Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা গবেষণায় পিছিয়ে কেন?

Advertisement

Icon

ড. রাজীব চক্রবর্তী

প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

গত বছর নতুন শিক্ষাক্রমের আলোকে লেখা শিশুদের বিজ্ঞানবিষয়ক একটি বইয়ের তথ্য ইন্টারনেট থেকে হুবহু কপি করার অভিযোগ উঠেছিল। এর রচনা ও সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত থাকা খ্যাতিমান লেখক ও শিক্ষকরা এর দায় স্বীকার করে নিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। বিপরীতে কিছুদিন আগে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ভিসির শেষ কর্মদিবসে বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে প্রায় অর্ধশত নিয়োগ ও একদিনের সেমিনারে বিপুল অংকের অর্থ খরচের অভিযোগ তদন্তে ইউজিসি সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিল। দায় নেওয়া দূরে থাক, সাবেক ভিসি ইউজিসি তদন্ত কমিটির তখনকার ডাকে সাড়াও দেননি। অভিযোগ রয়েছে-গত বছর শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে রীতিমতো তেলেসমাতি কাণ্ড ঘটিয়ে দুই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পরস্পরের যোগসাজশে যোগ্যদের বাদ দিয়ে একে অপরের মেয়েকে তাদের স্বস্ব বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট, রিজেন্ট বোর্ডের শিক্ষকরা কি এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে লিখিত প্রতিবাদ করেছিলেন? না করলে তারাও দায়ী।

এবার ফিরে আসা যাক মূল বিষয়ে। বেশ কয়েকদিন ধরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নিজেদের পেনশনসংক্রান্ত দাবি-দাওয়া নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি পাঠসহ বন্ধ হয়ে গেছে পরীক্ষা। এতে অনেক বিভাগীয় পরীক্ষাও বাতিল হয়েছে। অবশ্য শিক্ষকরা বন্ধের দিনে ক্লাস নিয়ে ছাত্রদের ক্ষতি পুষিয়ে দেবেন বলেছেন। দেশব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অচল অবস্থার মধ্যেই একটি আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নাজুক অবস্থার চিত্র উঠে এলো। যদিওবা এটি নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি ইউএস নিউজ ও ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট ২০২৪ বিশ্বের ১০৪টি দেশের ২০ হাজারেরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেই তালিকার প্রথম ৫৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই। শতাব্দীর প্রাচীন ১০৩ বছর বয়সি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে ৫৬০তম স্থানে। এ ছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ও বুয়েটের স্থান যথাক্রমে ১ হাজার ৬৭৬ ও ১ হাজার ৩৯৪তম। বিপরীতে, ভারতের ১৪০টি এবং পাকিস্তানের ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান হয়েছে ওই তালিকায়। কেন আমাদের দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরা শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার মানের এ হাল? এর জন্য ভিসিরা কি কোনো স্টেটমেন্ট দিয়েছেন? শিক্ষকরা কি কোনো মিটিং করেছেন, কিসের ঘাটতির কারণে বছরের পর বছর ধরে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর এ দুরবস্থা?

বছরখানেক আগে ইউজিসির এক বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রভাষকের চেয়ে অধ্যাপকের সংখ্যা বেশি। আরও জানা যায়, দেশের একটি সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের এক বিভাগে ২০ জনের মধ্যে ১০ জনই অধ্যাপক, যা হওয়ার কথা নয়। সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকবল কাঠামো পিরামিড আকৃতির হয়ে থাকে যেখানে স্বাভাবিকভাবেই অধ্যাপকের চেয়ে প্রভাষকের সংখ্যা বেশি হওয়ার কথা; কিন্তু সত্যিই যদি অভিজ্ঞ অধ্যাপকের সংখ্যা বেশি হয়ে থাকে, তাহলে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০০তম স্থানেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই কেন?

আন্দোলনরত শিক্ষক নেতারা বলছেন, এ প্রত্যয় স্কিম বৈষম্যমূলক ও অবমাননাকর এবং সুযোগ-সুবিধা বর্তমানে প্রচলিত পেনশনব্যবস্থার চেয়ে কম। বর্তমানে প্রচলিত পেনশনব্যবস্থায় অধ্যাপকরা অবসরের সময় এককালীন আনুতোষিক ৮১ লাখ টাকা করে পান, যা প্রস্তাবিত প্রত্যয় স্কিমে নেই। তবে শিক্ষকরা প্রচলিত পেনশনব্যবস্থার (প্রায় ৪৫,০০০ টাকার চেয়ে) কয়েকগুণ বেশি ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৬০ টাকা করে প্রত্যয় স্কিমে অবসরকালীন আজীবন মাসিক পেনশন পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেতারা বলছেন, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। এ পেশায় নিযুক্তদের সুযোগ-সুবিধা কমে গেলে দেশের মেধাবীরা এ পেশাবিমুখ হতে পারে। আমরা প্রতিবাদ করছি ভবিষ্যৎ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সুবিধা প্রাপ্তির জন্য। প্রত্যয় ছাড়াও শিক্ষকদের অন্যান্য দুটি দাবি হলো-সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি ও শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো প্রবর্তন।

এবার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ওপর আলোকপাত করা যাক। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রধান কয়েকটি কাজের অন্যতম একটি হলো মৌলিক গবেষণা করা। শ্রেণি পাঠদানের কথা বাদই দিলাম। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের অভিযোগগুলোর অন্যতম শিক্ষকরা ক্লাসে আসেন না সময়মতো। শ্রেণি পাঠ শেষ না করেই পরীক্ষার আগে সিলেবাস শেষ করিয়ে দেওয়ার অভিযোগও অনেক পুরোনো। যেখানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের রকমভেদে চার থেকে ছয়-সাতটি পর্যন্ত বিষয় নিতে হয় এক্সট্রা কোর্সসহ, সেখানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোর্স লোডের অর্ধেক বা কম। অবশ্য কম হওয়াটাই স্বাভাবিক। শ্রেণি পাঠ ছাড়া শিক্ষকদের কর্মঘণ্টার বেশির ভাগ সময় বরাদ্দ আছে সৃজনশীল, উদ্ভাবনী ও গবেষণা কাজে নিয়োজিত হওয়ার জন্য। কিন্তু দুর্ভাগ্য, আমাদের দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা পেশাকে অনেকটা রিলাক্সড জব হিসাবে দেখা হয়। অর্থাৎ ওই গবেষণার জন্য বরাদ্দ সময়টাকেই রিলাক্সড টাইম ধরা হয়। অথচ গবেষণা একটি কঠিন, অধ্যবসায়ী ও মেধার কাজ, যার প্রয়োগ আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় কম। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা গবেষণায় উদাসীন। আর জবাবদিহিতা যেহেতু নেই, তাই বাধ্যবাধকতাও নেই। শুধু এ মানসিকতার কারণেই অনেক মেধাবীর কাছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা আরামের চাকরি। বিদেশে এর ঠিক উলটো চিত্র। গবেষণা করে ফান্ড আনতে না পারলে শিক্ষকদের প্রমোশন বাধাগ্রস্ত হয়। বস্তুত, বিদেশে পাবলিকেশন ছাড়া প্রফেসরদের কোনো দাম নেই। তাই উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের স্বার্থে রেফার্ড জার্নালে প্রকাশনা ছাড়া প্রমোশন ও পিএইচডি ছাড়া অধ্যাপক হওয়া যাবে না মর্মে ইউজিসিকে শক্ত নীতিমালা করতে হবে।

অপরদিকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা যদি নিজেদের অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার দাবিতে ক্লাস, পরীক্ষা বন্ধ করে দিতে পারে সরকারি সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে, তাহলে রাষ্ট্রেরও উচিত শিক্ষকদের কাজের অগ্রগতি জানা। আর এর একমাত্র উপায় হলো গবেষণা কাজের হালনাগাদ তথ্য। কিন্তু বাংলাদেশের বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বস্ব বিভাগের ওয়েবসাইটে শিক্ষকদের গবেষণার হালনাগাদ তথ্য নেই। কেন নেই? একজন শিক্ষক কোন বিষয়ে অভিজ্ঞ, তা শুধু সেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও জানতে চান। তিনি গত বছর কী বিষয়ে গবেষণা করেছেন, কী ফাইন্ডিংস পেয়েছেন, তা সমাজের পরিবর্তনের কী কাজে লাগবে, তা শিক্ষকরা জানালে তাতে একজন সচেতন শিক্ষকের ভাবমূর্তি সমাজে আরও বৃদ্ধি পায়।

২০৪১-এর মধ্যে উন্নত রাষ্ট্র বিনির্মাণে সরকার যেহেতু বদ্ধপরিকর, তাই উচ্চ শিক্ষাব্যবস্থায় জবাবদিহিতার কোনো বিকল্প নেই। ইউজিসির উচিত সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের নির্দেশনা দেওয়া, যাতে শিক্ষকরা নিজেদের গবেষণা প্রোফাইল অর্থাৎ তিনি এ পর্যন্ত কতজন এমফিল, কতজন পিএইচডি ছাত্রের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন, প্রতি বছর কয়টি করে প্রকাশনা করেছেন, দেশে-বিদেশে কোথায় করেছেন, প্রকাশনা সংস্থার নাম, আর্টিকেলটা পেইড জার্নালে ছাপানো কিনা (অনেক বিদেশি বহু জার্নালও শুধু টাকা দিলেই ছাপানো যায়), প্রথম/প্রধান গবেষক হিসাবে বছরে কয়টি প্রকাশনা, এসব তথ্য সন্নিবেশিত থাকবে। ভালো হয় ইউজিসির কোনো নির্ধারিত ফরম থাকলে। এছাড়া প্রমোশনের আগে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চার-পাঁচজনে মিলে কোনো মতে একটি আর্টিকেল পাবলিশ করার খবর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দর মহলে কান পাতলেই শোনা যায়। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে ‘ইউজিসি কেয়ার লিস্ট’ নামে অ্যাপ্রুভড (অনুমোদিত) জার্নালের তালিকা আছে (যা প্রতি বছর রিভিউ হয়), শুধু সেগুলোর প্রকাশনাই বৈধ হিসাবে গণ্য হয়। বিপরীতে আমাদের দেশে তা-ও নেই। এ ফাঁকফোকরের ফলে যেনতেন গবেষণা আরও উৎসাহিত হচ্ছে। মনে হয়, আমাদের দেশের শিক্ষক নেতারা বা খোদ ইউজিসি চায় না, এসব নিয়ম-কানুন হোক। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কেন এ অভিভাবকরা এগুলো চান না? তারাও কি গবেষণাবিমুখ?

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিংয়ে নাজুক অবস্থার কারণ জানতে চাইলে শিক্ষকরা শিক্ষা খাতের বরাদ্দের অপ্রতুলতার কথা বলেন। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ শিক্ষা খাতে বাজেটের সবচেয়ে কম বরাদ্দ দেয় বলে নিজেদের দায় এড়িয়ে রাষ্ট্রের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেন।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের যে শিক্ষকরা নিয়মিত আন্তর্জাতিক গবেষণায় অবদান রাখছেন, তাদের সম্মানিত করা হোক। বিভিন্ন সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে তাদের প্রেষণে নিয়োগ দেওয়া হোক। সর্বোপরি ভিসি হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হোক। আমাদের দেশে কোন বিশেষ যোগ্যতার ভিত্তিতে একজন ভিসি হিসাবে নিয়োগ পান, তাতে ধোঁয়াশা আছে। তার বিদেশে নামি প্রকাশনা সংস্থা থেকে কোনো গবেষণাধর্মী বই বেরিয়েছে কিনা, কতজনকে এমফিল/পিএইচডি করিয়েছেন, বিগত পাঁচ বছরে কয়টি আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন, দেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ করে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি থিসিসের এক্সটার্নাল এক্সামিনার হওয়ার কয়টা অনুরোধ পেয়েছেন, ভিসি হওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষ এগুলো বিবেচনায় নেয় কিনা মানুষ জানতে চায়।

আর যারা গবেষণা না করে শুধু বিভিন্ন দলে, রঙে বিভক্ত হয়ে আছেন, নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস না নিয়ে পাশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত সিরিয়াস শিক্ষক বনে গেছেন, তাদের ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হোক। উচ্চশিক্ষার হাল এমন তলানিতে নেমেছে, অথচ প্রশাসন গুরুত্ব দিচ্ছে না। উচ্চশিক্ষা প্রদানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা এর দায় এড়াতে পারেন না। তাই, শিক্ষকদের কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিতের একটাই উপায়-শিক্ষকদের বার্ষিক গবেষণার খতিয়ানের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ ও এর মূল্যায়ন। শুধু হাইফাই ফ্যাকাল্টি লাউঞ্জ করে, সবাইকে মাস্টার্স পাশ বানিয়ে, নতুন নতুন বিভাগ খুলে আর যাই হোক শিক্ষার গুণগতমানের কোনো উন্নতি হবে না। শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রথমে শিক্ষকদেরই এগিয়ে আসতে হবে। সব শিক্ষককে একেকজন গবেষক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করতে হবে। কর্তৃপক্ষকে শিক্ষা নিয়ে আরও বেশি ভাবতে হবে।

ড. রাজীব চক্রবর্তী : গবেষক ও লেখক

 

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

বৃহত্তর মুক্তবাণিজ্য জোটে যুক্ত হওয়ার পথে বাংলাদেশ

বৃহত্তর মুক্তবাণিজ্য জোটে যুক্ত হওয়ার পথে বাংলাদেশ

নিউইয়র্কের চিঠি প্রবাসী বাঙালির অর্থহীন কর্মকাণ্ডে অর্থের অপচয়

প্রবাসী বাঙালির অর্থহীন কর্মকাণ্ডে অর্থের অপচয়

সৎ করদাতার ওপর বাড়তি বোঝা কেন

সৎ করদাতার ওপর বাড়তি বোঝা কেন

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের বার্তা

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের বার্তা

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম