Logo
Logo
×

Advertisement

আন্তর্জাতিক

৯৬ বছরেও যে দেশে জন্মায়নি কোনো শিশু

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২৫, ০২:৫০ পিএম

৯৬ বছরেও যে দেশে জন্মায়নি কোনো শিশু

Advertisement

পৃথিবীতে এমন একটি দেশ আছে যেখানে ৯৬ বছরেও কোনো শিশু জন্ম নেয়নি। শুধু তাই নয়, দেশটিতে কোনো হাসপাতালও নেই।

 ভাবতে পারেন একবিংশ শতাব্দীতে এসে বিশ্বের কোনো দেশে হাসপাতাল ছাড়া চলতে পারে? হ্যাঁ, এমন দেশটি হলো রোমান ক্যাথলিক ধর্মালম্বীদের দেশ ভ্যাটিকান সিটি। 

যেটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।এই দেশে কোনো হাসপাতাল নেই এবং ৯৬ বছরে সেখানে একটি শিশুও জন্মগ্রহণ করেনি।

কিন্তু কেন?

১৯২৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত ভ্যাটিকান সিটি ক্যাথলিক চার্চের আধ্যাত্মিক ও প্রশাসনিক সদর দফতর, যেখানে রোমান ক্যাথলিকদের ধর্মীয় নেতারা বাস করেন।

অসংখ্য অনুরোধ সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত ভ্যাটিকান সিটিতে কোনো হাসপাতাল তৈরি করা হয়নি।দেশটিতে যদি কেউ গুরুতর অসুস্থ হন বা কোনো গর্ভবতী নারীর প্রসব বেদনা শুরু হয় তবে তাকে পাশের শহর রোম তথা ইতালি দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে ব্যক্তি নিজ দেশে ফিরে আসেন।

কেন হাসপাতাল নির্মাণ করা হল না?

হাসপাতাল না করার পেছনে অন্যতম একটি কারণ হল দেশটির আয়তন। ভ্যাটিকান সিটির আয়তন মাত্র ১১৮ একর। এই দেশে যদি হাসপাতাল বানানো হয় তবে অনেকটাই জায়গা লাগবে। সেইজন্যই হাসপাতাল তৈরি করা থেকে বিরত থেকেছে বিশ্বের সবথেকে ক্ষুদ্র এ দেশ।

ভ্যাটিকান সিটির জনসংখ্যা মাত্র ৮০০ থেকে ৯০০, যার মধ্যে বেশিরভাগ যাজক এবং ধর্মীয় নেতারা।দেশটিতে ডেলিভারি রুম না থাকায় প্রায় এক শতাব্দী ধরে এখানে কোনো শিশু জন্ম নেয়নি। 

জিও নিউজ উর্দু 

Advertisement

ভ্যাটিকান সিটি শিশু হাসপাতাল

Advertisement

আরও পড়ুন

৪৮ বছর পানির স্বাদ নেননি, বাফেটের পছন্দের পানীয় কী?

৪৮ বছর পানির স্বাদ নেননি, বাফেটের পছন্দের পানীয় কী?

প্রতি ২৬ সেকেন্ডে কেন কেঁপে উঠছে পৃথিবী? যা বলছেন বিজ্ঞানীরা

প্রতি ২৬ সেকেন্ডে কেন কেঁপে উঠছে পৃথিবী? যা বলছেন বিজ্ঞানীরা

রাস্তায় রোবট কুকুর হাঁটানোর চাকরি, ঘণ্টায় বেতন ২ হাজার টাকার বেশি

রাস্তায় রোবট কুকুর হাঁটানোর চাকরি, ঘণ্টায় বেতন ২ হাজার টাকার বেশি

কানাডার কোটি টাকার চাকরি ছেড়ে পাহাড়ে শুরু নতুন জীবন

কানাডার কোটি টাকার চাকরি ছেড়ে পাহাড়ে শুরু নতুন জীবন

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম