মেঘনার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেমি উপরে, পানিবন্দি ১০ হাজার
মনপুরা (ভোলা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৬ পিএম
মেঘনার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেমি উপরে, পানিবন্দি ১০ হাজার
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভোলার মনপুরায় টানাবর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে মেঘনার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার উপর প্রবাহিত হচ্ছে। এতে উপকূলের বেড়ির বাহিরে নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল ৩-৪ ফুট জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ১০ হাজার বাসিন্দা।
এদিকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত একটানা বৃষ্টি হচ্ছিল। গত ৪ দিন ধরে উপকূলে টানাবর্ষণে মূল ভূখণ্ডে পানি জমে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার বাসিন্দা।
অপরদিকে মনপুরা থেকে বিচ্ছিন্ন চরকলাতলী, ডালচর ও কাজীর চরে ৩-৪ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে মেঘনার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার উপর প্রবাহিত হচ্ছে বলে যুগান্তরকে নিশ্চিত করেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাফউদ্দৌলা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, টানাবর্ষণে মনপুরার মূল ভূখণ্ডের মধ্যে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা উত্তর সাকুচিয়া, দক্ষিণ সাকুচিয়া, হাজিরহাট ও মনপুরা ইউনিয়নের আবাসন প্রকল্পের ঘরে বসবাসরত বাসিন্দাদের। গত তিন দিন বৃষ্টির পানিতে ডুবে রয়েছে ওই সমস্ত ঘর। এতে চুলায় হাড়ি না ওঠায় অনেকে রয়েছেন উপোস, কেউ শুকনো খাবার খেয়ে দিনযাপন করছেন।
এছাড়া উপকূলের সর্বত্রই ২-৩ ফুট পানিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন উপকূলের খেটে খাওয়া মানুষগুলো। উপকূলের হাট-বাজার বন্ধ রয়েছে। মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছেন না।
স্থানীয়রা জানান, মনপুরায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করে চারপাশের বেড়িবাঁধের কাজ করায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। আজকে তাদের এত কষ্ট হচ্ছে।
এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডিভিশন-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাফউদ্দৌলা জানান, টানাবর্ষণে ও মেঘনার পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
