সোনারগাঁয়ে আসামি ধরতে গিয়ে দুই পুলিশ সদস্য আহত, অস্বীকার পুলিশের
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন, সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ)
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রিপন মিয়া (৩৫) নামের এক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করতে গিয়ে তিন পুলিশ সদস্যের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। আহত পুলিশ সদস্যদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে হামলার এ ঘটনা অস্বীকার করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার মেঘনা থানার কুদরত আলীর ছেলে রিপন মিয়া নামের এক ব্যক্তির নামে একটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। সোমবার দুপুরে পুলিশ আসামির অবস্থান নিশ্চিত হয়ে উপজেলার বৈদ্যেরবাজারের খেয়াঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পুলিশ রিপন মিয়াকে গ্রেফতার করে। একপর্যায়ে আসামিকে ধরার সঙ্গে সঙ্গে তার সহযোগীরা পুলিশের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ও আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
এ সময় সোনারগাঁ থানার এসআই সুরুজ্জামান ও এএসআই হাসমত উল্লাহ আহত হন। পরবর্তীতে আহত ওই দুই পুলিশ সদস্যকে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান দিগন্ত বলেন, বিকাল ৪টার দিকে দুজন পুলিশ সদস্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের নাম হাসমত উল্লাহ।
এএসআই হাসমত উল্লাহ হামলার ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, আসামি ধরতে গেলে আসামিরা তো একটু দৌড়ঝাঁপ করবেই। আসামি ধরতে গেলে ওই আসামি দৌড়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে গেছেন। তবে আমাদের ওপর হামলার ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি বর্তমানে থানায় রয়েছেন।
এসআই সুরুজ্জামানও হামলার ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, তারা তিনজন পুলিশ সদস্য বৈদ্যেরবাজার খেয়াঘাট এলাকায় দ্রুত বিচার মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় আসামি তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। তবে তাদের ওপর কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি।
সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। তিনি এ ঘটনা সম্পর্কে জানেন না। তিনি ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করেছেন।
সোনারগাঁ থানার ওসি মহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, একজন আসামিকে গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। তবে কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি।

-6ab117843448d.jpg)