সৃজনশীল শিল্প হবে অর্থনীতির নতুন চালিকাশক্তি: অর্থমন্ত্রী
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, শিল্প-সংস্কৃতি শুধু ঐতিহ্য ও বিনোদনের বিষয় নয়-অর্থনীতিরও বড় শক্তি। চিত্রকলা, সংগীত, চলচ্চিত্র, থিয়েটার ও গ্রামীণ কারুশিল্পকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূলধারায় এনে জিডিপি প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে দেশীয় শিল্পী ও কারুশিল্পীদের আর্থিক সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন, ব্র্যান্ডিং এবং আন্তর্জাতিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে পণ্য বিপণনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিচিতি বাড়িয়ে সৃজনশীল শিল্পকে দেশের ‘সফট পাওয়ার’ হিসাবে প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে।
শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত ‘ক্রিয়েটিভ ফুটপ্রিন্টস : মডার্ন অ্যান্ড কনটেম্পরারি আর্ট ইন বাংলাদেশ’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক, বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক এবং বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রথাগত অর্থনৈতিক চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে এসে শিল্প-সংস্কৃতিকে প্রবৃদ্ধির নতুন উপাদান হিসাবে যুক্ত করতে চায় সরকার। এ খাতের বিকাশে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও এনজিওগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত অর্থনৈতিক কাঠামোয় শিল্প ও সংস্কৃতিকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের তুলনায় গৌণ হিসাবে দেখা হয়েছে। অথচ শিল্পী, কারুশিল্পী, সংগীতশিল্পী, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও নাট্যকর্মীরা দেশের ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ তৈরি করতে পারেন। সরকার এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটিয়ে সৃজনশীল অর্থনীতিকে জাতীয় প্রবৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসাবে গড়ে তুলতে চায়।
তিনি জানান, আমাজন, ইবে ও আলিবাবার মতো আন্তর্জাতিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দেশীয় শিল্পকর্ম ও কারুশিল্পের পণ্য বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিল্পী ও কারুশিল্পীরাও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবেন।
