মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজে ১৩১১ শিক্ষার্থী পেয়েছে জিপিএ-৫
Advertisement
যাত্রাবাড়ী (ঢাকা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৯ পিএম
ছবি: যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ থেকে ১ হাজার ৩১১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
এ বছর কলেজটি থেকে মোট ৩ হাজার ১৫৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩ হাজার ১৫২ জন। পাশের হার ৯৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ অর্জনকারীর সংখ্যা মোট পরীক্ষার্থীর ৪২ শতাংশ।
বিভাগভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১ হাজার ৯৯ জন, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ১২৮ জন এবং মানবিক বিভাগ থেকে ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
ফল প্রকাশের পর কলেজ প্রাঙ্গণে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা। কেউ শিক্ষকদের পা ছুঁয়ে, কেউ বন্ধুদের জড়িয়ে ধরে উদযাপন করেন নিজেদের সাফল্য।
যুগোপযোগী পরিকল্পনা, কঠোর শৃঙ্খলা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, শ্রেণিকক্ষে পাঠের অগ্রগতি, প্রতিটি পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণ এবং শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের মাধ্যমে এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ নয়ন বলেন, এই সাফল্য কোনো একক প্রচেষ্টা বা একদিনের অর্জন নয়; বরং শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকে প্রতিদিনের অসংখ্য পরিকল্পিত প্রচেষ্টার সমষ্টি এই অর্জন। আমরা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়াই। নিয়মিত ক্লাস, নিবিড় তদারকি, শিক্ষকদের আন্তরিকতা আর শিক্ষার্থীদের একাগ্রতা মিলেই আজকের এই ফল। আমরা বিশ্বাস করি, শৃঙ্খলা ও পরিকল্পনা থাকলে প্রতিটি শিক্ষার্থীই নিজের সেরাটা দিতে পারে।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে, তাদের সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আর যারা প্রত্যাশিত ফল পায়নি, তাদের পাশেও আমরা আছি। কারণ জীবনের পথ অনেক দীর্ঘ, আর সম্ভাবনা অফুরন্ত। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে আরও ভালো করার জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে আত্মবিশ্বাস ও নিষ্ঠার সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাই।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম বলেন, এবারের পরীক্ষার প্রশ্নের মান, খাতা মূল্যায়ন ইত্যাদি নিয়ে বিভিন্ন খবর শুনে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। তাই রেজাল্টের খবর শোনার পর আনন্দে কয়েক মুহূর্ত কিছুই বলতে পারিনি। আমার এতো রাতজাগা, এতো চেষ্টা, সব যেন এক নিমেষে স্বার্থক হয়েছে। বাবা-মায়ের দোয়া আর শিক্ষকদের সঠিক দিকনির্দেশনা না পেলে এটা সম্ভব হতো না।
অভিভাবক নীলুফার আক্তার তার সন্তানের সাফল্যে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, সন্তানের হাসিমুখ দেখাটাই একজন বাবা-মায়ের সবচেয়ে বড় পাওয়া।
