মনপুরায় শিক্ষক ও স্বাস্থ্যকর্মীকে ডেকে নিয়ে রক্তাক্ত জখম
Advertisement
মনপুরা (ভোলা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভোলার মনপুরায় ফজরের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে সহকারী শিক্ষক ও স্বাস্থ্যকর্মীকে পিঠিয়ে রক্তাক্ত জখম করার ঘটনা ঘটেছে। জামায়াতের ওয়ার্ড সভাপতির নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন হামলায় আহত সহকারী শিক্ষক ফজলে রাব্বি ও কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যকর্মী ফয়সাল হাওলাদার।
রোববার (১১ অক্টোবর) ফজরের নামাজ শেষে ভোর ৬টায় উপজেলার মনপুরা ফাজিল মাদ্রাসা জামে মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পরে আহতদের উদ্ধার করে মনপুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থা বেগতিক হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
আহত ফজলে রাব্বি মনপুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চারুকলা সহকারী শিক্ষক, অন্যজন মনপুরা কাউয়ারটেক কমিউনিটি ক্লিনিকের দায়িত্বরত স্বাস্থ্যকর্মী মো. ফয়সাল হাওলাদার। দুজন আপন সহোদর ও মনপুরা ইউনিয়নের ঈশ্বরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা অহিদুর রহমানের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত শিক্ষক ফজলে রাব্বি জানান, ফজরের নামাজের পর মসজিদে দোয়া পড়ছিলাম। এই সময় আমার বড়ভাই ফয়সাল হাওলাদারকে মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে যান আলাউদ্দিনের ছেলে ফয়সাল। পরে জামায়াত ইসলামীর নেতা মিজানের নেতৃত্বে ৪-৫ জন হামলা করে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। ভাইয়ের চিৎকার শুনে মসজিদ থেকে বের হয়ে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা আমাকেও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তিনি হামলার ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন।
এই ব্যাপারে গুরুতর আহত কমিউনিটি ক্লিনিকের দায়িত্বরত স্বাস্থ্যকর্মী মো. ফয়সাল অভিযোগ করে জানান, ফজরের নামাজের পর মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মিজানের নেতৃত্বে ফয়সাল, সুমন, রিয়াদসহ আরও কয়েকজন হামলা করে আমাদের দুই ভাইয়ের মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তিনিও হামলার বিচার দাবি করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাও. আমিমুল ইহসান জসিম জানান, ঘটনাটি নিন্দনীয়। তিনি হামলার ঘটনায় দোষীদের আইনের আওতায় এনে বিচার দাবি করেন।
এই ব্যাপারে মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

