Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

কোরামিন দিয়ে ফ্যাসিস্টের পুনরুত্থানের চেষ্টা

Advertisement

Icon

মেজর (অব.) মনজুর কাদের

প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কোরামিন দিয়ে ফ্যাসিস্টের পুনরুত্থানের চেষ্টা

Advertisement

কোরামিন দিয়ে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে রাজনীতিতে পুনর্বাসন ও আওয়ামী লীগকে জ্যান্ত করার চেষ্টা করছে দিল্লি। এ নিয়ে গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরোদস্তুর ঝড় তোলা হচ্ছে। শেখ হাসিনাকে ১৯৮১ সাল থেকে ব্যবহার করার পর ব্যক্তিটি যে নিঃশেষ (ডিসপোজড) হয়ে গেছে, তার খবর নেই দেশটির। এদের চিন্তাভাবনার দীনতা এমন যে, তারা শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেতৃত্বও তৈরি করেনি। বিগত স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সহায়তায় পাকিস্তান ভেঙে দেশটি উন্নাসিক হয়ে উঠে প্রতিবেশী দেশগুলোকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করতে থাকে। তবে বর্তমান স্নায়ুযুদ্ধের সময় অতীতের এ কর্মকাণ্ডের জন্য যে হিসাব চুকাতে হবে, তার কোনো ধারণাই নেই দেশটির, স্নায়ুযুদ্ধ সম্পর্কে অভিজ্ঞতাও নেই বর্তমান বিজেপি সরকারের।

রানি বানানোর চেষ্টা : ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি (১/১১)-তে বাংলাদেশে গণতন্ত্র হত্যা করে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় বসিয়ে দিয়ে আজীবন রানি (কারও কারও ভাষায় কাডাল রানি) করে রাখতে চেয়েছিল আধিপত্যবাদী এ শক্তি। ২০২৪-এর ৫ আগস্টে লজ্জাজনক পরাজয়ের পর আবার আওয়ামী লীগকে পুনর্জাগরণের চেষ্টা করছে দেশটি। পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা ভারতের মাটিতে বসে হুংকার দিচ্ছেন, তিনি আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখবেন-যা কল্পনাপ্রসূত, অবাস্তব এবং ইউটোপিয়ান পরিকল্পনা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ফেরত দেওয়ার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে : শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে সম্প্রতি জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, ‘ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ বিষয়ে ভারতের অবস্থান বারবার স্পষ্ট করেছেন। বিষয়টি আইনগত ও যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে এবং আদালতও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত আছে। ফলে শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বলা সম্ভব নয়। ওসমান হাদির হত্যাকারীদের ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়েও একই কথা বলেন তিনি।’

হাসিনাফোবিয়া সৃষ্টি : শেখ হাসিনাকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে তাকে আশ্রয় দেওয়া দেশ ভারত-এ অভিযোগ করছে বাংলাদেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দল। ফ্যাসিস্টের রেখে যাওয়া রাষ্ট্রযন্ত্রের চাকা ইচ্ছামতো ঘুরিয়ে আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রশাসন ব্যবস্থা যাতে হাসিনাফোবিয়ার কবলে পড়ে, তার জন্য গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে। গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসিনার বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের খবর ছড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র দেশব্যাপী এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, বর্তমান ক্ষমতাসীন দল হলো চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের লালন-পালনকারী এবং আশ্রয়দাতা। এর বিপরীতে আওয়ামী লীগ যেন এখন ধোয়া তুলসী পাতা। সরকার আওয়ামী লীগ সৃষ্ট অলিগার্কদের যে ছাড় দিয়েছে (যাদের হাতে রয়েছে গণমাধ্যম), তারা অচিরেই যে ইউটার্ন নিয়ে শেখ হাসিনার পক্ষে অবস্থান নেবে, তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এসব নির্লজ্জ অবৈধ সম্পদ অর্জনের কারিগররা শেখ হাসিনাকে আজীবন ক্ষমতায় রাখতে চেয়েছিল।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি : ২৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা শহরের মিরপুরে মধ্যরাতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। মুখোশ পরা দুই শতাধিক সশস্ত্র ব্যক্তি নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রবেশ করে ভেতরের ওষুধ, সরকারি টিকা, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং অন্যান্য মূল্যবান মালামাল লুট করে। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বেশকিছু নেতাকর্মীর নাম এসেছে এবং তাদের দল থেকে বহিষ্কার ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের একজন মহিলা সংসদ সদস্যকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তিনি পদত্যাগ করেছেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম। এ ঘটনাকে গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এমনভাবে সামনে এনেছে, সরকার অতিদ্রুত আত্মরক্ষার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। যেখানে সরকারকে রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা প্রয়োজন ছিল, সেখানে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে সরকারের মধ্যে এমন একসময় রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে, ডিসেম্বর আসতে মাত্র তিন মাস বাকি আছে। এ এলাকাসংলগ্ন নির্বাচনি এলাকায় আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ছিলেন আসলামুল হক (পরলোকগত), যিনি প্রায় দুই হাজার বিঘা সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি বেআইনিভাবে দখল করেছিলেন। তার কথা বেমালুম ভুলে গেছে আওয়ামী লীগের সৃষ্ট গণমাধ্যম।

অপারেশন ক্লিন হার্ট : সাম্প্রতিক ঘটনাকে সামনে রেখে আবার আলোচনায় এসেছে অপারেশন ক্লিন হার্ট। বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হলেই মাঝেমধ্যে ফিরে আসে ২০০২ সালের ‘অপারেশন ক্লিন হার্টে’র প্রসঙ্গ। গত কয়েকদিনে বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। এর পেছনে রয়েছে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত অভিযান আরও জোরদার করার সরকারি বক্তব্য। প্রশ্ন হলো, প্রায় দুই যুগ পরও ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ কেন এত দ্রুত জনআলোচনায় ফিরে আসে? এর একটি কারণ বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের উদ্বেগ। অপরাধ, চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রের কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করে সাধারণ মানুষ। রাষ্ট্রের প্রথম দায়িত্বই হলো নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ফলে অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত ও কার্যকর অভিযান প্রয়োজন-এ নিয়ে বিতর্কের অবকাশ কম।

সীমা অতিক্রম করা ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ : কিন্তু একই সঙ্গে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা বলে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নামে পরিচালিত কোনো অভিযান যেন আইনের সীমা অতিক্রম না করে, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০০২ সালের ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ ছিল একটি বিশেষ যৌথ অভিযান। অভিযানটির সময় আটক, নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগ পরবর্তীকালে গুরুতর মানবাধিকার ও আইনের শাসনসংক্রান্ত বিতর্ক সৃষ্টি করে। আরও বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল অভিযানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি দেওয়ার উদ্যোগকে কেন্দ্র করে। এ কারণেই ‘ক্লিন হার্ট’ নামটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অভিধানে শুধু একটি আইনশৃঙ্খলা অভিযানকে বোঝায় না; এটি একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রয়োগের সীমা এবং জবাবদিহির প্রশ্নও সামনে আনে।

লুকিয়ে থাকা শত্রু : ২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসার পরপরই দলটির অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা (বি. চৌধুরী গং) ভারতীয় আধিপত্যবাদী শক্তি সৃষ্ট চক্র এবং আওয়ামী লীগ গোপনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন অবস্থা ঘটায়, অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো একটি অবাস্তব অপারেশন চালাতে বাধ্য হয় তৎকালীন সরকার। কিন্তু এ অপারেশনের মধ্যে যে অবৈধ ভারতপ্রেমী ১/১১ সরকারের বীজ বপন করা হয়েছিল, তা অনেকেই বুঝতে পারেননি। এ অপারেশনে তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপির অনেক নেতাকর্মী নিহত হন। অপারেশন ক্লিন হার্টের সময় প্রশ্ন উঠেছিল, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার অভিযান নাকি মানবাধিকার ও আইনের শাসনের সংকট? ২০০২ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে ২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে পরিচালিত ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ ছিল দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎকালীন সরকারের একটি বিশেষ অভিযান। সরকারের ঘোষিত উদ্দেশ্য ছিল সন্ত্রাস দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি; কিন্তু অভিযানটির পদ্ধতি, হেফাজতে মৃত্যু এবং পরবর্তী দায়মুক্তির ব্যবস্থা এটিকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গভীর বিতর্কের বিষয় করে তোলে। অভিযানের সময় যৌথ বাহিনীর বিরুদ্ধে বেআইনি গ্রেফতার, নির্যাতন, সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ, সম্পত্তি জব্দ এবং হেফাজতে মৃত্যুসহ গুরুতর অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীকালে হাইকোর্টের রায়ে মামলার নথিতে থাকা সংবাদ প্রতিবেদনগুলোর ভিত্তিতে ৮৫ দিনের অভিযানে অন্তত ৪৩ জনের হেফাজতে মৃত্যুর কথা উল্লেখ করা হয়। তবে এ সংখ্যা আদালতের রায়ে উদ্ধৃত সংবাদপত্রের প্রতিবেদনভিত্তিক সংখ্যা-এটিকে স্বাধীনভাবে প্রতিষ্ঠিত চূড়ান্ত পরিসংখ্যান হিসাবে দেখা উচিত নয়।

জবাবদিহি প্রয়োজন : এখানে একটি মৌলিক নীতি মনে রাখা দরকার : রাষ্ট্র্রের কঠোরতা এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহি পরস্পরবিরোধী নয়; বরং একটি কার্যকর রাষ্ট্র একইসঙ্গে অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর এবং আইনের প্রতি অনুগত হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যেও সেই পার্থক্যটি স্পষ্ট হয়েছে। তিনি বলেছেন, নতুন কোনো বিশেষ যৌথ বাহিনী গঠন বা ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর মতো অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়নি; বরং বিদ্যমান বাহিনীগুলোর সমন্বিত অভিযান অব্যাহত ও জোরদার করা হবে। দায়িত্বে অবহেলা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছেন। এ অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি কেবল শক্তি প্রয়োগ নয়; বরং গোয়েন্দা তথ্য, পেশাদার তদন্ত, দ্রুত বিচার, সাক্ষী সুরক্ষা, অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধের অর্থনৈতিক উৎস বন্ধ করার সমন্বিত ব্যবস্থা। আজ ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ নিয়ে আলোচনা ফিরে আসা উচিত অতীতের পুনরাবৃত্তির জন্য নয়, বরং অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য। দেশের মানুষ নিরাপত্তা চায়, কিন্তু সেই নিরাপত্তা এমন হতে হবে, যার সঙ্গে নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও আইনের শাসনের কোনো সংঘাত তৈরি হবে না। বাংলাদেশের সামনে তাই মূল প্রশ্ন হওয়া উচিত-‘ক্লিন হার্ট’ হবে কি না, তা নয়; বরং অপরাধ দমন কীভাবে এমনভাবে করা যায়, যাতে প্রকৃত অপরাধী আইনের আওতায় আসে এবং একইসঙ্গে রাষ্ট্রও আইনের আওতায় থাকে। এ ভারসাম্যই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের প্রকৃত পরিচয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য রাষ্ট্রকে শক্তিশালী ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা থাকতে পারে, কিন্তু সেই ক্ষমতারোহণ-এর সাংবিধানিক সীমা রয়েছে। অপারেশন ক্লিন হার্টের পরবর্তী বিচারিক ইতিহাস সেই সীমারেখা নিয়ে বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে; যারা গাছের গোড়া কেটে ওপরে পানি দিচ্ছে, তাদের প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়ে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ বা অপারেশন ডার্টি হার্ট’-এর কথা বলে বেড়াচ্ছেন, তারা কি ১/১১-এর সরকারের প্রেতাত্মা কি না তা নির্ণয় করা দরকার, নইলে পরিস্থিতি আবারও আধিপত্যবাদী শক্তির নিয়ন্ত্রণে যেতে পারে বলে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মেজর (অব.) মনজুর কাদের : সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সাবেক সংসদ-সদস্য

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

অন্যমত স্থবির শেয়ারবাজারকে টেনে তুলতে যা প্রয়োজন

স্থবির শেয়ারবাজারকে টেনে তুলতে যা প্রয়োজন

কোরামিন দিয়ে ফ্যাসিস্টের পুনরুত্থানের চেষ্টা

কোরামিন দিয়ে ফ্যাসিস্টের পুনরুত্থানের চেষ্টা

শুদ্ধতার সূচনা করতে হবে নিজের ঘর থেকেই

শুদ্ধতার সূচনা করতে হবে নিজের ঘর থেকেই

দৃষ্টিপাত উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও দারিদ্র্য পরিস্থিতির অবনতি

উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও দারিদ্র্য পরিস্থিতির অবনতি

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম