Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

হালফিল বয়ান

হিংসাদীর্ণ পশ্চিমবঙ্গ ও রবীন্দ্রনাথের মানবতাবাদ

Icon

ড. মাহফুজ পারভেজ

প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

হিংসাদীর্ণ পশ্চিমবঙ্গ ও রবীন্দ্রনাথের মানবতাবাদ

Advertisement

প্রতিবছর রবীন্দ্রনাথ আসেন বঙ্গের চিত্তপ্রাঙ্গণে-শুধু স্মৃতির মানুষরূপে নন, বিবেকের আগ্নেয় পরশ হয়ে। যখন শিরীষের ফুল ফোটে, পলাশের রক্তিম আভা বনের বুক চিরে ওঠে, বৈশাখের দুপুরে মাটির গন্ধমাখা কালবোশেখি হাওয়া বইতে শুরু করে, তখন বাংলার ঘরে ঘরে জেগে ওঠে সেই কণ্ঠ-‘একি সুধা, একি ছায়া গগনে গগনে।’

কিন্তু এ জাগরণ কি শুধুই উৎসবের বাঁশি? নাকি এটি সেই আগুনের স্ফুলিঙ্গ, যা ফের স্মরণ করিয়ে দেয়, রবীন্দ্রনাথ শুধু গীতবিতানের কবি নন, তিনি সভ্যতার সংকটের দার্শনিক, বিভাজনের তীব্র সমালোচক ও মানবমৈত্রীর অকুণ্ঠ পথিকৃৎ?

২০২৬ সালের এই ২৫ বৈশাখ-যেদিন রবীন্দ্রনাথের জন্মের ১৬৫তম বসন্ত অতিক্রান্ত-পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মঞ্চে দৃশ্যমান এক অভিনব পরিস্থিতি। গণতন্ত্রের ইতিহাসে সন্দিগ্ধ সেই নির্বাচনের উত্তাপ এখনো জ্বলন্ত। ভোটারের নাম তালিকা থেকে হারিয়ে যাওয়া, প্রশাসনিক হাতের অস্বাভাবিক চাপ, সংখ্যালঘু জনপদে আতঙ্কের স্রোত, ধর্মীয় হিংসার উন্মত্ততা, বিক্ষোভ দমনে পুলিশি নিস্পৃহতা-এসবের গ্লানি বুকে নিয়ে ক্ষমতায় বসতে চলেছে সাম্প্রদায়িক হিন্দুত্ববাদী বিজেপির নবগঠিত সরকার। আর সেই সরকারের শপথগ্রহণের তারিখটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে রবীন্দ্রজয়ন্তীর পুণ্যতিথিতে।

কালবৈশাখীর এমন দিনে-যেদিন রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন ‘ওরে ভাই, মাটির ডাক এসেছে রে, আঁধার রাতের শেষে’-সেদিন প্রশ্ন দাঁড়ায় নিঃশব্দে ও নির্মমভাবে : পশ্চিবঙ্গের বিভাজিত ও রক্তস্নাত রাজনৈতিক বাস্তবতায় রবীন্দ্রনাথের প্রদীপ কি সাক্ষী থাকবে আনন্দের? নাকি থাকবে প্রশ্নের, রক্তের, সাম্প্রদায়িক হিংসার? রবীন্দ্রচেতনায় প্রজ্বলিত মানবতাবাদের দার্শনিক ভিত্তি অটুট থাকবে অমানবিক নৃশংসতার পরিসরে?

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বোঝার জন্য তাকে শুধু কবির আসনে বসিয়ে রাখলে ভুল হয়। তিনি ছিলেন এক সমগ্র মানবতাবাদী বিশ্বদৃষ্টির স্থপতি। তার চিন্তার কেন্দ্রে রয়েছে বিভাজনবিরোধী এক সর্বজনীন মানবতাবাদ, যা জাতি, ধর্ম, শ্রেণি বা পরিচয়ের সংকীর্ণ সীমাকে অতিক্রম করে মানুষকে বৃহত্তর বিশ্বচৈতন্যের অংশ হিসাবে দেখার আহ্বান জানায়। তার দর্শনের মূলে রয়েছে কয়েকটি স্তম্ভ : প্রথমত, ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য’-যে সমাজে মানুষ ভয়ে থাকে, সে সমাজ রবীন্দ্রচেতনার পরিধির বাইরে। তিনি বিশ্বাস করতেন, রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব মানুষকে ভয়মুক্ত করা, ভয় দেখানো নয়। দ্বিতীয়ত, ‘উচ্চ যেথা শির’-আত্মমর্যাদাবোধ ও স্বাধীন চিন্তার অধিকার। যে রাষ্ট্র মানুষের মাথা নিচু করতে বাধ্য করে, সে রাষ্ট্র রবীন্দ্রনাথের কল্পনার বিপরীতে দাঁড়ায়। তৃতীয়ত, ‘জ্ঞান যেথা মুক্ত’-অন্ধবিশ্বাস ও গোঁড়ামিমুক্ত যুক্তিবাদী চর্চার জায়গা। যে রাজনীতি কুসংস্কার ও ভ্রান্ত তথ্যের ওপর ভর করে, তা রবীন্দ্রচেতনার শত্রু। চতুর্থত ও সর্বশেষ, ‘যেখানে বিশ্ব ভাঙে সীমা’-সর্বোপরি তিনি চেয়েছেন বিভাজনের সব দেওয়াল ভেঙে মানবমিলনের এক অখণ্ড ভুবন। ‘বিশ্বভারতী’ তার মূর্তপ্রতীক।

রবীন্দ্রনাথ নিজেই ঘোষণা করেছিলেন : ‘মানুষের সত্য পরিচয় তার বিভাজনে নয়, তার মিলনে।’ এ বাক্য শুধু সাহিত্যিক উপসংহার নয়, একটি নৈতিক ও রাজনৈতিক ঘোষণাপত্র; যা হিন্দুত্ববাদী উগ্রতা ও সাম্প্রদায়িকতার প্রতিবাদস্বরূপ। রবীন্দ্রনাথের কলম কখনোই ধর্মের বিরুদ্ধে যায়নি, গিয়েছিল ধর্মের নামে মানুষে মানুষে বিভেদ ও ঘৃণা সৃষ্টির বিরুদ্ধে। তিনি ‘সভ্যতার সংকট’ প্রবন্ধে স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন : ‘যে জাতি মানুষকে মানুষ বলে স্বীকার করে না, সে জাতির উন্নতি হয় না।’ কিন্তু সাম্প্রতিক ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুত্ববাদী আদর্শের মূল সুর-‘আমরা’ ও ‘তারা’, ‘আমাদের ধর্ম’ বনাম ‘তাদের ধর্ম’, ‘আমাদের সংস্কৃতি’ বনাম ‘তাদের সংস্কৃতি’-এ দ্বৈতবাদের বিষবৃক্ষ। রবীন্দ্রনাথ এ দ্বৈতবাদের তীব্র সমালোচনা করে গেছেন। তিনি ‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাসে সন্দীপের চরিত্রের মাধ্যমে যে উগ্র জাতীয়তাবাদের সমালোচনা করেছেন, তার মূল দর্শন আজকের হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির অনেক কুশীলবের সঙ্গে আশ্চর্যভাবে মিলে যায়। সন্দীপ বলতেন ‘দেশের জন্য সবকিছু বৈধ’-আজকের ভাষায় তা দাঁড়ায় ‘হিন্দুত্বের জন্য সবকিছু বৈধ’। রবীন্দ্রনাথ সে পথের পক্ষপাতী নন। তার ‘চার অধ্যায়’ উপন্যাসে সশস্ত্র বিপ্লবের ভেতরকার অনৈতিকতা ও সহিংসতার যে বিশ্লেষণ, তা আজকের রাজনৈতিক সহিংসতার কাঠামোর ওপর সমানভাবে প্রযোজ্য। তিনি লিখেছিলেন : ‘যে পথে মানুষ হত্যা, সেটা কখনোই পবিত্র পথ নয়।’

আজকের পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপটে যখন দেখা যায়-ধর্মীয় উৎসবকে সংঘর্ষের বীজ বানানো, সংখ্যালঘু পাড়ায় ‘লাভ জেহাদ’ আর ‘ঘর ওয়াপসি’র ভীতি প্রদর্শন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গেরুয়াকরণের চেষ্টা, সাংস্কৃতিক আসরে নির্দিষ্ট মতের ওপর চাপানো নির্বোধতা-সবকিছু যেন রবীন্দ্রনাথের দেখা সেই ‘সভ্যতার সংকট’-এর এক নতুন সংস্করণ। তিনি বলেছিলেন, ‘দুর্বলের হৃদয়ে ভয় সৃষ্টি করে শাসন করাই যেন সভ্যতার নীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ আজ ঠিক তা-ই হচ্ছে।

মতাদর্শিক বিকৃতির সঙ্গে সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনি প্রক্রিয়ার নৈতিক অবক্ষয় ও সাংবিধানিক প্রশ্নটিও সামনে চলে এসেছে। যে নির্বাচনে ক্ষমতার পালাবদল ঘটে, সেই নির্বাচন সুস্থ গণতন্ত্রের প্রাণ। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালের নির্বাচন অভিযোগের দীর্ঘ তালিকা নিয়ে গণতান্ত্রিক অন্তর্ভুক্তির বিপরীতে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সেখানে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, ভোটার তালিকা থেকে নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের নাম বাদ দেওয়া, বুথ দখল ও ভোটকেন্দ্রে পুলিশি তৎপরতা, বিরোধী নেতাদের অবৈধ গ্রেফতার-এগুলো গণতন্ত্রের মৌলিক স্তম্ভগুলোয় ফাটল ধরিয়েছে।

বিতর্কিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গঠিত সরকার কি ‘সাংবিধানিক বৈধতা’ বলতে পারে? আইনের চোখে হয়তো হ্যাঁ। কিন্তু নীতির চোখে? রবীন্দ্রনাথের চোখে? তিনি বলেছিলেন : ‘যা অন্যায় অবলম্বনে গড়া, তা কখনো ধর্মের আসনে বসতে পারে না।’ সরকারের জন্মের প্রক্রিয়া যদি হয় নোংরা, তবে তার প্রতিটি কার্যক্রমে সেই নোংরামির ছাপ থাকে-সেটাই রবীন্দ্রনাথের দর্শন। তিনি শুধু ফল দেখেননি, তিনি দেখেছেন ফল উৎপাদনের পদ্ধতি। ‘সত্য পথ ভুলিয়া যদি কেউ লক্ষ্যপানে ধায়, তবে লক্ষ্যও সত্য থাকে না’, লিখে গেছেন তিনি।

এমন একটি সরকার যখন রবীন্দ্রজয়ন্তীতে শপথগ্রহণ করে, তখন তার দার্শনিক উত্তর খুঁজতে হয়। একটি রাজনৈতিক দল যদি সাংস্কৃতিক প্রতীক ব্যবহার করে, যেমন-রবীন্দ্রজয়ন্তী, জাতীয় সংগীত, তেরঙ্গা, তবে তা প্রতীকী বৈধতা তৈরি করে। এটা আপত্তিজনক কিছু নয়। দেখার বিষয় হলো, তারা সেই প্রতীক ও চেতনাকে নিজেদের নীতি ও বিশ্বাসে ধারণ করে কি না এবং নৈতিক সামঞ্জস্য রাখে কি না। কারণ, রবীন্দ্র দর্শন ও মানবতাবাদ শুধু গান-কবিতায় সীমাবদ্ধ নয়; এটি রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিফলিত হওয়া দরকার। একজন শাসকের সত্যিকারের মানদণ্ড হয় তার নির্দেশিত নীতিতে-সংখ্যালঘু নিরাপত্তায়, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায়, বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতায়, ধর্মীয় সহাবস্থানে। এ মানদণ্ডে যে দল ব্যর্থ, তার পক্ষে জয়ন্তীর পূর্বাহ্নে শপথ নিয়ে রবীন্দ্রনাথের উত্তরাধিকার দাবি করা বাতুলতা ও প্রহসন। তাই উত্তরটি সুস্পষ্ট : জয়ন্তীতে শপথগ্রহণ নিয়ে রবীন্দ্রনাথের চেতনা কোনো উৎসাহ দেবে না, বরং তার কণ্ঠে শোনা যাবে সেই প্রশ্ন-যা তিনি ‘প্রশ্ন’ কবিতায় রেখে গিয়েছেন : ‘তোমার কাছে এদের সার্থকতা কী করে? যারা অন্ধকারে আলো লুকায়, যারা রাখে না সত্যের মূল্য?’

পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান বাস্তবতায় হিংসা ও ভীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জরুরি। কারণ, রক্তাক্ত শঙ্করপাড়া, বাসিরহাট, রানাঘাট, দেগঙ্গা-প্রতিটি স্থানের ভূগোলে এখন যুক্ত হয়েছে সাম্প্রদায়িক হিংসার কালো অধ্যায়। গেরুয়া পতাকা তোলা হয়েছে মসজিদের সামনে, ভাঙা হয়েছে মূর্তি, উপড়ে ফেলা হয়েছে স্মৃতিফলক। শিক্ষাপ্রাঙ্গণে ছাত্রছাত্রীদের ধর্মীয় বিভাজনে ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে। সাংস্কৃতিক আসরে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতপ্রকাশে নিষেধাজ্ঞা, ওঠানো হচ্ছে উগ্র স্লোগান-যার ছলে আক্রমণ করা হচ্ছে সংখ্যালঘুর আত্মপরিচয়কে।

হিংসার বিরুদ্ধে মানবতাবাদের উত্তরাধিকারে রবীন্দ্রনাথ কখনো নীরব থাকার পক্ষে ছিলেন না। তিনি বলেছিলেন : ‘আমি এ দেশের বিদায়ের দিনে নীরব থাকিতে পারি নাই।’ একই ভাবে আজ প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব হলো নীরব না থাকা। রবীন্দ্রচেতনা বলছে, ক্ষমতার শপথ যখন নিষ্ঠুরতার পথে ফেরে, তখন সেই ক্ষমতার প্রতিটি প্রতীকের ভেতর নিন্দার আগুন জ্বালাতে হবে। তিনি ‘পথের সঞ্চয়’-এ লিখেছিলেন : ‘মুক্তির পথে বাধা এসে দাঁড়ালে বাধার সাথে যুদ্ধ করবেই-যুদ্ধ মানুষের স্বভাব, কিন্তু সেই যুদ্ধ হোক নতুন নির্মাণের জন্য, ধ্বংসের জন্য নয়।’

সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা, মুক্তচিন্তার আসর, মানবমৈত্রীর প্রতিষ্ঠা-এসব দাবি একা কোনো রাজনৈতিক দলের নয়, এগুলো রবীন্দ্রনাথের বাংলার চিরন্তন দাবি, রাজনৈতিক দলের একচেটিয়া সম্পত্তি নয়। এটি একটি মানবিক মূল্যবোধ, একটি নৈতিক কম্পাস, যা সাম্প্রদায়িক হিংসা, সংখ্যালঘু নির্যাতন, সংবিধান লঙ্ঘন, চিন্তার স্বাধীনতা খর্ব করার বিরুদ্ধে কথা বলে। রবীন্দ্রনাথ স্পষ্ট শিখিয়ে দিয়েছেন : ‘যে বলবান, সেই সত্য-এ কথা মানি না। সত্য সত্য, বলবান বলবান, এ দুই স্বতন্ত্র।’

ভারতে ও পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুত্ববাদী শক্তি যেভাবে বলপ্রয়োগ ও সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে নিজেদের সত্য বলে প্রতিষ্ঠা করতে চায়, রবীন্দ্রনাথ সে পথের কঠোর বিরোধী। প্রকৃত রবীন্দ্রচেতনা ধারণ করতে গেলে হিংসা আর সাম্প্রদায়িকতাকে প্রথমে পরিত্যাগ করতে হয়। রবীন্দ্রচেতনা কোনো সাজানো অনুষ্ঠানের নাম নয়। বরং এ কথা উচ্চারণ করা যে, ‘মানুষের সত্য পরিচয় তার বিভাজনে নয়, তার মিলনে।’ সে মিলনের পথে আঘাত হানে যে শক্তি, তারা ইতিহাসের বিচারে শাস্তিপ্রাপ্ত হবে কবির হাতে, সত্যের হাতে।

রবীন্দ্রনাথ দিয়ে গেছেন এক অনির্বাণ প্রদীপ-তার নাম ‘বিবেক’। আজ সেই প্রদীপ ধারণ করে জিজ্ঞেস করতেই হয় : হে ক্ষমতাসীন, তুমি কি সেই পথে যাচ্ছ যেখানে ভয় নেই, বিভেদ নেই, শুধু মানুষ আর মানুষের মিলনের উৎসব? নাকি তুমি অন্য পথে, যেখানে হিংসা, বিভাজন ও রক্তের বিনিময়ে কেনা হয়েছে ক্ষমতার আভিজাত্য?

বাংলার চিত্তপ্রাঙ্গণে এসব প্রশ্নের ঝড় উঠেছে। রবীন্দ্রনাথ রচিত ‘সভ্যতার সংকট’-এর মতো তার জন্মদিনে ‘মানবতার সংকট‘ তৈরি হয়েছে। সংশয় দেখা দিয়েছে, শপথের বেদিতে জ্বলবে কি সত্যের প্রদীপ, নাকি তা নিভে যাবে সাম্প্রদায়িকতার কালো ছায়ায়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। আর এ প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে প্রত্যেক বিবেকবান মানুষকে-একা একা নয়, মিলে। কারণ রবীন্দ্রনাথ তো আবাহন করে গেছেন মিলনেরই সুর।

প্রফেসর ড. মাহফুজ পারভেজ : চেয়ারম্যান, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; নির্বাহী পরিচালক, চট্টগ্রাম সেন্টার ফর রিজিওনাল স্টাডিজ বাংলাদেশ (সিসিআরএসবিডি)

[email protected]

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

সরকারের শক্তি বক্তব্যে নয়, সুশাসনে হতে হবে

সরকারের শক্তি বক্তব্যে নয়, সুশাসনে হতে হবে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা : সম্ভাবনা, সংকট ও মানবজাতির ভবিষ্যৎ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা : সম্ভাবনা, সংকট ও মানবজাতির ভবিষ্যৎ

মাদক আর সন্ত্রাস রাজনৈতিক সহোদর

মাদক আর সন্ত্রাস রাজনৈতিক সহোদর

অন্যমত জ্বালানি সমস্যার সমাধান : বেসরকারি খাতকে সুযোগ দিতে হবে

জ্বালানি সমস্যার সমাধান : বেসরকারি খাতকে সুযোগ দিতে হবে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম