রেমিট্যান্স শাটডাউনের হুমকি দেশবিরোধী: রিজভী
Advertisement
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বন্ধের হুমকিকে চরম দেশবিরোধী ও মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, রেমিট্যান্স দেশের কোটি পরিবারের জীবন-জীবিকা ও জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে রেমিট্যান্স বন্ধের চক্রান্ত দেশের মানুষকে ক্ষুধার্ত রাখার শামিল। শুক্রবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবনের ওপর আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জিয়া স্মৃতি পাঠাগার ও ‘কমল কুঁড়ি’ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সম্প্রতি বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া বিশৃঙ্খলার প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, যে কোনো অন্যায় বা অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা কিংবা সংবাদ সম্মেলন করা যেতে পারে। কিন্তু দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তা বা অন্য কাউকে আক্রমণ করা এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, যারা এ ধরনের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের রক্ষা করতে এবং রাজনৈতিক সুবিধা নিতে ‘রেমিট্যান্স শাটডাউন’-এর মতো দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মসূচি দিচ্ছে, তারা কখনোই জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে রাজনীতি করেনি। ১৯৭১, ১৯৮৬ কিংবা ২০২৪-বিভিন্ন সময়ে তারা জাতীয় স্বার্থের চেয়ে দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছে। অন্যদিকে বিএনপি সবসময় জনগণ ও দেশের স্বার্থকে সবার আগে স্থান দিয়েছে।
ছাত্ররাজনীতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা বলেন, শুধু মিছিল ও স্লোগান দেওয়াই ছাত্ররাজনীতির কাজ নয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রচনা প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মতো সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, তরুণদের সাহসিকতা ও অগ্রণী ভূমিকার কারণেই স্বৈরাচারী শাসনের পতন সম্ভব হয়েছে।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কমল কুঁড়ির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বেবী নাজনীন, স্বনির্ভরবিষয়ক সহসম্পাদক নিলোফার চৌধুরী মনি, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফউদ্দিন উজ্জ্বল, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, রাজনৈতিক বিশ্লেষক রেজাউল করিম রনি এবং জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক জহির দীপ্তি।
