Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

ভেনিজুয়েলায় মার্কিন আগ্রাসন : সভ্যতার গালে চপেটাঘাত

Advertisement

মোহাম্মদ হাসান শরীফ

মোহাম্মদ হাসান শরীফ

প্রকাশ: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ভেনিজুয়েলায় মার্কিন আগ্রাসন : সভ্যতার গালে চপেটাঘাত

Advertisement

ভেনিজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়াটা সাধারণ কোনো ঘটনা নয়, যে কোনো বিবেচনাতেই তা একটি বিপজ্জনক নজির। এই অভিযানের কারণে অদূরভবিষ্যতে কেবল দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলে নয়, সারা দুনিয়ার জন্য উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। অপেক্ষাকৃত দুর্বল দেশগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে চিন্তার সৃষ্টি হবে। জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, মানবাধিকারের মতো বিষয়গুলোকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে যা করা হলো, তা ন্যক্কারজনক ঘটনা হিসাবেই বিবেচিত হবে। ঘটনাটি সারা দুনিয়াকে কাঁপিয়ে দিয়েছে।

আরও কঠিন বাস্তবতা হলো-২০২৬ সালের শুরুটা হলো এই কাঁপন দিয়ে। দীর্ঘ কয়েক দশকের স্নায়ুযুদ্ধ-পরবর্তী ভূরাজনীতিতে এমন ঘটনা আগে কখনো দেখা যায়নি। পুরো প্রক্রিয়াটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ব্যাকরণকে বদলে দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদে ‘পিস থ্রু স্ট্রেন্থ’ (শক্তির মাধ্যমে শান্তি) নীতির যে প্রয়োগ দেখা গেল, তা আসলে শান্তির নামে এক ভয়াবহ যুদ্ধের দামামা। এই সামরিক পদক্ষেপ কেবল একটি ‘আটক’ নয়, বরং আধুনিক যুগের চরমপন্থি ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা শাসন পরিবর্তনের মডেল হিসাবে চিহ্নিত করা যায়। এ ঘটনা প্রমাণ করে, এই প্রশাসনের কাছে ‘শান্তি’ মানে হলো মার্কিন শর্ত মেনে নেওয়া। যারা এই শর্ত মানবে না, তাদের জন্য যুদ্ধের পরিণতি অনিবার্য।

যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে রয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে, এমন ঘটনা আরও ঘটবে। তাছাড়া তারা ‘অপারেশন অ্যাবসলুট রিজলভ’ নামে পরিচালিত তাদের ৩ জানুয়ারির অভিযানকে অসামান্য সাফল্য হিসেবে দাবি করেছে। অভিযানটি তারা হঠাৎ করেই চালিয়েছে। সাফল্যও পেয়েছে সঙ্গে সঙ্গে। তবে এজন্য তাদের প্রস্তুতি ছিল অনেক দিনের। জানা যায়, মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে খুব দ্রুত আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া তথা অভিযান সহজে সম্পন্ন করতে পারার মূল কারণ ছিল মাসের পর মাস ধরে চালানো গোয়েন্দা কার্যক্রম, যা অভিযানের জন্য পূর্ণ বিস্ময় হিসাবে দেখা দেয়। সিআইএ-এর এই অভিযানে সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল মাদুরোর নিকটতম নিরাপত্তা বলয়ে এবং প্রেসিডেন্সিয়াল গার্ডসহ কয়েকজন উচ্চপদস্থ অফিসারকে রিক্রুট করা। এরা মাদুরোর দৈনিক রুটিন, যেমন-কখন ঘুমান, কোন রুমে থাকেন, কোন গাড়িতে যান, কম্পাউন্ডের লেআউট এবং শিফট চেঞ্জের সময় জানিয়ে দিয়েছে। এছাড়া ভেনিজুয়েলার ওপর দীর্ঘ মার্কিন অবরোধের কারণে অনেক সিনিয়র অফিসারের পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে বা কলম্বিয়ায় ছিল। সিআইএ তাদের পরিবারের নিরাপত্তা, আর্থিক সহায়তা এবং ভবিষ্যতে আশ্রয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাছে টেনে নেয়। কিছু ক্ষেত্রে ভেনিজুয়েলার গোয়েন্দা সার্ভিসের ভেতরেই ডাবল এজেন্ট ছিল, যারা মাদুরোর পক্ষে কাজ করার ভান করে যুক্তরাষ্ট্রকে তথ্য পাঠাত। ভেনিজুয়েলার যোগাযোগব্যবস্থা রুশ বা চীনা হলেও অনেকে পুরোনো বা কম সুরক্ষিত ডিভাইস ব্যবহার করত। রিয়েল-টাইম লোকেশন ট্র্যাকিংয়ে মাদুরোর ফোন বা গাড়ির জিপিএস সিগন্যাল ক্রমাগত মনিটর করা হয়। উচ্চ-রেজুলেন স্যাটেলাইট, ড্রোন দিয়ে মিরাফ্লোরেস প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসের থ্রি-ডি ম্যাপ তৈরি করা হয়। থার্মাল ইমেজিং দিয়ে রাতে কোন রুমে কে আছে, তা শনাক্ত করা হয়। এছাড়া অপারেশনের আগের দিনগুলোয় ইন্টারনাল সোর্স দিয়ে মাদুরোকে ভুল তথ্য দেওয়া হয় যে ‘কলম্বিয়া সীমান্তে বড় অপারেশন হচ্ছে’। ফলে তার নিরাপত্তা বাহিনীর ফোকাস সেদিকে সরে যায়। অপারেশনের সময় আমেরিকা ১৫০টিরও বেশি এয়ারক্রাফট-যার মধ্যে ছিল এফ-২২, এফ-৩৫, ইএ-১৮জি গ্রাউলার এবং বি-১ বোমারু বিমান ব্যবহার করে প্রথমেই ভেনিজুয়েলার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে ধ্বংস করে দেয়, যা একটি ক্লাসিক অপারেশনের উদাহরণ। ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের মাধ্যমে রাডার জ্যাম করা হয় এবং অ্যান্টি-রেডিয়েশন মিসাইল দিয়ে যে কোনো সক্রিয় রাডার ধ্বংস করা হয়, পাশাপাশি সাইবার অ্যাটাক কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেমকে নিষ্ক্রিয় করে। এরপর ডেলটা ফোর্স এবং ১৬০তম স্পেশাল অপারেশনস অ্যাভিয়েশন রেজিমেন্টের হেলিকপ্টারে লো-অলটিটিউড ফ্লাইটে কারাকাসে প্রবেশ করে এবং মাদুরোর কম্পাউন্ডে পৌঁছে তাকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করে।

জানা যায়, শুক্রবার রাতে শুরু হওয়া এ সামরিক অভিযানটি ছিল অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত কিন্তু বিধ্বংসী। মাত্র ৩০ মিনিটেরও কম সময় স্থায়ী এই অভিযানে কারাকাসের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হানা দেয় মার্কিন অভিজাত বাহিনী। ট্রাম্প ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, মাদুরো ও তার স্ত্রীকে তাদের শোয়ার ঘর থেকে টেনেহিঁচড়ে তুলে নিয়ে আসা হয়। পুরো অভিযানটি ট্রাম্প ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টে বসে সরাসরি মনিটর করেন। তিনি এটিকে একটি ‘টেলিভিশন শো’-এর মতো রোমাঞ্চকর বলে বর্ণনা করেছেন। অভিযানে কোনো মার্কিন বিমান বা নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। আটকের পর তাদের শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ইও জিমা-তে তোলা হয়। পরে ট্রাম্প মাদুরোর একটি ছবি শেয়ার করেন, যেখানে তাকে ভেসে থাকার সরঞ্জাম ও হেডফোন পরা অবস্থায় দেখা যায়। ট্রাম্প জানান, মাদুরো একটি স্টিলের তৈরি সেফ রুমে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু মার্কিন বাহিনী তাকে সেই সুযোগ দেয়নি।

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, মাদুরো একজন ‘নারকো-টেরোরিস্ট’ বা মাদক সন্ত্রাসী এবং তার শাসন অবৈধ। তারা বলেছে যে, ‘ভেনিজুয়েলা থেকে আসা মাদক ও সহিংস অপরাধ’ আমেরিকার নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। কিন্তু এই দাবির আড়ালে লুকিয়ে আছে ভেনিজুয়েলার বিশাল খনিজ তেল এবং স্বর্ণের ভান্ডার নিয়ন্ত্রণ করার ইচ্ছা। আলজাজিরার মতে, এটি কোনো গণতান্ত্রিক পুনরুদ্ধার নয়, বরং সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার একটি নগ্ন সাম্রাজ্যবাদী পদক্ষেপ।

মাদুরোকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক আইনের একটি চরম লঙ্ঘন বলেই মনে করা হচ্ছে। কোনো একটি দেশের আদালত অন্য একটি দেশের ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপ্রধানের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করতে পারে; কিন্তু সরাসরি সামরিক অভিযান চালিয়ে তাকে অপহরণ করে নিয়ে আসা ‘গ্যাংস্টার ডিপ্লোম্যাসি’ বা গুন্ডামির নামান্তর হিসাবে অভিহিত করা যায় বলে বিশেষজ্ঞরা অভিমত প্রকাশ করছেন। এটি জাতিসংঘের সনদ এবং ভিয়েনা কনভেনশনের সরাসরি বিরোধী।

এর আগে পানামার ম্যানুয়েল নোরিয়েগাকে একইভাবে আটক করা হয়েছিল; কিন্তু ২০২৬ সালের এই প্রেক্ষাপট ভিন্ন। বর্তমানে বিশ্ব বহুমুখী। রাশিয়া এবং চীন এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তাদের মতে, আজ যদি মাদুরোকে এভাবে তুলে নেওয়া যায়, তবে কাল অন্য যে কোনো দেশের নেতার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটতে পারে। এটি বৈশ্বিক সার্বভৌমত্বের ধারণাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।

এদিকে মার্কিন বিমান হামলার পর ভেনিজুয়েলার সাধারণ মানুষের অবস্থা শোচনীয়। মিডল ইস্ট আই জানাচ্ছে যে, কারাকাসসহ বড় শহরগুলোয় বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। মাদুরোর আটকের পর দেশটিতে যে ক্ষমতার শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা গৃহযুদ্ধের দিকে মোড় নিতে পারে। ভেনিজুয়েলার সেনাবাহিনী এবং ‘কোলেকটিভো’ (সরকার সমর্থক মিলিশিয়া) যদি দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ গড়ে তোলে, তবে আফগানিস্তান বা ইরাকের মতো একটি অন্তহীন লড়াইয়ের ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিও।

যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে তারা ‘শান্তি’ আনছে; কিন্তু বাস্তবে তারা একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে। হাজার হাজার ভেনিজুয়েলান শরণার্থী এখন পার্শ্ববর্তী কলম্বিয়া ও ব্রাজিলের দিকে ছুটছে, যা ওই অঞ্চলে এক বড় ধরনের অভিবাসন সংকট তৈরি করতে পারে। এ ঘটনাটি শুধু ভেনিজুয়েলার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব ফেলেনি; বরং এটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একটি ভয়াবহ রাজনৈতিক ও আইনি যুগান্তকারী ঘটনা হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য ছিল, ‘আমরা দেশটিকে নিয়ন্ত্রণ করব যতক্ষণ না নিরাপদ ও ন্যায্য পরিবর্তন নিশ্চিত করা যায়।’ যদিও এটি উপনিবেশবাদী ভাষা বরাবরই ব্যবহৃত হয়েছে, তার কারণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিরোধিতা ও উদ্বেগ উভয়ই জন্ম নিয়েছে।

ম্যাথিউ ক্লার্ক এবং আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপ এবং প্রেসিডেন্টকে আটক করে অন্য দেশে নেওয়া স্পষ্টভাবে জাতিসংঘ সনদের পরিপন্থি এবং অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের ব্যতিক্রমী উদাহরণ।

এখন ভেনেজুয়েলার কী হবে? ভাইস প্রেসিডেন্টকে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসন বলেছেন যে তারা ভেনিজুয়েলাকে একটা অন্তর্বর্তী প্রক্রিয়ায় নিয়ে যেতে চায়, যেখানে তারা সাময়িকভাবে দেশ চলাবে এবং পরবর্তী সময়ে একটি নির্বাচিত সরকার গঠনের দিকে অগ্রসর হবে। কিন্তু এর বাস্তবায়ন কেমন হবে এবং কবে হবে-তা এখনো অস্পষ্ট। এই অভিযান ও মাদুরোকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার ঘটনাটি আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় নিয়ম, শৃঙ্খলা, সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের মূলনীতিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছে।

একটি ভয়াবহ সম্ভাব্যতা হলো-এটি ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার ক্ষেত্রে একটি নতুন ধারা স্থাপন করছে। অন্যান্য দেশ তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপকে ‘নিরাপত্তা বিষয়’ বলে অভিহিত করে এমন ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা বা এশিয়ার মতো অঞ্চলে বড় শক্তিগুলো তাদের নিজস্ব স্বার্থরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়া ও অংশগ্রহণ নিলে আন্তর্জাতিক সংঘাত বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া প্রাক-পরিকল্পিত সামরিক হস্তক্ষেপের মানদণ্ড আমলে নিচ্ছে-এমন একটি মডেল তৈরি হচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক আইন ও নৈতিকতার নীতিগুলো প্রায়ই উপেক্ষিত হতে পারে-বিশেষত যখন সুপার শক্তিগুলোর স্বার্থ যুক্ত থাকে।

মোহাম্মদ হাসান শরীফ : সাংবাদিক

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ভেনেজুয়েলা তেল চুক্তি বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম কমাতে সাহায্য করবে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র-ভেনেজুয়েলা তেল চুক্তি বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম কমাতে সাহায্য করবে: ট্রাম্প

ভেনেজুয়েলার ৪০০ কোটি ডলারের স্বর্ণ যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে

ভেনেজুয়েলার ৪০০ কোটি ডলারের স্বর্ণ যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে

ভেনেজুয়েলার মতো ইরানের তেলের দখল চান ট্রাম্প

ভেনেজুয়েলার মতো ইরানের তেলের দখল চান ট্রাম্প

মার্কিন আটককেন্দ্র থেকে ছবি প্রকাশ করে যা বললেন মাদুরো

মার্কিন আটককেন্দ্র থেকে ছবি প্রকাশ করে যা বললেন মাদুরো

আটকের পর প্রথমবার মাদুরোর ছবি প্রকাশ

আটকের পর প্রথমবার মাদুরোর ছবি প্রকাশ

ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ‘ইতিহাসের সর্ববৃহৎ’ তেল চুক্তির ঘোষণা ট্রাম্পে

ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ‘ইতিহাসের সর্ববৃহৎ’ তেল চুক্তির ঘোষণা ট্রাম্পে

আরও পড়ুন

খেলাপি ঋণের সংকট ও সমাধান

খেলাপি ঋণের সংকট ও সমাধান

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের বার্তা : এখন কূটনৈতিক বাস্তবায়নের পালা

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের বার্তা : এখন কূটনৈতিক বাস্তবায়নের পালা

চাকরির আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো কতটা জরুরি

চাকরির আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো কতটা জরুরি

সরকারের শক্তি বক্তব্যে নয়, সুশাসনে হতে হবে

সরকারের শক্তি বক্তব্যে নয়, সুশাসনে হতে হবে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম