Logo
Logo
×

Advertisement

শিক্ষাঙ্গন

‘চান্স পেয়েও ঢাবিতে ভর্তি হইনি’

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৯ এএম

‘চান্স পেয়েও ঢাবিতে ভর্তি হইনি’

নুসরাত জাহান। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির মেয়ে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইংরেজি বিভাগের ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান ভর্তিযুদ্ধে দারুণ সাফল্য অর্জন করেছিলেন। তিনি চবির ‘বি’ ইউনিটে ১৫তম, ‘ডি’ ইউনিটে ৩১৯তম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ‘বি’ ইউনিটে ৭৬৬তম হয়ে বাংলা বিভাগে পড়ার সুযোগ পান।

তবে প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে জীবনকে একটু ভিন্নভাবে দেখতে ভালোবাসেন নুসরাত। তার মতে, ভর্তি পরীক্ষায় সুযোগ না পেলেও জীবনের পথ কখনো ফুরিয়ে যেত না। ঢাবি নিয়ে তার অতিরিক্ত কোনো মোহ ছিল না, বরং প্রচলিত ধারণার উলটো পথে হেঁটে তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই বলতেন, ‘সবাই বলে ঢাবিতে চান্স পেয়ে দেখান, আমি ভর্তি না হয়ে দেখাব।’

নুসরাত জাহান বলেন, আমি মনে করি জীবনে সবকিছুই এককটা পথ, অ্যাডমিশনে উত্তীর্ণ না হলেও যে জীবনের সব পথ বন্ধ হয়ে যেত এমন নয়। বরং, আরও নতুন নতুন দিগন্ত খুঁজে বের করতাম। আর ঢাবিতে ৭৬৬ তম হই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়েও আমার খুব বেশি মুগ্ধতা কাজ করত না। আমি ব্যক্তিগতভাবে জীবনকে একটু অন্যরকম করে দেখি, আমার মনে হতো ‘সবাই বলে চান্স পেয়ে দেখান। আমি ভর্তি না হয়ে দেখাব।’

তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পেলেও ইংরেজি সাহিত্যে পড়ার ইচ্ছা ছিল। পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাওয়ায় এখানেই পড়ার সিদ্ধান্ত নিই। ইংরেজি সাহিত্যের প্রতি আগে থেকেই আমার আলাদা ভালো লাগা ছিল। পাশাপাশি, আমার বাবাও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। বাবার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পারিবারিক যোগসূত্রও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আমার আকর্ষণ বাড়িয়েছে। ভবিষ্যতে দেশের বাইরে গিয়ে ইংরেজি বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণেরও ইচ্ছা রয়েছে।

চবির এই শিক্ষার্থী বলেন, এইচএসসি পরীক্ষার প্রায় চার মাস আগে আমি প্রথম অ্যাডমিশন নিয়ে সচেতন হই। বাংলা ইংরেজি শুরু থেকেই খুব মনোযোগ দিয়ে পড়তাম। তখন থেকে অ্যাডমিশন কেন্দ্রীক ধারণা নেওয়া শুরু। সঙ্গে এটাও মাথায় রেখেছিলাম যেন এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ না হয় যেহেতু পরীক্ষাও কাছাকাছি সময়ে ছিল। আমি পুরোটা সময় রামগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছিলাম যেখানে কোনো ভালো কোচিং সেন্টারও ছিল না। পুরোটাই অনলাইনকেন্দ্রিক পড়াশোনা।

তিনি বলেন, ঢাবি পরীক্ষার ক্ষেত্রে আমার বহুনির্বাচনি অংশ খুব বেশি ভালো হয়নি। মোটামুটি পাশ মার্ক নিশ্চিত করে আমি দ্রুত খাতা জমা দিয়ে রিটেন অংশ ভালো মতো লিখেছিলাম। চবির পরীক্ষাগুলোর ক্ষেত্রে প্রথম মোটামুটি নিশ্চিতগুলো শুরুতে দাগিয়ে ফেলি। এরপর ভেবে চিন্তে ৫০/৫০ নিশ্চিতগুলো দাগাই। কোনো প্রশ্ন নিয়ে খুব বেশি সময় নষ্ট করতাম না। পরীক্ষার শেষের সময়ের জন্য রেখে দিতাম। আর খুব আশাবাদী থাকতাম। প্রশ্নপত্র পেয়ে প্যানিক করতাম না। আল্লাহর উপর ভরসা রেখে ধীরে সুস্থে ঠান্ডা মাথায় দাগাতাম। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

ছাত্রীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ

ছাত্রীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ

বরই খাওয়ানোর কথা বলে শিশুকে নিপীড়নের পর হত্যা, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

বরই খাওয়ানোর কথা বলে শিশুকে নিপীড়নের পর হত্যা, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

গার্মেন্টসে অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে পলাতক আ.লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী

গার্মেন্টসে অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে পলাতক আ.লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী

ডেঙ্গু প্রতিরোধে চট্টগ্রামে রিজভীর লিফলেট বিতরণ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে চট্টগ্রামে রিজভীর লিফলেট বিতরণ

ঢাবিতে ভর্তি আবেদন শুরু ১১ নভেম্বর

ঢাবিতে ভর্তি আবেদন শুরু ১১ নভেম্বর

পদত্যাগের দাবিতে অবরুদ্ধ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের অধ্যক্ষ

পদত্যাগের দাবিতে অবরুদ্ধ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের অধ্যক্ষ

আরও পড়ুন

‘চান্স পেয়েও ঢাবিতে ভর্তি হইনি’

‘চান্স পেয়েও ঢাবিতে ভর্তি হইনি’

তল্লাশি করতে গিয়ে কুবি শিক্ষার্থীদের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্য, অতঃপর...

তল্লাশি করতে গিয়ে কুবি শিক্ষার্থীদের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্য, অতঃপর...

রাত ২টা, রাস্তা অবরোধ করে রেখেছে শিক্ষার্থীরা

রাত ২টা, রাস্তা অবরোধ করে রেখেছে শিক্ষার্থীরা

ছাত্রীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ

ছাত্রীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম