ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির ১৩তম সমার্বতন অনুষ্ঠিত
Advertisement
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশ: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১৩তম সমার্বতন অনুষ্ঠিত ।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৪ হাজার ২০জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১৩তম সমার্বতন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে এ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য ৫ স্নাতককে চ্যান্সেলর্স গোল্ড মেডেল , ৪ স্নাতককে চেয়ারম্যান গোল্ড মেডেল এবং ৩ স্নাতককে ভাইস-চ্যান্সেলর্স গোল্ড মেডেল দেওয়া হয়েছে। মোট গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে ৩ হাজার ৩শ ৯১জন স্নাতক এবং ৬শ ২৯জন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন।
অনুষ্ঠানে প্রেরিত এক বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এই সমাবর্তন কেবল একটি ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং তোমাদের জীবনের এক নতুন এবং অর্থবহ অধ্যায়ের সূচনা। বিশ্ব আজ এক গভীর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে আমরা একটি থ্রি জিরো ভবিষ্যতের আকাঙ্ক্ষা করছি অর্থাৎ শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ, শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীভূতকরণ এবং শূন্য বেকারত্ব। ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির মতো একটি উদ্যোক্তা বান্ধব প্রতিষ্ঠান থেকে পাস করে তোমরা আজ এমন এক অবস্থানে আছো যেখান থেকে এই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব। তোমাদের অর্জিত জ্ঞান কেবল ব্যক্তিগত সাফল্যে নয়, বরং একটি বৈষম্যহীন ও পরিবেশবান্ধব নতুন পৃথিবী গড়ার ক্ষেত্রে অর্থপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও সনদ প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস. এম. এ. ফায়েজ। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা আজ এমন এক পৃথিবীতে পা রাখছে যা রোমাঞ্চকর, দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং উদ্ভাবনী সম্ভাবনায় ভরপুর। শিক্ষা ও নতুন প্রযুক্তির সমন্বয়ে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি যে অনন্য উচ্চতা স্পর্শ করেছে, তা জাতীয় অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
সমাবর্তন বক্তা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ এখন একটা গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। আগে আমরা সীমিত সম্পদ নিয়ে কীভাবে টিকে থাকা যায় আর সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়, সেই কথাই বলতাম। আজ আমাদের অর্থনীতি মজবুত হয়েছে, কিন্তু শুধু বেশি পরিমাণে পণ্য তৈরি করলেই চলবে না-গুণগত মান বাড়ানো এখন সবচেয়ে জরুরি। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবনের যে জোরেশোরে কাজ চলছে, তা দেখে আমি খুবই আশাবাদী।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান বলেন, আজকের দিনটি শুধু একটি সনদ গ্রহণের দিন নয়। এটি জীবনের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার দিন। আজ থেকে গ্র্যাজুয়েটরা আর শুধু শিক্ষার্থী নয়-তারা সমাজের অংশীদার এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাতা।'
স্বর্ণপদক প্রাপ্তদের মধ্যে চ্যান্সেলর্স গোল্ড মেডেল পান স্বপ্নীল আক্কার নূ, জাকিয়া আকার, সৌরভ গারদিয়া, আরিফুল রহমান, মুনতাসির সরকার। চেয়ারম্যান গোল্ড মেডেল পান আনজির রহমান খান, মো. তুহিন ইসলাম, মো. আবু বকর সিদ্দিক, মো. আবু বকর সিদ্দিক। ভাইস-চ্যান্সেলর্স গোল্ড মেডেল পান শাহরিয়ার শহীদ, বায়েজিদ চৌধুরী, হালিমা আক্তার। অনুষ্ঠানের শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্লাব সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিবেশন করে। গান পরিবেশন করে জনপ্রিয় ব্যান্ড 'ওয়ারফেজ'।
