হেফাজতকে নীতিগতভাবে সমর্থন করি, কারণ তারা ইসলামের কথা বলে: মীর হেলাল
Advertisement
ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৫ এএম
হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল বলেছেন, আমরা দলগতভাবে ধর্মীয় রাজনীতির বিরুদ্ধে। ধর্মকে ব্যবহার করে যারা রাজনীতি করে, তারা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্যই তা করে। তবে হেফাজতে ইসলামকে নীতিগতভাবে পছন্দ করি, কারণ তারা ইসলামের কথা বলে, ন্যায়ের কথা বলে।
রোববার (১৯ জুলাই) রাতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মীর হেলাল বলেন, হেফাজতের সঙ্গে আমাদের কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। আমার কাছে হেফাজত কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়। বাংলাদেশে ইসলামকে সুরক্ষিত রাখা এবং সঠিক পথে পরিচালনার লক্ষ্যে কাজ করা একটি ধর্মীয় সংগঠন হিসেবেই আমি হেফাজতকে দেখি।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে। তবে নির্বাচন চাইলেই সঙ্গে সঙ্গে করা যায় না। একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। নির্বাচন ও রাজনীতি মানুষের বেঁচে থাকার পরের বিষয়; আগে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটে ব্যাপক বন্যা হয়েছে। মানুষ স্বস্তিতে ফিরলে যেসব নির্বাচন বাকি রয়েছে, সেগুলো যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে।
চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কের উন্নয়নকাজ দ্রুত শেষ হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে মহাসড়ক হিসেবে পরিচিত হবে। তবে শুধু রাস্তা প্রশস্ত করলেই দুর্ঘটনা কমবে না। দুর্ঘটনা কমাতে জনসচেতনতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।
নবগঠিত দেশের ৫০১তম উপজেলা ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা প্রসঙ্গে মীর হেলাল বলেন, ফটিকছড়ি একটি বড় উপজেলা ছিল। এটিকে বিভক্ত করা প্রয়োজন ছিল। নতুন উপজেলা হওয়ায় উন্নয়ন বরাদ্দও বাড়বে। সদর দপ্তরের অবস্থান নিয়ে যে আন্দোলন চলছে, সে বিষয়ে সরকার জনগণের মতামত ও সার্বিক সুবিধা বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেবে।
তবে বৈঠকে অন্য কোনো বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আবু তালেব, মাওলানা ইয়াহিয়া, নাজিরহাট পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক এজাহার মিয়াসহ বিএনপি ও হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
