ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ সোমবার জানাবে ইসি
Advertisement
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের কোন ধাপে কবে ভোট হবে-তা সোমবার কমিশন সভায় চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সরাসরি তফসিল ঘোষণা করবে না। কয় ধাপে নির্বাচন ও কোন ধাপ কবে অনুষ্ঠিত হবে, সেই সময়সূচি নির্ধারণ করে দেবে কমিশন। এরপর সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা তফসিল ঘোষণা করবেন। একই সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে রাজনৈতিক সংলাপও শুরু করবে ইসি।
বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। এর আগে ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করার বিষয়ে কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, সোমবার কমিশনের সভা রয়েছে। ওই সভায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কতটি ধাপে এবং কোন কোন সময়ে হবে, তা চূড়ান্ত করে জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারাই তফসিল ঘোষণা করবেন। নির্বাচন আয়োজনের সময়সীমা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুরুতে কমিশন যে সময়সীমার কথা জানিয়েছিল, আশা করা হচ্ছে সেই সময়ের মধ্যেই সব ধাপের নির্বাচন শেষ করা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে সোমবারের সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রাজনৈতিক সংলাপের বিষয়ে জানতে চাইলে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ইউপি নির্বাচনের ধাপ ও সময়সূচি চূড়ান্ত করার পরপরই সংলাপ শুরু হবে। এ নিয়ে সোমবারের কমিশন সভায় আলোচনা হবে। তিনি বলেন, এখন থেকে সব কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকবে।
এদিকে ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে নির্বাচনসংক্রান্ত সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই নির্বাচন কমিশনার। তিনি জানান, ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে পোস্টাল ভোটসহ নির্বাচনসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ইউরোপীয় পর্যবেক্ষণ মিশনের সুপারিশের আলোকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
সানাউল্লাহ বলেন, ইউরোপীয় অংশীদাররা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সহযোগিতার মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। চলতি বছরের শেষদিকে তাদের বর্তমান সহযোগিতা কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তারা আরও কিছুদিন সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে চান। কমিশনও এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব জানিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি, জনবল, ডিজিটাল সক্ষমতা এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মতো বিষয়গুলোতে এরই মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত রয়েছে। এর বাইরে ভোটার শিক্ষা, জনসম্পৃক্ততা ও বিভিন্ন ধরনের আউটরিচ কার্যক্রমেও যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।
ইউরোপীয় অংশীদারদের সহযোগিতা আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করে সানাউল্লাহ বলেন, তাদের আগ্রহকে কমিশন স্বাগত জানিয়েছে। পরে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিতভাবে কাজ করা হবে। কমিশনের অংশীদার সংগঠনগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার মেয়াদ বাড়বে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
