উপাচার্যকে পুনর্বহাল দাবি
চুয়েটে ছুটির দিনেও বিক্ষোভ শিক্ষার্থীদের
Advertisement
চুয়েট প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল -যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য পদে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। এর অংশ হিসাবে শুক্রবার ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
বেলা ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। ‘ভিসি হিসাবে কাকে চাই, সায়েম স্যারকেই আবার চাই’, ‘মোদের দাবি একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।
যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জুলকারনাইন মিহাদ বলেন, ‘আজকে (শুক্রবার) আমাদের আন্দোলনের ১১তম দিন। এদিন কর্মসূচি হিসাবে আমরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছি। আমাদের দাবি নিয়ে এখনো ঊর্ধ্বতন মহল থেকে কোনো সাড়া পাইনি। এর প্রতিবাদেই এই বিক্ষোভ মিছিল।’
চুয়েটের এই শিক্ষার্থী আরও জানান, ‘আমাদের ক্লাস, পরীক্ষা এখন পর্যন্ত সবকিছু বন্ধ রয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা চাই অতি শিগ্গিরই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রশাসনের কাছ থেকে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপে একটি ইতিবাচক ফলাফল চাই।’
চুয়েটের আরেক শিক্ষার্থী অরিন্দম দে বলেন, ‘প্রশাসনের নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে আমরা বিক্ষোভ মিছিল করেছি। আমরা সবাই অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি। আমরা এই অনিশ্চয়তার একটা শেষ চাই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমাদের প্রথম দিন থেকেই আকুল আকুতি আপনি হস্তক্ষেপ করে এর সমাধান এনে দিন। আমরা ক্লাসে ফিরে যেতে চাই।’
গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়। দায়িত্ব নেওয়ার ৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে ওইদিন থেকেই আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি এখনো চলছে।
