গ্যাসের পেমেন্ট সার্ভারে জালিয়াতি: বিল আত্মসাতের প্রমাণ পেল দুদক
Advertisement
সিলেট ব্যুরো
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৩ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সিলেটে জালালাবাদ গ্যাসের মূল পেমেন্ট সার্ভারে কৌশলে কারসাজি করে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর তথ্য উদ্ঘাটন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র শাখার সার্ভার পেমেন্ট অপশনে এ অভিনব জালিয়াতি ধরা পড়েছে।
এছাড়া যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটির হলরুম ও ভেন্যু ভাড়ার অর্থ লেনদেনেও ব্যাপক অনিয়মের গুরুতর প্রমাণ পেয়েছে দুদক। বৃহস্পতিবার বিকালে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সিলেট সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের একটি বিশেষ এনফোর্সমেন্ট টিম ওই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র ও অভিযানকারী কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটির নির্দিষ্ট মিটারের বিপরীতে গ্রাহকের পরিশোধ করা আসল গ্যাস বিল কৌশলে সার্ভারে ‘অপরিশোধিত’ দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়মিত আত্মসাৎ করা হতো। পাশাপাশি সরকারি হলরুম ও ভেন্যু ভাড়া থেকে পাওয়া অর্থ এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত গ্যাস সিলিন্ডারের অর্থ তছরুপ ও আর্থিক অনিয়মের সুস্পষ্ট প্রমাণ উঠে এসেছে।
অভিযানকালে দুদকের টিম অভিযুক্ত গ্রাহক ও মিটার নম্বর সংক্রান্ত যাবতীয় দাপ্তরিক নথিপত্র তলব করে। একই সঙ্গে ভেন্যু ভাড়ার সঙ্গে যুক্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এসিআই লিমিটেডের কাছে প্রাসঙ্গিক সব আর্থিক রেকর্ডপত্র সরবরাহের নির্দেশ দিয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠায়।
সার্বিক আইনি পদক্ষেপ ও অনুসন্ধানের অগ্রগতি নিয়ে অভিযান পরিচালনাকারী দল জানায়, তলবকৃত নথি ও দাপ্তরিক কাগজপত্র হাতে পাওয়ার পর তা নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশসহ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন দুদক কমিশনে দাখিল করা হবে।
দুদক সিলেটের সহকারী পরিচালক সুবেল আহমদ জানান, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও সার্ভার জালিয়াতির সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
