জামদানি-বেনারসি পণ্য বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছি: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন, নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:১১ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেছেন, আমরা চেষ্টা করছি আমাদের ঐতিহ্য জিআই পণ্য জামদানি ও বেনারসি শাড়ি ও পণ্য বাঁচিয়ে রাখার জন্য। বিশ্ববাজারে এসব পণ্যের প্রসার করা যায়, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়। আমাদের তাঁতিদের আধুনিক শিক্ষার ব্যবস্থা করার জন্যই এ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হচ্ছে।
বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অত্যাধুনিক তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে তিনি এসব কথা বলেন। দেশের বস্ত্রশিল্পের দক্ষ জনবল তৈরি ও তাঁতশিল্পের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় অত্যাধুনিক তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টার।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁতিরা অত্যন্ত দারিদ্র সীমার মধ্য থেকে এ তাঁত শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। এ কারণে অনেকেই ঝরে পড়ছেন, এ শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রাখতে পারছেন না।
তিনি বলেন, আমরা যে ঋণ দেই মাত্র চার পার্সেন্ট সুদে, আর ব্যাংকগুলো ঋণ দেয় ১৪-১৫ পার্সেন্ট সুদে। তবে এ ঋণ ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। প্রতিমন্ত্রী এজন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবিরসহ নেতারা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বস্ত্র অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, তাঁত মালিক, উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আধুনিক এ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু হওয়ার ফলে স্থানীয় তাঁতশিল্পের বিকাশ, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁতশিল্পের উৎপাদনশীলতা ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
