Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

ফরিদপুরে একসঙ্গে ৫ নবজাতকের জন্ম, ৪ জনের মৃত্যু

Icon

ফরিদপুর ব্যুরো

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম

ফরিদপুরে একসঙ্গে ৫ নবজাতকের জন্ম, ৪ জনের মৃত্যু

ফাইল ছবি

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালে অস্ত্রোপচার ছাড়াই এক নারী পাঁচটি সন্তান প্রসব করেছেন। তবে এদের মধ্যে চার শিশু মারা গেছে। বর্তমানে জীবিত রয়েছে মাত্র এক ছেলে শিশু।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকাল সোয়া ৫টা থেকে ৫টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে পাঁচটি সন্তান প্রসব করেন ওই নারী। তাদের মধ্যে তিনজন ছেলে ও দুজন মেয়ে।

নবজাতকদের বাবার নাম মাহামুদুল হাসান ডলার। তিনি ফরিদপুর সদর উপজেলার ভবুকদিয়া গ্রামের আবুল বেপারীর ছেলে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের আগে কম ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ করায় জটিলতা দেখা দিয়েছে। 

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দেড় বছর আগে মাহামুদুল হাসান ডলারের সঙ্গে নগরকান্দা উপজেলার বড় কাজুলী গ্রামের চাঁদনী বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পরই চাঁদনী বেগম সন্তান সম্ভাবা হওয়ায় এই দম্পতির মুখে হাসি ফুটেছিল। একপর্যায়ে জানতে পারেন চাঁদনীর গর্ভে পাঁচটি সন্তান রয়েছে। পরে চিকিৎসকের দ্বারস্থ হলেও নির্ধারিত সময়ের ১২ সপ্তাহ আগে সন্তান প্রসব হয়। 

মাহামুদুল হাসান ডলারের ভাই ইদ্রিস আলী বলেন, আমি বাচ্চাগুলোর চাচা। পাঁচজনের মধ্যে চারজন বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যেই মারা গেছে। এখন এক ছেলেশিশু জীবিত আছে। 

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডের সিনিয়র নার্স মিনতি সরকার বলেন, বিকাল ৪টা টার দিকে ওই নারীকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্বজনরা। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকাল সোয়া ৫টার দিকে প্রথম বাচ্চা প্রসব করেন। এরপর ৩০ মিনিটের মধ্যে বাকি চারটি বাচ্চা প্রসব করেন।

তিনি বলেন, অস্ত্রোপচার ছাড়াই বাচ্চাগুলো ২৮ সপ্তাহে জন্মগ্রহণ করেছে, কিন্তু স্বাভাবিকভাবে ৪০ সপ্তাহে হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগে জন্মগ্রহণ করায় বাঁচ্চাগুলোর ওজন ৫০০ গ্রাম থেকে ৭০০ গ্রামের মধ্যে রয়েছে। আবার কারও চোখ ফোটেনি, সবকিছু মিলে বাঁচ্চাগুলো অস্বাভাবিক বলা যায়। এছাড়া মায়ের প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে, তার রক্তের প্রয়োজন। 

হাসপাতালের নবজাতক ও শিশু ওয়ার্ডের দায়িত্বরত (ইন্টার্ন) চিকিৎসক প্রীতিরাজ পাল চৌধুরী বলেন, এখানে পাঁচটি বাচ্চার মধ্যে দুটি বাচ্চা আগেই মারা গেছে। পরে আরও দুটি বাচ্চা মারা যায়। বাচ্চাগুলোর এনআইসিইউ সাপোর্ট প্রয়োজন ছিল, কিন্তু আমাদের এখানে এনআইসিইউ নেই। আমরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম। 

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .