সরকারি জমি আত্মসাৎ
নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চট্টগ্রামে জাল রেকর্ডপত্র তৈরি ও তা ব্যবহার করে প্রায় ২৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সরকারি জমি আত্মসাতের অভিযোগে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। দুদকের অনুসন্ধানে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন-চট্টগ্রাম গণপূর্ত বিভাগের সাবেক উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ও বর্তমানে বাঘেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহ-আলম ফারুক, ফাতেমা বেগম, মো. ফরিদ আহমদ, মোহাম্মদ ফাহিম আহমেদ, হাসিনা মমতাজ, মোহাম্মদ ফয়েজ আহমদ, রোকেয়া সুলতানা ও শাহিন সুলতানা।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজেরা লাভবান এবং অন্যকে লাভবান করার অসৎ উদ্দেশ্যে জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার আশ্রয় নেন। এ সময় জাল রেকর্ডপত্র তৈরি করে সেগুলোকে আসল হিসাবে ব্যবহার করা হয় বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। অভিযোগটি চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার একটি জমিকে কেন্দ্র করে। জমিটি চট্টগ্রামের গোঁসাইলডাঙা মৌজায় অবস্থিত এবং লিজ আউট প্ল্যানের ১৬ নম্বর প্লটের অংশ। জমির পরিমাণ ২৪ দশমিক ৯৬ শতক। দুদকের হিসাবে, ২০২৫ সালের মৌজা রেট অনুযায়ী বাড়ি বাদে ওই জমির মূল্য ১৭ কোটি ১২ লাখ ৬৩ হাজার ১৪০ টাকা। এর সঙ্গে জমির ভাড়া বাবদ ছয় কোটি ৫৫ লাখ ৭৬ হাজার ৯৮ টাকা যোগ হয়েছে। সব মিলিয়ে জমির মূল্য ও ভাড়া দাঁড়িয়েছে ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ৩৯ হাজার ২৩৮ টাকা।
