Logo
Logo
×

Advertisement

রাজধানী

ঢামেকের মর্গে প্রেমিকের মরদেহ দেখার কয়েক ঘণ্টা পর নার্সের মৃত্যু

Advertisement

মো. জহিরুল ইসলাম

মো. জহিরুল ইসলাম

প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৯ পিএম

ঢামেকের মর্গে প্রেমিকের মরদেহ দেখার কয়েক ঘণ্টা পর নার্সের মৃত্যু

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মরদেহ উদ্ধারের পর তদন্ত করছে পুলিশ। ছবি: যুগান্তর

Advertisement

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে প্রেমিকের মরদেহ দেখতে গিয়েছিলেন নার্স তন্ময়ী মণ্ডল। সেখানে প্রেমিক আকাশ মিত্রের মরদেহ দেখে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। এর কয়েক ঘণ্টা পর ঢামেক হাসপাতালের পুরোনো ভবনের নিচতলার একটি টয়লেট থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, তন্ময়ী আত্মহত্যা করেছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণের জন্য ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।

‎ঘটনার সূত্রপাত রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে, কেরানীগঞ্জে। পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তন্ময়ী মণ্ডলের সঙ্গে কেরানীগঞ্জের আকাশ মিত্রের সম্পর্ক ছিল। ওইদিন বিকেলে কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে আকাশের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে আনা হয়। আকাশের ময়নাতদন্তের সময় তন্ময়ী মর্গে উপস্থিত ছিলেন।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, প্রেমিকের মরদেহ দেখার পর তন্ময়ী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এরপর হাসপাতালের ভেতরে কোনো এক সময় তিনি নিজেকে আহত করেন। পরে পুরোনো ভবনের নিচতলার একটি টয়লেটে যান। সেখান থেকেই পরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

‎নিহত তন্ময়ী মণ্ডল ও তার প্রেমিক আকাশ মিত্রের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম।

পরিবারের সদস্যদের বরাতে ‎তিনি জানান, আকাশ মিত্রের মৃত্যুর পর তার ময়নাতদন্ত ঢামেক মর্গে সম্পন্ন হয়। ওই সময় তন্ময়ী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রেমিকের মরদেহ দেখার পর তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

‎এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, তন্ময়ী মণ্ডলের পরিবার এবং তার প্রেমিক আকাশ মিত্রের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে এমন চিত্রই পাওয়া গেছে। তবে ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পরই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যাবে।


‎আকাশের মৃত্যু ঘিরে নানা সন্দেহ

‎এর আগে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, আর্থিক সংকট ও ঋণে জর্জরিত হয়ে আকাশ মিত্র মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। মৃত্যুর আগে একটি চিঠি লিখেছিলেন আকাশ। সেখানে লেখা ছিল—‘পৃথিবী ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করে না, কিন্তু টাকা নেই।’ চিঠিতে তন্ময়ী তার কাছে টাকা পাবেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে টাকার পরিমাণ সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত নন।

‎এসআই রফিকুল ইসলাম আরও জানান, আকাশের মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নন বলেও চিঠিতে উল্লেখ ছিল।

‎অন্যদিকে শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহফুজা আক্তার জানান, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, প্রেমঘটিত কারণে তন্ময়ী আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

‎দুই লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ‎

‎তন্ময়ীর বোন তন্দ্রা মণ্ডল ঢামেক মর্গে এসে মরদেহ শনাক্ত করেন। তিনি জানান, তন্ময়ী বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার মৃত বিভূত মণ্ডলের মেয়ে। তিনি বারডেম হাসপাতালের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নার্স ছিলেন।

তন্দ্রা মণ্ডল বলেন, কেরানীগঞ্জের আকাশ নামের এক ছেলের সঙ্গে তন্ময়ীর সম্পর্ক ছিল। তার দাবি, আকাশ তন্ময়ীর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। বিভিন্ন অজুহাতে তার কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়েছিলেন। ওই টাকা তন্ময়ী আবার কয়েকজনের কাছ থেকে সংগ্রহ করে আকাশকে দিয়েছিলেন।‎

‎তন্দ্রা আরও বলেন, রোববার বিকেলে কেরানীগঞ্জের বাসায় আকাশের মৃত্যু হয়। পরে তার মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে তন্ময়ী ঢামেক হাসপাতালে যান। সেখানে কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করেন। পরে হাসপাতালের টয়লেটে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

‎যেভাবে মরদেহ উদ্ধার করা হয়‎

‎সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের পুরোনো ভবনের ১১০ ও ১১১ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝামাঝি টয়লেটের ৪ নম্বর কক্ষ থেকে তন্ময়ী মণ্ডলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

‎হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী মাহমুদ শেখ জানান, সকাল ১০টার দিকে তিনি নারীদের টয়লেট পরিষ্কার করতে যান। নিয়ম অনুযায়ী, ভেতরের কক্ষগুলোর দরজায় ধাক্কা দিয়ে লোকজনকে বের হওয়ার অনুরোধ করেন তিনি। ৪ নম্বর কক্ষের দরজায় বেশ কয়েক বার ধাক্কা দিয়ে সাড়া না পাওয়ায় তার সন্দেহ হয়।

‎পরে তিনি রাসেল ও কামাল নামের আরও দুই পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে নিয়ে বিষয়টি দেখতে যান। তাদের ভাষ্য, দরজাটি ভেতর থেকে আটকানো ছিল। একপর্যায়ে দরজা খুলে তারা তন্ময়ীকে রক্তাক্ত ও ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এরপর তারা আনসার সদস্য ও হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শাহবাগ থানায় খবর দেয়।


‎ভোরে প্রশাসনিক ব্লকের সামনে রক্তাক্ত ছুরি‎

‎এর কয়েক ঘণ্টা আগে সোমবার ভোরে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকের সম্মেলেন কক্ষেরে দ্বিতীয় গেটের সামনে একটি রক্তাক্ত কালো স্টিলের ফল কাটার ছুরি পড়ে থাকতে দেখা যায়।

‎পরিচ্ছন্নতাকর্মী কাশী পেল্লী সন্তোষ জানান, সকাল আনুমানিক ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে তিনি ছুরিটি রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে তিনি ওই এলাকার মেঝে পরিষ্কার করেন এবং ছুরিটি ধুয়ে নিজের কাছে সংরক্ষণ করে রাখেন।

‎সন্তোষ বলেন, ঘটনার চার-পাঁচ ঘণ্টা পর তিনি জানতে পারেন, ১১০ ও ১১১ নম্বর ওয়ার্ডের পাশে পুরুষ ও মহিলা টয়লেটের একটি কক্ষে একজনকে মেরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে আলোচনা হচ্ছে। তবে তন্ময়ীর মৃত্যুর ঘটনা তিনি নিজে প্রত্যক্ষ করেননি।

সম্মেলন কক্ষের সামনে রক্তের দাগ

‎হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. শায়লা ফেরদৌস আহসান জানান, সকালে তিনি এসে একজন নারীকে টয়লেটে রক্তাক্ত অবস্থায় ঝুলিয়ে রাখার কথা শুনতে পান। এরপর নিজের কক্ষের পাশে থাকা আনসার সদস্যকে বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন।

ডা. শায়লা ফেরদৌস বলেন, প্রশাসনিক ব্লকের সম্মেলন কক্ষের দুই নম্বর গেটের বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় একটি ছুরি পড়ে থাকতে দেখা যায়। সকাল ৮টার আগে আনসার সদস্যদের ডিউটি পরিবর্তন হয়। তখন দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য হাসপাতালের অফিস স্টাফ ও ক্লিনার সন্তোষকে ডেকে সম্মেলন কক্ষের সামনে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা জায়গাটি পরিষ্কার করতে বলেন।

‎তিনি জানান, প্রথমে বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত ছিল না। হাসপাতালে অনেক রোগী থাকায় বিভিন্ন সময় মেঝেতে রক্ত পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ কারণে তারা ধারণা করেছিলেন, কোনো রোগী নিজের শরীরে আঘাত করার কারণে কিংবা কোনো ঝগড়ার ঘটনায় রক্ত পড়ে থাকতে পারে। পরে পরিচ্ছন্নতাকর্মী সন্তোষ কেমিক্যাল দিয়ে মেঝে পরিষ্কার করেন এবং ছুরিটি নিজের কাছে রাখেন।

‎সহকারী পরিচালক আরও জানান, সম্মেলন কক্ষের দ্বিতীয় গেটের সামনেও রক্তের দাগ ছিল। আশপাশে ফোঁটা ফোঁটা রক্তের চিহ্নও পাওয়া যায়। সেগুলোও পরিষ্কার করা হয়েছে। হাসপাতালের ওই এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। পরে ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করলে বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যেতে পারে।


ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের নার্স তন্ময়ী

‎পরে নিহত নারীর পরিচয় তন্ময়ী মণ্ডল হিসেবে শনাক্ত হয়। সোমবার বিকেলে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

‎তন্ময়ী শাহবাগে অবস্থিত ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। প্রায় এক মাস আগে তিনি সেখানে যোগদান করেন।‎

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তন্ময়ী তার এক বান্ধবীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার করে একটি সিম কার্ড সংগ্রহ করেছিলেন। এই তথ্যসহ ঘটনার পেছনের সম্ভাব্য বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।‎

‎এটি হত্যাকাণ্ড কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনার পেছনে গভীর কোনো রহস্য থাকতে পারে। পুলিশ সব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে এবং প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছে।

‎ব্যাগে চিরকুট, আলামত সংগ্রহ

‎ঘটনাস্থলে সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিট গিয়ে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে। শাহবাগ থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঢামেক হাসপাতালে যায়। পরে সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আলামত সংগ্রহ করে।

‎ওসি বলেন, নিহত নারীর ব্যাগে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। সেখানে ‘তন্ময়ী মণ্ডল’ নাম লেখা ছিল। তবে নিহত নারীর পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ তদন্ত করে নিশ্চিত হওয়া হবে।‎

‎তিনি আরও জানান, মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনাস্থল ও আশপাশের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা চলছে।

‎শুরুতে হত্যার সন্দেহ

‎মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটি নিয়ে শুরুতে হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ তৈরি হয়। পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছিল, রাত থেকেই সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা শুরু করা হয়। ঘটনাস্থলের প্রাথমিক চিত্র ও পাওয়া আলামত দেখে তখন হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ তৈরি হয়েছিল।

তবে সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই এবং অন্যান্য আলামত সংগ্রহের পর বিষয়টি সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানানো হয়।

‎পরবর্তী সময়ে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য এবং প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে আত্মহত্যার দিকটিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। তবে পুলিশ তখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি।

পুলিশের ধারণা আত্মহত্যা‎

‎সর্বশেষ পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে তন্ময়ী মণ্ডলের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ এবং ঘটনার সামগ্রিক বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে।

‎একই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ, ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামত, চিরকুট এবং পরিবারের দেওয়া তথ্য মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য এবং তন্ময়ীর বোন তন্দ্রা মণ্ডলের বক্তব্য—সব মিলিয়ে পুলিশ এখন আকাশ মিত্রের মৃত্যু, তন্ময়ীর সঙ্গে তার সম্পর্ক, আর্থিক লেনদেন, আকাশের ময়নাতদন্তের সময় মর্গে তন্ময়ীর উপস্থিতি এবং পরে ঢামেক হাসপাতালের টয়লেটে তার মৃত্যুর ঘটনাগুলো পাশাপাশি রেখে তদন্ত করছে।

‎ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত সংশ্লিষ্ট অন্য তথ্য পাওয়ার পরই তন্ময়ী মণ্ডলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে চূড়ান্তভাবে বলা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

ঢামেকের বাথরুমে মিলল নারীর ঝুলন্ত লাশ, পরিচয় নিয়ে যা জানা গেল

ঢামেকের বাথরুমে মিলল নারীর ঝুলন্ত লাশ, পরিচয় নিয়ে যা জানা গেল

বিডিআর বিদ্রোহ মামলার কারাবন্দি আসামির মৃত্যু

বিডিআর বিদ্রোহ মামলার কারাবন্দি আসামির মৃত্যু

ক্যাথল্যাব বন্ধে বিপাকে হৃদরোগীরা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাথল্যাব বন্ধে বিপাকে হৃদরোগীরা

২৬ সদস্যের ১২ জনই ছাত্রলীগ নেতা

ঢামেক ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন ২৬ সদস্যের ১২ জনই ছাত্রলীগ নেতা

চকবাজারে ৭ তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

চকবাজারে ৭ তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

ঢামেক হাসপাতালে দুই কারাবন্দির মৃত্যু

ঢামেক হাসপাতালে দুই কারাবন্দির মৃত্যু

আরও পড়ুন

ঢামেকের মর্গে প্রেমিকের মরদেহ দেখার কয়েক ঘণ্টা পর নার্সের মৃত্যু

ঢামেকের মর্গে প্রেমিকের মরদেহ দেখার কয়েক ঘণ্টা পর নার্সের মৃত্যু

বংশালে নিশার আত্মহত্যা: বান্ধবীসহ গ্রেফতার ২

বংশালে নিশার আত্মহত্যা: বান্ধবীসহ গ্রেফতার ২

রাজধানীতে ফিজিওথেরাপি কলেজের কিচেনে আগুন

রাজধানীতে ফিজিওথেরাপি কলেজের কিচেনে আগুন

ডেঙ্গু ঠেকাতে পুরান ঢাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গু ঠেকাতে পুরান ঢাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম