ফুটবলে দুই প্রজন্মের স্মৃতি
Advertisement
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
একই মাঠ, একই আবেগ। ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে একদিকে ফুটবলের সোনালি দিনের পুনর্মিলন, অন্যদিকে টিকিটের দাম কমানোর দাবিতে সমর্থকদের বিক্ষোভ। মাঠে তখন ২০০৩ সাফ চ্যাম্পিয়ন ও ২০১০ এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী দলের সাবেক ফুটবলারদের প্রীতি ম্যাচ। বাইরে ‘রেড অ্যান্ড গ্রিন আর্মি’র প্রতিবাদ। বাংলাদেশের ফুটবলে একই দিনে আলো আর অন্ধকারের সহাবস্থান! সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রচারে আয়োজিত ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছে ২০১০ এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী দল। ২০০৩ সাফজয়ীদের তারা হারিয়েছে ২-১ গোলে। শুরুটা হয়েছিল দুই দলের সমানে সমান লড়াইয়ে। প্রথম ছয় মিনিটেই দুপক্ষ একটি করে গোল করে। পরে আরও একটি গোল করে জয় নিশ্চিত করে ২০১০ সালের দল। ম্যাচটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় চরিত্র যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সাফজয়ী দলে ছিলেন তিনি। সেই দলের জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন প্রথমে। পরে বদলে ফেলেন জার্সি, যোগ দেন ২০১০ এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী দলে। নতুন দলের হয়ে পেনালটি থেকে গোল করতে পারেননি সাবেক এই গোলকিপার। দুই দলের হয়ে খেলার সুবাদে একই ম্যাচে গায়ে উঠেছে দুই সময়ের স্মৃতিবিজড়িত জার্সি।
২০০৩ সালের সাফজয়ী দলের হয়ে মাঠে ছিলেন বিপ্লব, নজরুল, সুমন, হাসান আল মামুন, আরমান আজিজ ও আলফাজ আহমেদের মতো পরিচিত মুখ। তাদের জার্সি ছিল সেই শিরোপাজয়ী দলের সাদা-নীল রঙের। অধিনায়কত্বের দায়িত্বে ছিলেন আমিনুল। অন্যদিকে ২০১০ এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী দলের নেতৃত্ব দেন জাহেদ পারভেজ। তার দলে ছিলেন ওয়ালি ফয়সাল, নাসির, মিশু, জাহিদ, এনামুল, জাহিদ হাসান এমিলি, মামুন মিয়া, জিতু ও সবুজরা। তাদের গায়ে ছিল সেদিনের স্মৃতিবাহী সবুজ জার্সি। খেলার ফাঁকে ফিরে এসেছে ২০০৩ সালের সেই অবিস্মরণীয় সন্ধ্যার কথাও। সাফের ফাইনালে টাইব্রেকারে গুরুত্বপূর্ণ পেনালটি ঠেকিয়ে বাংলাদেশকে শিরোপা জেতাতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন আমিনুল। সেই স্মৃতি তার কাছে আজও জীবনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। টিকিটের দাম কমানোর দাবিতে স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেছে ‘রেড অ্যান্ড গ্রিন আর্মি’। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা রাফি ইকবালের অভিযোগ, ‘সাফের টিকিট নিয়ে কমিশন বাণিজ্য হচ্ছে। আমরা এটা মেনে নিতে পারি না। এটা সাধারণ সমর্থকদের ওপর জুলুম। ফুটবলের দর্শকপ্রিয়তা বাড়ানোর পদক্ষেপ না নিয়ে উলটো সমর্থকদের ফুটবলবিমুখ করা হচ্ছে।’
