অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে: ড. ফাহমিদা খাতুন
Advertisement
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
তেলসমৃদ্ধ ইরানের ওপর হামলা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এছাড়া পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে যুদ্ধ চলছে। ফলে এই অঞ্চলে জ্বালানি তেল ও অন্যান্য পণ্য সরবরাহে বাধার সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। জ্বালানি তেল, পণ্য পরিবহণ এবং প্রবাসী রেমিট্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এছাড়া এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে।
যুগান্তরের সঙ্গে আলাপকালে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, যে কোনো যুদ্ধ অর্থনীতির জন্য নেতিবাচক। তবে এবারের যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলছে। এই যুদ্ধের ফলে পণ্য পরিবহণ সরবরাহ চেইনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে, যা জ্বালানি তেলের দামের ওপর প্রভাব পড়বে। অর্থাৎ তেলের দাম বাড়তে পারে। বাংলাদেশ যেহেতু জ্বালানি তেল আমদানির ওপর নির্ভরশীল। তাই তেলের দাম বাড়লে আমাদের আমদানি ব্যয় বাড়বে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। দ্বিতীয়ত, তেল ছাড়াও আমরা যেসব পণ্য আমদানি করি, ওইসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে। ফলে আমাদের আমদানি মূল্য বাড়বে। এতে দেশের ভেতরে আমদানিকৃত পণ্যের দাম বাড়বে। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি চলছে। অর্থাৎ জিনিসপত্রের দাম বেশি। আবার আমদানিকৃত পণ্যের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়বে। এতে মানুষের জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আর যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এই ক্ষতি আরও বাড়বে। ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, আরেকটি বিষয় হলো-যুদ্ধ হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে। আমাদের প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) বড় অংশই ওইসব দেশ থেকে আসে। আর যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে প্রবাসীদের চাকরিতে সমস্যা হতে পারে। এতে আমাদের রেমিট্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সবকিছু মিলে এই যুদ্ধ আমাদের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলবে।
