ঢাবি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, আটক তিনজনের পরিচয় জানা গেল
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫২ এএম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আটক তিনজন।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আটক তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের আটক করা হয়। তারা হলেন রেজাউল করিম (৪২), সোহেল রানা (৩৩) ও নাজমুস সাদ (৩৩)।
আটক রেজাউল করিমের বাড়ি নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বিলকাঠোর মধ্যপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত কফিরউদ্দিন প্রামানিক। তিনি ঢাকার ফকিরাপুল এলাকায় থাকেন।
সোহেল রানার স্থায়ী ঠিকানা রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজার খুটিপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ইদ্রিস আলী। অন্যদিকে নাজমুস সাদ গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কচাপাড়া গ্রামের নিজামুল হকের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে টিএসসি এলাকায় পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের পাশে, ভিসি চত্বর, নীলক্ষেত-সংলগ্ন মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের সামনে এবং শাহবাগ মোড়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এর মধ্যে নীলক্ষেত এলাকায় একটি, সিনেট ভবনের সামনে একটি, টিএসসিতে দুটি এবং শাহবাগ মোড়ে একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টিএসসি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন দুই ব্যক্তি। মেট্রোরেল স্টেশন-সংলগ্ন এলাকা দিয়ে পালানোর সময় উপস্থিত লোকজন তাদের আটক করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে কর্মসূচি ঘোষণা করবে ছাত্রদল। সাধারণ মানুষ যেন নিশ্চিন্তে জীবনযাপন করতে পারে, সে জন্য ছাত্রদল সর্বদা সোচ্চার থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং বলেন, ক্যাম্পাসের একাধিক স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের তথ্য পেয়েছেন তারা। টিএসসি এলাকা থেকে দুজন এবং জগন্নাথ হল এলাকা থেকে একজনকে আটক করা হয়েছে। কেউ গুরুতর আহত হননি। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনার বিষয়ে জানার চেষ্টা চলছে।

