‘বদলি হতে ৮-১০ লাখ টাকা লাগে’ বলা সেই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে তদন্ত
তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বরগুনার তালতলী উপজেলার তুলাতলী-নিউপাড়া সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ এবং উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেনের কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় গত ২৮ জুন যুগান্তরের শেষ পৃষ্ঠায় ‘বদলি হাতে ৮-১০ লাখ টাকা লাগে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
সংবাদটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে পড়লে বুধবার (৮ জুলাই) এলজিইডির পটুয়াখালী অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) তীর্থজিৎ রায় তদন্তের জন্য তালতলী উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে আসেন।
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন, সড়ক নির্মাণ কাজের বিভিন্ন নথিপত্র পর্যালোচনা করেন এবং অভিযোগের বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পাশাপাশি নির্মাণাধীন সড়ক সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
এর আগে তুলাতলী-নিউপাড়া সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার, ঠিকাদারি কাজ অন্যের কাছে হস্তান্তর, নির্মাণকাজে অনিয়ম এবং তদারকিতে গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ওই অডিওতে ঠিকাদারি কার্যক্রম, নির্মাণকাজের বিভিন্ন দিক এবং বদলির ক্ষেত্রে ‘জায়গামতো বদলি হতে ৮-১০ লাখ টাকা লাগে’-এমন বক্তব্য শোনা যায়। অডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর যুগান্তরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
তদন্ত বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) তীর্থজিৎ রায় বলেন, আমাকে তদন্ত কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আজ সরেজমিনে নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেছি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেছি। ভাইরাল হওয়া অডিও ক্লিপটিও আমাদের নজরে এসেছে। অডিওটির সত্যতা ও সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলো আমরা যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করব। তদন্ত শেষে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
