বাউফলে পৃথক সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় আহত ২০
Advertisement
বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় পৃথক সংঘর্ষ, হামলা ও মারামারির ঘটনায় কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৯ মে) দুপুর ও রাতে উপজেলার উত্তর কালাইয়া গ্রাম এবং কালিশুরী ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ঈদের দুই দিন আগে উত্তর কালাইয়া গ্রামের শহিদুল মুন্সির বাড়ির সামনে ঝড়ে একটি গাছ উপড়ে পড়ে বিদ্যুতের খুঁটির ওপর। এতে জাল্লাল মল্লিক বাড়ির কয়েকটি পরিবারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে স্থানীয়ভাবে মেরামতের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করা হলেও ঈদের ছুটির কারণে অধিকাংশ কর্মী অনুপস্থিত থাকায় স্থানীয় এক ইলেকট্রিশিয়ানকে দিয়ে কাজ করানো হয়।
ইলেকট্রিশিয়ানের পারিশ্রমিক হিসেবে দুই হাজার টাকা নেওয়া হবে—এমন সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে শহিদুল মুন্সির ভাতিজা শামীম মুন্সি ও শাকিল মল্লিকের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষ লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে শাকিল মল্লিক (২৫), জসীম (৩০), ইছাদুল (১৫), সেতারা বেগম (৪০), রাব্বি (২৬), শাওন (২৮), সোহেল মল্লিক (৩৫), শাহিন (২৮) ও শামীম (২৬) কে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে একই দিন দুপুরে কালিশুরী ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শামসুল হককে তার ভাতিজা সবুজ কুপিয়ে জখম করেন বলে অভিযোগ ওঠে। আহত শামসুল হককে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভাতিজা সবুজ।
এছাড়া উত্তর কালাইয়া গ্রামে বিরোধপূর্ণ জমির গাছের ডাল কাটা নিয়ে অসিত, সত্যরঞ্জন ব্যাপারী ও কবির প্যাদার নেতৃত্বে দুলাল সরকার (৮০) ও তার স্ত্রী অর্চনা সরকারকে (৭০) কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুইজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
