যুবককে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন
Advertisement
চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৫ পিএম
চরভদ্রাসন থানা
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে বাম হাতের কব্জি ও ডান পায়ের নিচের টাকনু থেকে পায়ের পাতার অংশ বিচ্ছিন্ন করেছে প্রতিপক্ষরা।
শনিবার রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ফাজিলখার ডাঙ্গী গ্রামের নিজ বাড়ির উঠানে তাকে কোপানো হয়েছে।
আহত হায়দার মুন্সি (৩৫) ওই গ্রামের ধলা মুন্সির ছেলে।
এ সময় আহতের ছোট ভাই সুজন মুন্সি (২৬) এগিয়ে গেলে তাকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।
পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই গ্রামের প্রতিপক্ষ নূর ইসলাম মণ্ডলের ছেলে কালাম মণ্ডল (৩৫) ও তার লোকজন রাম দা ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে রাজমিস্ত্রী হায়দার মুন্সির হাত-পা কর্তন করেছে বলে অভিযোগ।
এ ঘটনার পর ওই রাতেই আহতদের মা নিরু বেগম বাদী হয়ে চরভদ্রাসন থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলায় চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
রোববার চরভদ্রাসন থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, মামলার আসামিরা বাড়িঘর ছেড়ে গা-ঢাকা দিয়েছে। তাদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের অভিযোগ, আহত হায়দার মুন্সি অত্যন্ত গরিব মানুষ। এলাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। প্রায় তিন বছর আগের একটি মারামারির মামলার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী ছিল হায়দার মুন্সি। সেই ঘটনায় হায়দার মুন্সি একই গ্রামের কালাম মণ্ডলের পক্ষে সাক্ষ্য দেয়নি। এতে প্রতিপক্ষ কালাম মণ্ডল ক্ষুব্ধ হয়ে ছিল হায়দার মুন্সির ওপর। এরই জের ধরে গত শনিবার রাতে পরিকল্পিতভাবে কালাম মণ্ডল তার লোকজন সঙ্গে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হায়দার মুন্সির হাত-পা বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এ সময় আহতের ভাই এগিয়ে গেলে তাকেও কুপিয়ে হাতে গুরুতর জখম করে প্রতিপক্ষরা।
ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিক ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেফার্ড করেন। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা যায়।
