবং ব্যক্তিগত প্রতিশোধ-সব মিলিয়ে অ্যাকশন ও আবেগের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে সিনেমার কাহিনি।
