রুগ্ণ কারখানা যোগ্য উদ্যোক্তাদের কাছে লিজ দেওয়াই শ্রেয়
Advertisement
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সরকার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ৪৪টি বন্ধ ও রুগ্ণ শিল্পকারখানা আবারও চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকা অথবা উৎপাদন সম্ভাবনা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে না পারা এসব শিল্পকারখানা বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা) এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে বাছাই করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব প্রতিষ্ঠান পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে চালু করা হবে অথবা প্রাইভেট সেক্টরের উদ্যোক্তাদের কাছে দীর্ঘমেয়াদি লিজ দেওয়া হবে।
অর্থাৎ এ প্রক্রিয়ায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর জমির মালিকানা রাষ্ট্রের হাতেই থাকবে। যেসব বন্ধ ও রুগ্ণ হয়ে পড়া শিল্পকারখানা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের ১৩টি, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের ১২টি, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের ১০টি, বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের ৫টি এবং বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের ৪টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত।
প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে রুগ্ণ হয়ে আছে অথবা তাদের উৎপাদন ক্ষমতা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারছে না। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য রাষ্ট্রকে প্রতিবছর বিপুল অঙ্কের অর্থ ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। প্রকল্পগুলোর মালিকানাধীনে রয়েছে প্রায় ১০ হাজার একর মূল্যবান ইন্ডাস্ট্রিয়াল ল্যান্ড। প্রতিষ্ঠানগুলোর জমি রক্ষা এবং রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদান বাবদ রাষ্ট্রকে প্রতিবছর বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। মূলত এসব কারণেই চিহ্নিত প্রকল্পগুলোকে নতুনভাবে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পূর্ববর্তী সরকার আমলে এ ব্যাপারে প্রাথমিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও অন্তর্বর্র্তী সরকার আমলে উদ্যোগটি গতিশীলতা লাভ করে।
বর্তমান পর্যায়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এ ৪৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান আবারও বাণিজ্যিকভাবে চালু করা গেলে রাষ্ট্র দু’ভাবে লাভবান হবে। রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রতিবছর যে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিতে হয়, তা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। প্রতিষ্ঠানগুলো বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক অবস্থায় পরিচালিত হলে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব জমা পড়বে।
স্বাধীনতার আগে আমাদের এ অঞ্চলে বেশির ভাগ শিল্পই ছিল ব্যক্তি মালিকানাধীনে, যাদের নিয়ন্ত্রক ছিলেন অবাঙালি অর্থাৎ পাকিস্তানি। স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে এসব অবাঙালি শিল্পোদ্যোক্তা পাকিস্তানে চলে যান। ফলে স্বাধীনতার পর এসব শিল্পকারখানা পরিচালনা দুষ্কর হয়ে পড়ে। ১৯৭২ সালে ২৬ মার্চ তৎকালীন সরকার বাংলাদেশ শিল্প জাতীয়করণ আদেশ জারির মাধ্যমে ব্যক্তি মালিকানাধীনে থাকা (মূলত পাকিস্তানিদের পরিত্যক্ত শিল্প-কারখানা) পুরো উৎপাদনযন্ত্রকে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীনে নিয়ে যায়।
রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতির অন্যতম সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি বাস্তবায়নের জন্যও উৎপাদনযন্ত্রকে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীনে নেওয়ার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন এসব প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় মালিকানায় রেখে পরিচালনা করার উদ্যোগটি মোটেও বাস্তবসম্মত বা সঠিক ছিল না। কারণ অর্থনীতির মূল সূত্র অনুযায়ী, রাষ্ট্র কখনোই ভালো উৎপাদক বা নিয়ন্ত্রক হতে পারে না।
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয় প্রতিনিধির মাধ্যমে। মালিক সেখানে সরাসরি উপস্থিতি থেকে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন না; যারা রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসাবে এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন তাদের দায়বদ্ধতা থাকে ন্যূনতম। প্রতিষ্ঠান বিপুল পরিমাণ মুনাফা অর্জন করলেও তারা অতিরিক্ত কোনো সুবিধা পান না। আবার লোকসান দিলেও তাদের কোনো দায় বহন করতে হয় না। কিন্তু ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে মালিক স্বয়ং উপস্থিত থেকে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। কোনো কারণে প্রতিষ্ঠান লোকসান দিলে সরাসরি তার দায়ভার মালিককে বহন করতে হয়। তাই মালিক সর্বোতভাবে চেষ্টা করেন কীভাবে প্রতিষ্ঠানটি লাভজনকভাবে পরিচালনা করা যায়।
স্বাধীনতার পর পাকিস্তানিদের পরিত্যক্ত শিল্পকারখানা দীর্ঘমেয়াদের জন্য রাষ্ট্রীয় মালিকানায় রেখে পরিচালনার উদ্যোগটি সঠিক ছিল না। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীনে শিল্পকারখানা পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়ার পর এক সময়ের লাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলো অল্প কিছুদিনের মধ্যেই লোকসান দিতে শুরু করে। দুর্নীতিগ্রস্ত ও অদক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোর অভ্যন্তরীণ সুশাসন দুর্বল হয়ে পড়ে।
১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সরকার উৎপাদনযন্ত্র রাষ্ট্রীয়করণের নীতিমালা থেকে সরে আসে। বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের পরামর্শে ১৯৯৩ সালে প্রাইভেটাইজেশন বোর্ড গঠিত হয়। বিরাষ্ট্রীয়করণ প্রক্রিয়াকে জোরদার করার জন্য ২০০০ সালে প্রাইভেটাইজেশন কমিশন গঠিত হয়। ২০১৬ সালে প্রাইভেটাইজেশন কমিশন ও বিনিয়োগ বোর্ডকে একীভূত করে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা) গঠন করা হয়। ১৯৯৩ সালে প্রাইভেটাইজেশন কমিশন গঠিত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ৭৪টি প্রতিষ্ঠান ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর মধ্যে ৫৪টি কারখানা ও সম্পদ সরাসরি বিক্রির মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়। সার্বিকভাবে ১৯৭৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীনে থাকা এক হাজারের মতো শিল্পকারখানা বিরাষ্ট্রীকরণ করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশিসংখ্যক প্রতিষ্ঠান ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তর করা হয় ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে; যার সংখ্যা ৬৫০। বিরাষ্ট্রীয়করণের পর ৫০ থেকে ৫৯ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ব্যক্তি মালিকানায় চালু আছে। প্রায় ৩০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক ক্ষেত্রে নতুন মালিক যন্ত্রপাতি ও জমি বিক্রির মাধ্যমে মূল কারখানা বন্ধ করে দিয়ে অন্য ব্যবসায় চলে গেছেন।
সার্বিকভাবে আমাদের বিরাষ্ট্রীকরণের অভিজ্ঞতা মোটেও সুখকর নয়। এমনও অভিযোগ উঠেছে যে, কোনো কোনো সময় দলীয় সমর্থক ও আত্মীয়স্বজনের মধ্যে নামমাত্র মূল্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বিক্রি করা হয়েছে। অনেক সময় কারখানার জমির মূল্যের চেয়ে কম দামে এগুলো বিক্রি করা হয়েছে।
পরবর্তী সময়ে যিনি এসব প্রতিষ্ঠান ক্রয় করেছেন, তিনি তা পরিচালনা না করে জমি এবং অন্যান্য উপকরণ উচ্চমূল্যে বিক্রি করে সরে গেছেন। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তরের উদ্দেশ্য শুধু ভর্তুকির দায় থেকে সরকারের অব্যাহতি লাভের প্রচেষ্টা মাত্র নয়; প্রতিষ্ঠানগুলো যদি নতুন মালিকানাধীনে ও ব্যবস্থাপনায় ভালোভাবে পরিচালিত হয়, তাহলে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
একইসঙ্গে রাষ্ট্র মুনাফার অংশ পাবে। যারা রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসাবে এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন, তারা নিজেদের অনেকটাই দায়মুক্ত মনে করে থাকেন। একশ্রেণির পরিচালক আছেন, যারা নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের কাজেই ব্যস্ত থাকেন। প্রতিষ্ঠান মরল না বাঁচল, তা তাদের বিবেচ্য বিষয় নয়। বছরের পর বছর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের লোকসানের দায়ভার রাষ্ট্র তথা জনগণ বহন করতে পারে না। আর মুক্তবাজার অর্থনীতিতে কোনো প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে টিকিয়ে রাখার কোনো মানে থাকতে পারে না। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে যোগ্যতার ভিত্তিতে বাজারে টিকে থাকতে হবে।
কাজেই সরকার ৪৪টি কারখানা বিরাষ্ট্রীকরণের যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা অত্যন্ত যৌক্তিক ও সময়োপযোগী। কিন্তু এ হস্তান্তর প্রক্রিয়া যাতে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে সম্পাদিত হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। দলীয়করণ বা আত্মীয়করণকে কোনোভাবেই প্রাধান্য দেওয়া যাবে না। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। বিশ্বের অনেক দেশেই এটা করা হয়। কিন্তু আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে যোগ্য ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন উদ্যোক্তাদের কাছে কারখানাগুলো দীর্ঘমেয়াদি লিজ দেওয়াটাই যৌক্তিক হবে। তাতে সরকারের দায় কিছুটা হলেও কমবে।
পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হলে সেখানে সরকারের যে প্রতিনিধি পরিচালনা বোর্ডে যুক্তি থাকবেন, তিনি অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে ব্যক্তিগত ফায়দা লোটার চেষ্টা করতে পারেন। দেশে শিল্প খাতের সম্ভাবনা পুরো মাত্রায় কাজে লাগাতে না পারার জন্য আমাদের রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা অনেকটাই দায়ী। আমাদের দেশে সাধারণত কোনো একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হলে উৎপাদন প্রক্রিয়ার সবকিছুই তারা একই ছাদের নিচে সম্পন্ন করতে চান। ফলে দেশে ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ শিল্প বিকশিত হচ্ছে না।
বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে এমনও দেখা গেছে যে, কোনো ক্ষুদ্র শিল্প হয়তো একটি বিশেষ পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করেছে, তা দেখে বৃহৎ শিল্প একই পণ্য তুলনামূলক স্বল্পমূল্যে বাজারে ছেড়ে আগের পণ্যটিকে বাজার থেকে বিতাড়িত করেছে। অথচ উন্নত দেশগুলোতে ব্যাংকওয়ার্ড লিঙ্কেজ ইন্ডাস্ট্রিকে বৃহৎ শিল্পের সহায়ক শিল্প হিসাবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে জাপানের দৃষ্টান্ত লক্ষ্য করা যেতে পারে।
জাপানি অটোমোবাইল শিল্প একটি গাড়ির প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ইলেকট্রনিক্স শিল্পের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ শিল্পের কাছ থেকে সংগ্রহ করে থাকে। ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ শিল্পের কাছ থেকে তারা নির্দিষ্ট স্পেশিফিকেশন অনুযায়ী চাহিদাকৃত যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করে থাকে। এতে তুলনামূলক কম মূল্যে নির্ধারিত সময়ে তারা যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করতে পারে। জাপানের অতিক্ষুদ্র শিল্পের (যাদের কর্মী সংখ্যা ৫ থেকে ২০ জন) হার মোট শিল্পের ৮৪ দশমিক ৫ শতাংশ। বাংলাদেশে অতিক্ষুদ্র শিল্পের হার মোট শিল্পের ৫৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। কুটির শিল্পের হার ৩৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ, ক্ষুদ্রশিল্পের হার ৪ দশমিক ২০ শতাংশ, মাঝারি শিল্পের হার দশমিক ৩১ শতাংশ এবং বৃহৎ শিল্পের হার শূন্য দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ। ক্ষুদ্রশিল্পের অধিকাংশই ইনফর্মাল সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত এবং তারা বৃহৎ শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ হিসাবে কাজ করতে পারছে না।
সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের জিডিপির আকার এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রতিবছর প্রাইভেট সেক্টরে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আহরণ করতে হবে। প্রথাগত ধারায় শিল্পায়নের চেষ্টা করে কোনো সুফল পাওয়া যাবে না। আমাদের বৃহৎ শিল্পের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসাবে ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের প্রতি গুরুত্বারোপ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, বৃহৎ শিল্প এবং ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ স্থাপনের জন্য প্রতিষ্ঠিত ক্ষুদ্রশিল্প কেউ কারও প্রতিযোগী বা প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং তারা পরস্পর সহযোগী। এ দুই খাতের মেলবন্ধনের মাধ্যমেই বাংলাদেশ শিল্পায়নের দিকে এগিয়ে যেতে পারে; আর সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখনই উপযুক্ত সময়।
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ : অর্থনীতিবিদ, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা
অনুলিখন : এম এ খালেক
