Logo
Logo
×

Advertisement

প্রথম পাতা

ইঞ্জিন বিকল ও শিডিউল বিপর্যয়ে চরম দুর্ভোগ

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ইঞ্জিন বিকল ও শিডিউল বিপর্যয়ে চরম দুর্ভোগ

রাজশাহী থেকে ঢাকার উদ্দেশে ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেন ৫ ঘণ্টা বিলম্বে ছাড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েন শত শত যাত্রী। নিরুপায় অনেকেই রাজশাহী স্টেশনে শুয়ে পড়েন। বৃহস্পতিবার রাতের ছবি -যুগান্তর

Advertisement

বুধবার দুপুর থেকে শুক্রবার বিকাল। মাত্র দুদিনে পশ্চিমাঞ্চল রেলে ইঞ্জিন বিকল হয়েছে ১৩ বার। এর ওপর বুধবার টাঙ্গাইলের মহেড়ায় ঢাকা-চিলাহাটি রুটে চলাচলকারী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটির একটি বগি লাইনচ্যুত হয়। আর এ দুইয়ের ধাক্কায় বিপর্যয় নেমেছে পশ্চিমাঞ্চল রেলে। চার থেকে আট ঘণ্টা দেরিতে চলেছে উত্তরের ট্রেনগুলো। ফলে স্টেশনে যেমন ঘণ্টার পর ঘণ্টা থাকতে হয়েছে অপেক্ষায়, তেমনি পথে নিদারুণ কষ্ট পোহাতে হয়েছে যাত্রীদের।

যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ঢাকা-রংপুর রুটে রংপুর এক্সপ্রেস ৮ ঘণ্টা, কুড়িগ্রাম-ঢাকা রুটে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ৭ ঘণ্টা, রাজশাহী-ঢাকা রুটে ধূমকেতু সাড়ে ৬ ঘণ্টা, চিলাহাটি-ঢাকা রুটে চিলাহাটি এক্সপ্রেস ৬ ঘণ্টা, ঢাকা-পঞ্চগড় রুটে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস সাড়ে ৫ ঘণ্টা বিলম্বে চলাচল করেছে। অন্য ট্রেনের অবস্থাও ছিল প্রায় একই। কমলাপুর স্টেশন সূত্র বলছে, এমনটা আরও দু-চার দিন থাকবে।

এ চিত্র শুধু এ দুদিনের নয়। বাংলাদেশ রেলে রুটিন বদলায়, দুর্ভোগ বদলায় না। রেলের খাতায় শুধু ‘অজুহাত’র ফিরিস্তি। দিন যত যাচ্ছে ইঞ্জিন ফেইলিউর ও শিডিউল বিপর্যয় চরমে উঠছে। ইঞ্জিন বিকল, জরাজীর্ণ রেলপথ, নতুন ইঞ্জিনও অকেজো হয়ে পড়াসহ নজিরবিহীন লুটপাটের জেরে বিপর্যস্ত রেল। এমন অবস্থায় যাত্রী দুর্ভোগ প্রসঙ্গে পুরোনো কৈফিয়তই দিচ্ছেন রেল কর্মকর্তারা-অধিকাংশ রেলপথ জরাজীর্ণ, ৭৯ শতাংশ ইঞ্জিন-কোচ মেয়াদোত্তীর্ণ।

সিঙ্গেল লাইন ও ক্রসিংয়ের ছুতো : রেলের উভয় অঞ্চলের কর্তাদের সবচেয়ে বড় সাফাই-এখনো বহু দূরপাল্লার রুটে সিঙ্গেল লাইনে ট্রেন চালাতে হয়। একের পর এক স্টেশন বন্ধ থাকায় বা আধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থার অভাবে একটি ট্রেন সামান্য দেরি করলেই, তার চেইন রিঅ্যাকশনে অন্য ট্রেনগুলোকে ক্রসিংয়ের জন্য মাঝ রাস্তায় আধা ঘণ্টা থেকে দুই-তিন ঘণ্টা পর্যন্ত বসিয়ে রাখতে হচ্ছে।

তাছাড়া লাইনচ্যুত এবং চলন্ত অবস্থায় ইঞ্জিন বিকল হলে, তা উদ্ধারে ৫ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগছে। ইঞ্জিনসহ একাধিক কোচ লাইনচ্যুত হলে, সেই লাইনচ্যুতির ঘটনাটি যদি মেইল লাইনে হয়, তাহলে তা উদ্ধারে ১০ থেকে ২০ ঘণ্টা সময় পর্যন্ত লেগে যাচ্ছে। সম্প্রতি শিডিউল বিপর্যয়, ইঞ্জিন বিকল হওয়া এবং লাইনচ্যুতি আরও বেড়েছে। বুধবার থেকে শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত পশ্চিমাঞ্চল রেলে ১৩ বার ইঞ্জিন বিকল হয়েছে। বিভিন্ন ট্রেন দেড় ঘণ্টা থেকে ৭ ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্বে চলাচল করেছে।

কমলাপুর স্টেশন মাস্টার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ইঞ্জিন ফেইলিউর হলে উদ্ধারকারী ট্রেন গিয়ে বিকল ইঞ্জিন স্থানান্তর করে। কখনো কখনো ট্রেনের যাত্রাও বাতিল করতে হয়। এছাড়া লাইনচ্যুত, সিগন্যাল সমস্যার জন্যও শিডিউল বিপর্যয় ঘটে। বুধবার থেকেই ওই অঞ্চলের কিছু ট্রেন বিলম্বে চলাচল করছে। যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ছে স্বীকার করে তিনি বলেন, যাত্রীরা প্রায় উত্তেজিত হয়ে উঠছেন। আমরা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করি। আমাদের অধিকাংশ ট্রেন একটি রেক দিয়ে চলাচল করে। এর ফলে একটি ট্রেন বিলম্বে চললে অপর ট্রেনটিও বিলম্বে চালাতে হয়।

দুর্ঘটনা ও যান্ত্রিক বিভ্রাট : রেলের কন্ট্রোল রুমের দাবি-চলতি মাসেই অন্তত ১৫০ বার ইঞ্জিন ফেইলিউর হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিদিন অন্তত ৫টি ট্রেনের ইঞ্জিন চলন্ত অবস্থায় বিকল হয়ে পড়ছে। লাইনচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে ৯টি। এছাড়া ছোটখাটো লাইনচ্যুতি, মালবাহী ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল বা লাইনে কাজ করার কারণে পরিকাঠামোয় যে ধাক্কা লাগে, তার জের কাটতেই বেশ কয়েক দিন লেগে যায়। একবার চক্র ব্যাহত হলে পুরো সপ্তাহের রানিং শিডিউল জোড়াতালি দিয়ে মেলাতে ঘাম ছোটে। ফলে দুর্ভোগ পিছু ছাড়ছে না রেলের।

রেলওয়ে রোলিংস্টক দপ্তর বলছে, কোচ ও ইঞ্জিনের আকাল বহু বছরের। রুটের তুলনায় সচল ইঞ্জিনের সংখ্যা খুবই কম। উপরন্তু, বহু দূরপাল্লার ট্রেনের বগি সময়মতো সংস্কার না হওয়ায় শেষ মুহূর্তে ট্রেন ছাড়তে দেরি হচ্ছে। যা নিয়ে রেলের উচ্চমহলও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাছাড়া বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রায় ১৬ বছরে ৭০টি ইঞ্জিন ও ৮০০ কোচ ক্রয় করা হয়। এসব ইঞ্জিন ও কোচের একটি বড় অংশ অকেজো হয়ে পড়েছে।

শিডিউল ঠিক হয়ে যাবে, দুর্ঘটনা কমবে, যাত্রী নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করা হবে, ঘড়ির কাঁটা মেনে ট্রেন চলবে-এমন প্রতিশ্রুতি বহু বছর ধরেই দেওয়া হলেও এর বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে না।

এদিকে যাত্রীসেবা সুরক্ষার প্রশ্নে রেলের প্রস্তুতিকে সংশয়ের মুখে ফেলে দিচ্ছে চলন্ত অবস্থায় ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ার ঘটনা। এমন দিন নেই যেদিন কমপক্ষে ৫-৭টি ইঞ্জিন চলন্ত অবস্থায় বিকল না হয়। এতে ট্রেনের গতি কমছে। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শিডিউল বিপর্যয়ের ঘটনা। একটি ইঞ্জিন বিকল হলে ৩ থেকে ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় হচ্ছে। আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে যাওয়া ৭৯ শতাংশ ইঞ্জিন দিয়ে ট্রেন পরিচালনার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।

তবে শুধু পুরোনো নয়, গত ১৬ বছরে যুক্ত নতুন ইঞ্জিনগুলোও চলন্ত অবস্থায় যেখানে-সেখানে বিকল হয়ে পড়ছে। নিত্যদিনের এমন ঘটনায় কাউকে দায়ী করা হচ্ছে না। অভিযোগ উঠেছে-ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে নিম্নমানের ইঞ্জিন কেনার ফলে এগুলো সমস্যার সৃষ্টি করছে। এসব কারণে রেলের যে উন্নয়ন হয়েছে এর সুফল পাচ্ছে না জনগণ।

রেলের দুই কারখানা সূত্রে জানা যায়, চলন্ত অবস্থায় বিকল হয়ে পড়া কোনো ইঞ্জিন মেরামতের কয়েক দিনের মধ্যেই ফের বিকল হয়ে পড়ার নজির রয়েছে। বিকল ইঞ্জিনগুলো মেরামতে গড়ে মাসখানেক সময় ব্যয় হয়। কিছু ইঞ্জিন মেরামতে ১ থেকে দেড় বছর সময়ও লাগছে।

সারা দেশে ৩ হাজার ১১৪ কিলোমিটার রেলপথ রয়েছে। রেলের পরিকল্পনা দপ্তর সূত্র বলছে, পর্যাপ্ত ইঞ্জিন-কোচ থাকলে বর্তমানে প্রায় ৮০০ ট্রেন চালানো সম্ভব। সঙ্গে বন্ধ থাকা ৭২টি ট্রেনও পরিচালনা করা যায়। আগামী ১০ বছরের মধ্যে অন্তত ৫০০ ইঞ্জিন ক্রয় করা সম্ভব না হলে কাঙ্ক্ষিত ট্রেন পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, রেল হরিলুটের উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণে বেশ এগিয়ে। কাঙ্ক্ষিত যাত্রীসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইঞ্জিন-কোচসহ রোলিংস্টক সরঞ্জাম ক্রয় করা হয়নি। যেসব উন্নয়ন ঘিরে দুর্নীতি-লুটপাট সহজে করা যায়-সেই উন্নয়নগুলোই করা হয়েছে সবচেয়ে বেশি। তিনি আরও বলেন, একটি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সে পরিকল্পনায় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে ইঞ্জিন-কোচসহ রোলিংস্টক সরঞ্জাম ক্রয়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রেলে নতুন ট্র্যাক, সিগন্যালিং ব্যবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারসহ নানা পদক্ষেপ নিলেও দুর্নীতির কারণে ভেতরের কঙ্কালসার অবস্থা ফাঁকফোকর দিয়ে ভেসে উঠছে।

রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (আরএস) ফকির মো. মহিউদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে যাওয়া ইঞ্জিন-কোচ দিয়ে ট্রেন পরিচালনা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। আমরা নতুন ইঞ্জিন কোচসহ রোলিংস্টক সামগ্রী ক্রয় করতে যাচ্ছি। আশা করি নতুন রোলিংস্টক সামগ্রী রেলওয়ে বহরে যুক্ত হলে সমস্যার সমাধান হবে।

গণপরিবহণ বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল হক বলেন, রেলওয়ে বছরের পর বছর ধরে শুধু চটকদার বিজ্ঞাপনের রাজনীতি করেছে। হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে একের পর এক নতুন লাইন বসানো হয়েছে, স্টেশন ভবন চকচকে করা হয়েছে। কিন্তু যেটা ট্রেনের প্রাণভ্রোমরা-ভালোমানের ইঞ্জিন (লোকোমোটিভ) এবং দক্ষ জনবল তৈরি, সেখানে বিনিয়োগ করা হয়নি।

চাকা ঘোরানোর ক্ষমতা নেই, অথচ নতুন লাইন করা হয়েছে মাইলের পর মাইল। ওইসব লাইনে এখন নামে মাত্র ট্রেন চলাচল করছে। বিদেশে একটি ট্রেনের ইঞ্জিন ৩০-৪০ বছর অবলীলায় চলে। আর আমাদের এখানে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে আনা ইঞ্জিন ৫ বছর না যেতেই মাঝরাস্তায় অচল হয়ে পড়ে। কারণ, এখানে টেকসই রক্ষণাবেক্ষণের চেয়ে কেনাকাটা এবং নতুন প্রকল্পের মেগা কমিশনের দিকেই নজর বেশি।

শিডিউল বিপর্যয় নিয়ে তিনি বলেন, রেল কোনো দয়া-দাক্ষিণ্যের জায়গা নয়। এটি একটি বাণিজ্যিক সেবা সংস্থা। প্রতিদিন সিঙ্গেল লাইন ও ক্রসিংয়ের খোঁড়া যুক্তি দিয়ে হাজার হাজার যাত্রীর অমূল্য সময় নষ্ট করার কোনো অধিকার রেলের নেই। এভাবে শিডিউল ভেঙে সাধারণ মানুষকে স্টেশনে স্টেশনে জিম্মি করে রাখা চরম অপরাধের শামিল।

শিডিউল বিপর্যয়ে উত্তরের হাজারো যাত্রীর দুর্ভোগ : রাজশাহী ব্যুরো জানায়, বুধবার টাঙ্গাইলের মহেড়া রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় ঢাকা-চিলাহাটি-ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটির একটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার পরবর্তী ৩২ ঘণ্টায়ও এই রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়নি। উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী ১২টি আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেন ৪ থেকে ৮ ঘণ্টা বিলম্বে চলাচল করছে।

বিকল্প লাইন না থাকায় ছোটখাটো একটি দুর্ঘটনাতেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই রেলরুটের ট্রেনগুলোর সব শিডিউল ভেঙে পড়ে-বলছেন পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের কর্মকর্তারা। তারা আরও জানিয়েছেন, এর ফলে নির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী ট্রেনগুলো যেমন ছাড়তে পারছে না, তেমনি গন্তব্যেও পৌঁছাতে পারছে না। এতে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকায় যাতায়াতকারী হাজার হাজার যাত্রীকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ষ্টেশনে ষ্টেশনে পড়ে থেকে কষ্ট পাচ্ছেন নারী শিশু ও অসুস্থ মানুষ। যাদের নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে যাওয়ার প্রয়োজন ছিল।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের চিফ ট্রেন কন্ট্রোল অফিসারের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা থেকে নীলফামারীর চিলাহাটিগামী আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেন নীলসাগরের শেষের একটি বগি লাইনচ্যুত হয় সকাল ৯টার দিকে। ফলে এই পথে চলাচলকারী অন্তত ৮টি আন্তঃনগর ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে। এ থেকে সৃষ্ট জটিলতায় শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজশাহীসহ উত্তরের বিভিন্ন স্টেশন থেকে ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর শিডিউল স্বাভাবিক হতে পারেনি।

গফরগাঁওয়ে ইঞ্জিনসহ তিন বগি বিচ্ছিন্ন : গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি জানান, ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে চলন্ত অবস্থায় মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের হুক ভেঙে ইঞ্জিনসহ তিনটি বগির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় দেড় ঘণ্টা ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। শুক্রবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের মশাখালী-কাওরাইদ রেলওয়ে স্টেশনের মাঝামাঝি জায়গায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি চালকের নজরে এলে তিনি দ্রুত ট্রেনটি থামিয়ে দেন। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়। বগি বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে এ রেলপথে বিকাল ৫টা পর্যন্ত প্রায় দেড় ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আরও এক জোড়া ট্রেন

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আরও এক জোড়া ট্রেন

পঞ্চগড়-কক্সবাজার এক ট্রেনেই বদলে দেবে রেল মানচিত্র

পঞ্চগড়-কক্সবাজার এক ট্রেনেই বদলে দেবে রেল মানচিত্র

কোন কোন স্টেশনে থামবে কক্সবাজারগামী মহানগর এক্সপ্রেস

কোন কোন স্টেশনে থামবে কক্সবাজারগামী মহানগর এক্সপ্রেস

দুর্গাপূজায় ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল, দেওয়া হলো বিশেষ সুবিধা

দুর্গাপূজায় ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল, দেওয়া হলো বিশেষ সুবিধা

নিজের বাড়ির জানালা সংস্কারে এভাবে অবহেলা করতেন?

রেলকোচ সংস্কার পরিদর্শনে মন্ত্রী নিজের বাড়ির জানালা সংস্কারে এভাবে অবহেলা করতেন?

প্রধানমন্ত্রীর কাছে এক মাসের জন্য দায়িত্ব চান মিলন

প্রধানমন্ত্রীর কাছে এক মাসের জন্য দায়িত্ব চান মিলন

আরও পড়ুন

১৪০ কিমি.র ইঞ্জিন-কোচ চলে ৫০ কিমি.তে গতিহীন উচ্চগতির রেল

গতিহীন উচ্চগতির রেল

সমঝোতা-চুক্তি ইতিবাচক বাস্তবায়নে সক্ষমতা জরুরি

সমঝোতা-চুক্তি ইতিবাচক বাস্তবায়নে সক্ষমতা জরুরি

গরুহাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পাবনায় জোড়া খুন এসেই গুলি, যেতে যেতে বলল আজ থেকে পুষ্পপাড়া স্বাধীন

এসেই গুলি, যেতে যেতে বলল আজ থেকে পুষ্পপাড়া স্বাধীন

দায় নিরূপণে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি ত্রুটি রেখেই প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের ছাড়পত্র!

ত্রুটি রেখেই প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের ছাড়পত্র!

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম