নতুন এমপিওভুক্ত ৩৭৬ শিক্ষক-কর্মচারী, বিএড স্কেল পেলেন ১,৫৯৪ জন
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত ৩৭৬ জন শিক্ষক-কর্মচারী নতুন করে এমপিওভুক্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে বিএড স্কেল পেয়েছেন ১ হাজার ৫৯৪ জন এবং উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭৪ জন শিক্ষক-কর্মচারী।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এমপিও কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন এমপিওভুক্তদের মধ্যে স্কুল পর্যায়ের ২৭২ জন এবং কলেজ পর্যায়ের ১০৪ জন রয়েছেন। বিএড স্কেল পাওয়া ১ হাজার ৫৯৪ জনই স্কুল পর্যায়ের শিক্ষক। অন্যদিকে উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পাওয়া ৫ হাজার ৪৭৪ জনের মধ্যে স্কুলের ৫ হাজার ১৬৯ জন এবং কলেজের ৩০৫ জন রয়েছেন।
জানা গেছে, সারাদেশে এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে ৩ হাজার ৪৮১টি বকেয়া আবেদন। এর মধ্যে স্কুল পর্যায়ে ২ হাজার ৮৯৩টি এবং কলেজ পর্যায়ে ৬৪৮টি আবেদন রয়েছে।
অঞ্চলভিত্তিক পরিসংখ্যান
ঢাকা অঞ্চল: নতুন এমপিওভুক্ত হয়েছেন স্কুল পর্যায়ের ৪০ জন ও কলেজ পর্যায়ের ২৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী। বিএড স্কেল পেয়েছেন ২৫৫ জন। উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পেয়েছেন স্কুলের ৪৪৩ জন এবং কলেজের ২০ জন। এ অঞ্চলে বকেয়া আবেদন রয়েছে স্কুলের ৩৭৭টি ও কলেজের ১১৫টি। মোট আবেদন জমা পড়েছে স্কুল পর্যায়ে ১ হাজার ২৯৬টি এবং কলেজে ২৫৫টি।
রাজশাহী অঞ্চল: নতুন এমপিওভুক্ত হয়েছেন স্কুলের ৭৫ জন ও কলেজের ৩৪ জন। বিএড স্কেল পেয়েছেন ৩০০ জন স্কুল শিক্ষক। উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পেয়েছেন স্কুলের ৪৮৪ জন এবং কলেজের ৭৪ জন। বকেয়া আবেদন রয়েছে স্কুলের ৪১৯টি ও কলেজের ১৩৭টি। মোট আবেদন জমা পড়েছে স্কুলে ২ হাজার ২টি এবং কলেজে ৪৩৫টি।
রংপুর অঞ্চল: নতুন এমপিও পেয়েছেন স্কুলের ৭৭ জন ও কলেজের ১০ জন। বিএড স্কেল পেয়েছেন ২৬৬ জন। উচ্চতর গ্রেড পেয়েছেন স্কুলের ৬৭২ জন ও কলেজের ৩২ জন। বকেয়া আবেদন রয়েছে স্কুলের ৩৫৫টি এবং কলেজের ১১৮টি। মোট আবেদন জমা পড়েছে স্কুলে ১ হাজার ৭০৮টি ও কলেজে ২৫৫টি।
খুলনা অঞ্চল: নতুন এমপিওভুক্ত হয়েছেন স্কুলের ১৪ জন ও কলেজের ১৪ জন। বিএড স্কেল পেয়েছেন ১১৫ জন। উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পেয়েছেন স্কুলের ১ হাজার ২৩৩ জন এবং কলেজের ৮২ জন। বকেয়া আবেদন রয়েছে স্কুলের ৩২৪টি ও কলেজের ৮২টি। মোট আবেদন জমা পড়েছে স্কুলে ১ হাজার ৫৫৪টি এবং কলেজে ২১২টি।
এ ছাড়া বরিশাল, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলেও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
অঞ্চলভিত্তিক মোট নিষ্পত্তি হওয়া আবেদনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ময়মনসিংহে স্কুল পর্যায়ে ১ হাজার ১৬৫টি ও কলেজে ৯০টি, কুমিল্লায় স্কুলে ৯২২টি ও কলেজে ১৩৪টি, চট্টগ্রামে স্কুলে ৫৯৭টি ও কলেজে ১০৭টি, বরিশালে স্কুলে ১ হাজার ২০৬টি ও কলেজে ২৮৫টি এবং সিলেটে স্কুলে ৪২৩টি ও কলেজে ৭৬টি আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে।

