Logo
Logo
×

Advertisement

দ্বিতীয় সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা গাজীপুরবাসীর

না ভেঙে চালু করা হোক বিআরটি প্রকল্প

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

দীর্ঘ অপেক্ষার পর গাজীপুর-এয়ারপোর্ট বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের অবকাঠামো না ভেঙে প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত চালু করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন গাজীপুরের নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা বলেছেন, কারিগরি ও পরিচালনাগত সমস্যা থাকলে এর সমাধান করতে হবে। জনগণের অর্থে নির্মিত অবকাঠামো ব্যবহার করে আধুনিক গণপরিবহণসেবা নিশ্চিত করতে হবে। প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের আগে স্বাধীন মূল্যায়ন এবং স্থানীয় বাসিন্দা ও বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তারা।

শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। গাজীপুরের সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. খসরু মিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে বিআরটি দ্রুত চালু করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বিএনপি নেতা ও গাজীপুর সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন কায়সার। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, প্রতিদিন ঢাকা ও গাজীপুরের মধ্যে যাতায়াতে হাজারো মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে হয়। এতে কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, উৎপাদনশীলতা কমছে এবং পরিবহণ ব্যয় বাড়ছে। বাধাগ্রস্ত হচ্ছে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন। নাগরিক প্রতিনিধিরা বলেন, এসব সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যেই বিআরটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। অথচ প্রায় ১৪ বছর অপেক্ষার পরও গাজীপুরবাসী কাঙ্ক্ষিত আধুনিক গণপরিবহণসেবা পাননি। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের প্রায় ৯৭ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ অবস্থায় প্রকল্পটি চালুর উদ্যোগ না নিয়ে এর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, কারিগরি সমস্যা, ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা কিংবা পরিচালনাগত জটিলতার সমাধান করা সম্ভব। পরিচালন পদ্ধতিতে সমস্যা থাকলে তা পরিবর্তন করতে হবে। যানবাহন চলাচলে জটিলতা থাকলে কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা নিতে হবে। এসব উদ্যোগের পরিবর্তে অবকাঠামো ভেঙে ফেলা বা মানুষকে আবার বছরের পর বছর অপেক্ষায় রাখা কোনো সমাধান হতে পারে না।

সংবাদ সম্মেলনে সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়। প্রথমত, দ্রুত বিআরটি চালুর জন্য সরকারকে সুনির্দিষ্ট সময়সীমাভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করতে হবে। দ্বিতীয়ত, নির্মিত অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। তৃতীয়ত, প্রকল্প বাতিল, অবকাঠামো ভাঙা বা মূল পরিকল্পনা পরিবর্তনের আগে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কারিগরি, অর্থনৈতিক ও পরিবহণ মূল্যায়ন করতে হবে।

অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে রেল, মেট্রোরেল, স্থানীয় বাস ও অন্য গণপরিবহণের সঙ্গে সমন্বিত পরিবহণব্যবস্থা গড়ে তোলা; অংশীজনদের মতামত নিয়ে বিআরটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ এবং দীর্ঘসূত্রতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ। বিকল্প করিডর হিসাবে সালনা উত্তরা দৌড় এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের দাবিও জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর ঐতিহ্য ও উন্নয়ন সংগঠনের সভাপতি প্রকৌশলী শামসুল হক, পুবাইল আদর্শ কলেজের অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান ও সহকারী অধ্যাপক আব্দুল লতিফ, জাতীয় ইমাম সমিতির গাজীপুর মহানগর শাখার সভাপতি ফরহাদ হোসাইন প্রমুখ।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯৯ রানে হারল বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯৯ রানে হারল বাংলাদেশ

ফায়ার সার্ভিসের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ ৯ মাসেই ৪৫৩ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি

৯ মাসেই ৪৫৩ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি

দুই দিনে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণ-মদ ল্যাপটপ আটক

দুই দিনে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণ-মদ ল্যাপটপ আটক

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা গাজীপুরবাসীর না ভেঙে চালু করা হোক বিআরটি প্রকল্প

না ভেঙে চালু করা হোক বিআরটি প্রকল্প

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম