রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
দেশে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামবাহী বিমান
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
অবশেষে দেশে পৌঁছেছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের ইউরেনিয়ামবাহী বিমান। শুক্রবার রাতে ঢাকায় পৌঁছার পর এই জ্বালানি আজ শনিবার কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় তা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নেওয়া হবে। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের সেফটি ভাল্ব ত্রুটিমুক্ত করা হয়েছে। সেটি এখন কাজ করছে। সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিগগিরই বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। গত বৃহস্পতিবার এই জ্বালানি দেশে আসার কথা ছিল। রাশিয়া ও বাংলাদেশ এ বিষয়ে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করলেও পাকিস্তান তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় নির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল করতে হয়। শুক্রবার বিকালে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম রাতে ফ্লাইটটি আসার বিষয়ে নিশ্চিত করেন। এজন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী বিকালে বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জ্বালানিবাহী বিমানটি রাশিয়া থেকে রওয়ানা হয়েছে। ভারতে বিরতি নিয়ে ইউরেনিয়ামবাহী বিমানটি ঢাকায় পৌঁছাবে। তিনি আরও জানান, জ্বালানিবাহী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছার পর রূপপুরে নেওয়ার সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে। সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় ইউরেনিয়ামের চালানটি রূপপুরে পৌঁছাবে।
সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে জ্বালানি পরিবহণে আর কোনো জটিলতা নেই। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি এবং প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য দুটি-মোট ৯টি কার্গোতে পারমাণবিক জ্বালানি দেশে আনা হবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন (রসাটম) জানিয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যেই পুরো জ্বালানি সরবরাহ সম্পন্ন হবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রসাটমের কারিগরি সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। দুই ইউনিট মিলিয়ে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট।
