চিঠির খাম থেকে পার্সেল, বদলে যাওয়া ডাকপিয়নের গল্প
Advertisement
বরিশাল ব্যুরো
প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২১ পিএম
ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পায়ে হেঁটে চিঠি বিলি থেকে সাইকেলে চেপে মানি অর্ডার পৌঁছে দেওয়া—জাহাঙ্গীর এখন ডেলিভারি ম্যান। বদলে গেছে তার কর্মস্থল পোস্ট অফিসের সেবার ধরনও। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে টিকে থাকার লড়াইয়ে পোস্ট অফিসও এখন অনেকটা কুরিয়ার সার্ভিসের মতো সেবা দিচ্ছে।
শুধু জাহাঙ্গীর কিংবা রণজিৎ নন, নতুন ও পুরোনো ডাকপিয়নদের সবাইকে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হচ্ছে।
একসময় মানুষের অপেক্ষার বড় অংশজুড়ে থাকতেন ডাকপিয়ন। প্রিয়জনের চিঠি, চাকরির নিয়োগপত্র কিংবা মানি অর্ডার—সবই পৌঁছে দিতেন তারা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত চিঠির ব্যবহার কমেছে। বিপরীতে বেড়েছে পার্সেল ও বিভিন্ন পণ্য পাঠানোর চাহিদা।
পোস্টমাস্টার মশিউর রহমান বলেন, এখানে ১৫ জন ডাকপিয়ন কাজ করছেন। তাদের অনেকের চাকরির মেয়াদও প্রায় শেষের দিকে। তবে সময়ের সঙ্গে তাদের কাজের ধরন বদলেছে। সাইকেলের পাশাপাশি এখন স্কুটিতে করেও পার্সেল পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
বর্তমানে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে পার্সেল পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে ট্র্যাকিং সুবিধা। ফলে ডাক বিভাগ এখন অনেকটাই আধুনিক কুরিয়ার সেবার মতো কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
চিঠির যুগ বদলে গেছে। বদলে গেছে ডাকপিয়নের বাহন, পরিবর্তন এসেছে কাজের ধরনেও। একসময় যারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে চিঠি ও মানি অর্ডার পৌঁছে দিতেন, এখন তাদের দায়িত্বের বড় অংশজুড়ে রয়েছে পার্সেল সরবরাহ।
তবু বদলায়নি মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় কিছু পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব। পায়ে হেঁটে চিঠি বিলি থেকে আধুনিক পার্সেল ডেলিভারি—সময় বদলেছে, বদলেছেন ডাকপিয়নও। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নতুন সেবার মাধ্যমে এখনো নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করছে ডাক বিভাগ।

-6ac903d490294.jpg)