পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসনে ঢাকা দক্ষিণে ১৯ ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১০ পিএম
রাজধানীর দয়াগঞ্জ পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিবাসে দুর্গাপূজা উপলক্ষে তেলেগু ও কানপুরী ভাষাভাষী পরিচ্ছন্নতাকর্মী পরিবারের মধ্যে আর্থিক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসন সংকট দূর করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ১৯টি ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি তাদের শিক্ষিত বেকার সন্তানদের চাকরির ব্যবস্থা এবং বিনা খরচে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতেও কাজ চলছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর দয়াগঞ্জ পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিবাসে দুর্গাপূজা উপলক্ষে তেলেগু ও কানপুরী ভাষাভাষী পরিচ্ছন্নতাকর্মী পরিবারের মধ্যে আর্থিক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমাজে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা যেন মাথা উঁচু করে বাস করতে পারেন এবং সমান অধিকার ভোগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সরকার কাজ করছে। তাদের আবাসন সংকট দূর করতে আধুনিক ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণের প্রস্তাব বাস্তবায়নে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মী পরিবারের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাদের জীবনমান উন্নয়ন ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।
মীর শাহে আলম জানান, শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় তেলেগু ও কানপুরী ভাষাভাষী ৬৮০টি পরিচ্ছন্নতাকর্মী পরিবারের প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সম্প্রদায় দুটির স্থানীয় দুটি মন্দিরেও বিশেষ অনুদান দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসন সংকট নিরসনে দয়াগঞ্জে দুটি নতুন ভবনসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় আরও ১৭টি ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বিনা খরচে চিকিৎসাসেবা এবং কোনো কর্মীর মৃত্যু হলে তার পরিবারকে এককালীন চার লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে সরকার।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংস্থাটির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় নেতা এবং তেলেগু ও কানপুরী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ আবদুস সালাম পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কল্যাণে সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন এবং সবাইকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানান।


